
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের দুই বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (২৪ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেন। আগামীকালই শপথ নেবেন তারা।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত দুই বিচারপতি হলেন- বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। দুই বিচারপতির নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা সাতজনে দাঁড়াবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫-এর দফা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক পদে নিয়োগ দান করেছেন।
এ দিকে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে সোমবার (২৪ মার্চ) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ওই দুই বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারক পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
প্রধান বিচারপতি নবনিযুক্ত দুই বিচারপতিকে মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
এর আগে, বিচারপতি আসাদুজ্জামান ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক ও ২০০৫ সালে হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
অপরদিকে, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ১৯৯২ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে নথিভুক্ত হন। তিনি ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে উন্নীত হন এবং ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট একই বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের দুই বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (২৪ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেন। আগামীকালই শপথ নেবেন তারা।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত দুই বিচারপতি হলেন- বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। দুই বিচারপতির নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা সাতজনে দাঁড়াবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫-এর দফা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক পদে নিয়োগ দান করেছেন।
এ দিকে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে সোমবার (২৪ মার্চ) প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ওই দুই বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারক পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
প্রধান বিচারপতি নবনিযুক্ত দুই বিচারপতিকে মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।
এর আগে, বিচারপতি আসাদুজ্জামান ১৯৮৩ সালে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক ও ২০০৫ সালে হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
অপরদিকে, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ১৯৯২ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে নথিভুক্ত হন। তিনি ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে উন্নীত হন এবং ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট একই বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলীয় আধিপত্য বিস্তার, প্রতিশোধপরায়ণতা, সমাবেশকেন্দ্রিক সংঘর্ষ, নির্বাচন ও চাঁদাবাজিকে ঘিরে ১৪১১টি সহিংস ঘটনায় ১৯৫ জন নিহত ও ১১ হাজার ২২৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ১৩৪, আওয়ামী লীগের ২৬, জামায়াতের ৫, ইউপিডিএফের ৬ জনসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী রয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
১৯৮৯ সালের ২২ নং আইনের কিছু শব্দের সংশোধন করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আইন, ১৯৮৯ (১৯৮৯ সালের ২২ নং আইন)-এর সংক্ষিপ্ত শিরোনামসহ সর্বত্র উল্লিখিত একাডেমী, ‘একাডেমীর’ ও ‘একাডেমীতে’ শব্দগুলোর পরিবর্তে যথাক্রমে ‘একাডেমি’, ‘একাডেমির’ ও ‘একাডেমিতে’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-তে উল্লেখ রয়েছে— ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগায
১৫ ঘণ্টা আগে
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘আনকভারিং দ্য পাবলিক পালস: ফাইন্ডিংস ফ্রম আ নেশনওয়াইড সার্ভে’ শীর্ষক এই জনমত জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। সিআরএফ এবং বাংলাদেশ ইলেকশন অ্যান্ড পাবলিক ওপিনিয়ন স্টাডিজ যৌথভাবে এই জরিপ পরিচালনা করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে