
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্তে সহায়তা চেয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ককে চিঠি দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর পরিপ্রেক্ষিতে জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে আগস্টের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৪৬ দিনে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার ‘নিরপেক্ষ ও স্বাধীন’ তদন্ত করার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে ঘটনার মূল কারণ এবং জড়িতদের খুঁজে বের করে ন্যায়বিচার ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে শিগগির বাংলাদেশে আসবে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।
গতকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা সামদাসানি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে বলা হয়, বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টের দেড় মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তথ্যানুসন্ধানের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক।
বিক্ষোভের সময় ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষমতার অপপ্রয়োগের বিষয়ে প্রতিবেদনের পাশাপাশি এসব লঙ্ঘনের মূল কারণ বিশ্লেষণ, ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য সুপারিশের লক্ষ্যে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি তথ্যানুসন্ধানী দল নিযুক্ত করবে হাইকমিশনারের দপ্তর।
দলটি কাজের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, জাতিসংঘের একটি প্রাথমিক দল গত সপ্তাহে (২২-২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ সফর করে। তারা সাম্প্রতিক বিক্ষোভের ছাত্রনেতা, যাদের অনেকে আটক বা আহত হয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, রাজনৈতিক দল, সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ ছাড়া গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ফলকার টুর্ক। একই সঙ্গে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা গুম হওয়া ব্যক্তিদের খোঁজে পাঁচ সদস্যের জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণাকেও স্বাগত জানান।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, বাংলাদেশে বলপূর্বক গুমের বিষয়টি সুরাহার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে। সম্প্রতি গঠিত তদন্ত কমিশনকে সহায়তার জন্য তারা প্রস্তুত।
এ ছাড়াও গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করা, জবাবদিহি ও সবার জন্য মানবাধিকার সমুন্নত রাখার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জনগণকে সমর্থন দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর উন্মুখ হয়ে আছে বলেও জানানো হয়।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্তে সহায়তা চেয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ককে চিঠি দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর পরিপ্রেক্ষিতে জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে আগস্টের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৪৬ দিনে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার ‘নিরপেক্ষ ও স্বাধীন’ তদন্ত করার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে ঘটনার মূল কারণ এবং জড়িতদের খুঁজে বের করে ন্যায়বিচার ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে শিগগির বাংলাদেশে আসবে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।
গতকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা সামদাসানি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে বলা হয়, বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টের দেড় মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তথ্যানুসন্ধানের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক।
বিক্ষোভের সময় ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষমতার অপপ্রয়োগের বিষয়ে প্রতিবেদনের পাশাপাশি এসব লঙ্ঘনের মূল কারণ বিশ্লেষণ, ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য সুপারিশের লক্ষ্যে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি তথ্যানুসন্ধানী দল নিযুক্ত করবে হাইকমিশনারের দপ্তর।
দলটি কাজের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, জাতিসংঘের একটি প্রাথমিক দল গত সপ্তাহে (২২-২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ সফর করে। তারা সাম্প্রতিক বিক্ষোভের ছাত্রনেতা, যাদের অনেকে আটক বা আহত হয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, রাজনৈতিক দল, সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ ছাড়া গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ফলকার টুর্ক। একই সঙ্গে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা গুম হওয়া ব্যক্তিদের খোঁজে পাঁচ সদস্যের জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণাকেও স্বাগত জানান।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, বাংলাদেশে বলপূর্বক গুমের বিষয়টি সুরাহার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে। সম্প্রতি গঠিত তদন্ত কমিশনকে সহায়তার জন্য তারা প্রস্তুত।
এ ছাড়াও গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করা, জবাবদিহি ও সবার জন্য মানবাধিকার সমুন্নত রাখার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জনগণকে সমর্থন দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর উন্মুখ হয়ে আছে বলেও জানানো হয়।

তারেক রহমান বলেন, “যে কারণে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে সরকার। আইন অনুযায়ী, অন্যায়কারী এবং হত্যাকারীদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে”
৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘জগতের সব ধরনের বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও আদর্শের অবাধ আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই কেবল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব; আর সেজন্য প্রয়োজন মুক্ত ও দায়িত্বশীল বুদ্ধিচর্চা।’
৮ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস, কেন্দ্রীয় সংগঠক তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা এ অভিযোগ দায়ের করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
তেহরানের গ্রান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিহত আলি খামেনির বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া করার পাশাপাশি স্পিকার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেখানে রাখা শোক বইতে সই করেন।
১১ ঘণ্টা আগে