
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিচার বিভাগকে সাধারণ মানুষের জন্য ‘ন্যায় ও আস্থার’ প্রধান স্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজ জেলা বগুড়াসহ সাতটি জেলায় বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ ‘ই-বেইলবন্ড’ বা ইলেকট্রনিক জামিননামা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নিজ জেলা সফরে এসে তিনি দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনে বিচার বিভাগের দলীয়করণের কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর গঠিত এই সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও বৈষম্যহীন করা। প্রাথমিকভাবে দেশের ৭টি জেলায় চালু হওয়া এই ডিজিটাল পদ্ধতির ফলে জামিননামা জালিয়াতি বন্ধ হবে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারামুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণ থেকে মুক্তির পর দেশে জনগণের সরাসরি ভোটে একটি দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণ তাদের হারানো রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। আর কোনো স্বৈরাচার যাতে জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় ছাড়া গণতন্ত্রের সুফল মিলবে না। ফ্যাসিবাদী আমলে বিচার বিভাগকে দলীয় আদালতে পরিণত করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ অন্ধকারের শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং বৈষম্যহীন করা।’
বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি কমাতে ই-বেইলবন্ড বা ইলেকট্রনিক জামিননামা পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আগে আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর জেলখানা পর্যন্ত পৌঁছাতে ১৩টি ধাপ পার হতে হতো। এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে কয়েক মিনিটের মধ্যেই জামিননামা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে যাবে।
এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং জামিননামা জালিয়াতি বন্ধ হবে; জামিন আদেশ পাওয়ার পর কারামুক্তিতে আর দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হবে না; ই-বেইলবন্ড সিস্টেমকে পুলিশের সিডিএমএস, আদালতের কেস ম্যানেজমেন্ট এবং এনআইডি ভেরিফিকেশনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে আজ থেকে বগুড়া, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া জেলায় এ কার্যক্রম শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশে চালু করা হবে।
বিগত আমলের ‘গায়েবি মামলা’ ও ‘ভুয়া ওয়ারেন্টের’ সংস্কৃতির কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইনে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট, রিলিজ অর্ডার এবং থানা থেকে ওয়ারেন্ট রিকলের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এর ফলে এক জেলার আসামিকে অন্য জেলায় গ্রেপ্তার করে আটকে রাখা বা ভুয়া ওয়ারেন্টে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার পথ বন্ধ হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ‘কারাগারের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ সামান্য অর্থের অভাবে আইনজীবী নিয়োগ করতে না পেরে বছরের পর বছর বিনা বিচারে জেল খাটছেন।’ এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি আইনমন্ত্রীকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী আইনজীবী ও বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের এই আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করে বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘ন্যায়বিচার কোনো দয়া নয়, এটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে প্রধানমন্ত্রী থেকে সাধারণ নাগরিক— সবার জন্য আইন ও বিচার হবে সমান।’

বিচার বিভাগকে সাধারণ মানুষের জন্য ‘ন্যায় ও আস্থার’ প্রধান স্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজ জেলা বগুড়াসহ সাতটি জেলায় বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ ‘ই-বেইলবন্ড’ বা ইলেকট্রনিক জামিননামা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নিজ জেলা সফরে এসে তিনি দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনে বিচার বিভাগের দলীয়করণের কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর গঠিত এই সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও বৈষম্যহীন করা। প্রাথমিকভাবে দেশের ৭টি জেলায় চালু হওয়া এই ডিজিটাল পদ্ধতির ফলে জামিননামা জালিয়াতি বন্ধ হবে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারামুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণ থেকে মুক্তির পর দেশে জনগণের সরাসরি ভোটে একটি দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণ তাদের হারানো রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। আর কোনো স্বৈরাচার যাতে জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় ছাড়া গণতন্ত্রের সুফল মিলবে না। ফ্যাসিবাদী আমলে বিচার বিভাগকে দলীয় আদালতে পরিণত করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ অন্ধকারের শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং বৈষম্যহীন করা।’
বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি কমাতে ই-বেইলবন্ড বা ইলেকট্রনিক জামিননামা পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আগে আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর জেলখানা পর্যন্ত পৌঁছাতে ১৩টি ধাপ পার হতে হতো। এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে কয়েক মিনিটের মধ্যেই জামিননামা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে যাবে।
এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং জামিননামা জালিয়াতি বন্ধ হবে; জামিন আদেশ পাওয়ার পর কারামুক্তিতে আর দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হবে না; ই-বেইলবন্ড সিস্টেমকে পুলিশের সিডিএমএস, আদালতের কেস ম্যানেজমেন্ট এবং এনআইডি ভেরিফিকেশনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে আজ থেকে বগুড়া, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া জেলায় এ কার্যক্রম শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশে চালু করা হবে।
বিগত আমলের ‘গায়েবি মামলা’ ও ‘ভুয়া ওয়ারেন্টের’ সংস্কৃতির কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইনে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট, রিলিজ অর্ডার এবং থানা থেকে ওয়ারেন্ট রিকলের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এর ফলে এক জেলার আসামিকে অন্য জেলায় গ্রেপ্তার করে আটকে রাখা বা ভুয়া ওয়ারেন্টে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার পথ বন্ধ হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ‘কারাগারের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ সামান্য অর্থের অভাবে আইনজীবী নিয়োগ করতে না পেরে বছরের পর বছর বিনা বিচারে জেল খাটছেন।’ এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি আইনমন্ত্রীকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী আইনজীবী ও বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের এই আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করে বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘ন্যায়বিচার কোনো দয়া নয়, এটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে প্রধানমন্ত্রী থেকে সাধারণ নাগরিক— সবার জন্য আইন ও বিচার হবে সমান।’

বিটিআরসির চেয়ারম্যান বরাবর লেখা ওই চিঠিতে দেশের তিনটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটর— গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের টাওয়ার (বিটিএস) ও ডেটা সেন্টার চালু রাখতে প্রতিদিন ৭৯ হাজার ৬২১ লিটার ডিজেল এবং ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম ঠেকাতে সাইবার অপরাধের দিকেও বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। প্রশ্নপত্র থানা থেকে যারা গ্রহণ করেন, তাদের তালিকা সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম ঘটলে তা দ্রুত শনাক্ত করা যায়। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্
৩ ঘণ্টা আগে
ত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবসৃষ্ট ‘বগুড়া সিটি করপোরেশন’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৪ ঘণ্টা আগে
দিনব্যাপী এই সফরে জেলা আইনজীবী সমিতির উন্নয়ন ছাড়াও গাবতলীর বাগবাড়ীতে জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন, শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর বাগবাড়ী নশিপুর এলাকায় চৌকিরদহ খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
৬ ঘণ্টা আগে