
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি পিছিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১৯ জানুয়ারি) আদালত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন আজ রোববার সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের শুনানির কার্যতালিকায় ছিল। শনিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের রোববারের শুনানির কার্যতালিকার ১৩ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
গত ১ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রিভিউটি ১৯ জানুয়ারি শুনানির জন্য ধার্য করেন। আদালতে সেদিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, শরীফ ভূঁইয়া ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে ১৬ অক্টোবর রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তার আগে এ বিষয়ে রিভিউ করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার রিভিউ আবেদন করেন। এসব রিভিউ আবেদনের একসঙ্গে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনে করা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাশ হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি পিছিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১৯ জানুয়ারি) আদালত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন আজ রোববার সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের শুনানির কার্যতালিকায় ছিল। শনিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের রোববারের শুনানির কার্যতালিকার ১৩ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
গত ১ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রিভিউটি ১৯ জানুয়ারি শুনানির জন্য ধার্য করেন। আদালতে সেদিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, শরীফ ভূঁইয়া ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে ১৬ অক্টোবর রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তার আগে এ বিষয়ে রিভিউ করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার রিভিউ আবেদন করেন। এসব রিভিউ আবেদনের একসঙ্গে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনে করা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাশ হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

২০১৮ সালের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারত ১৫ বছরে প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পাইপলাইনটি উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ এ লাইনের মাধ্যমে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ টন ডিজেল আমদানি করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আইএসপিআর জানায়, সফরকালে তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিতব্য ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। এতে কারও আহত হওয়ার তথ্য জানা যায়নি। কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, সে বিষয়েও তথ্য দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
১৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে বলা হয়, এ প্রেক্ষাপটে কক্সবাজারে ‘ইউনিভার্সিটি অব ব্লু ইকোনমি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ প্রতিষ্ঠা জাতীয় স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হতে পারে। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি সামুদ্রিক সম্পদ নিয়ে গবেষণা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং ব্লু ইকোনমি খাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ ত
১৬ ঘণ্টা আগে