
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ সরকারের অনুদান প্রাপ্ত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র, ‘দ্যা লক্ষণ দাস সার্কাস’ দিল্লির সুপ্রতিষ্ঠিত চলচ্চিত্র উৎসব 14th Dada Saheb Phalke Film Festival 2024 এ নির্বাচিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিচালক ঝুমুর আসমা জুঁই উৎসবে অংশ গ্রহণ করার জন্য দিল্লি যাচ্ছেন।
বিলুপ্তপ্রায় সার্কাস শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে ‘দ্যা লক্ষণ দাস সার্কাস’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়।
বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা কতোটা দুঃসাহসিকতার সঙ্গে সার্কাসে অংশগ্রহণ করে তা দেশ বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা এই চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য। এর সঙ্গে জড়িত শিল্পীরা খেলা দেখানোর পর দর্শকের হাসি মুখ দেখে স্বর্গীয় প্রশান্তি লাভ করে।
১৯৪৭ সালের দিকে শ্রী লক্ষণ দাস একটি সার্কাসের দল গঠন করেন, যার নাম রাখা হয় ‘দি রয়েল পাকিস্তান সার্কাস’। বনের রাজা যেমন রয়েল বেঙ্গল টাইগার তেমনি সার্কাসের রাজা লক্ষণ দাস। তিনি যখন খেলা দেখাতেন দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসতো দেখার জন্য।
১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মুক্তি সংগ্রাম। লক্ষণ দাস তখন বিভিন্ন ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য ও সহযোগিতা করতেন। শ্রী লক্ষণ দাস প্রান হারালেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে। লক্ষণ দাসের আদরের হাতিটাকেও পাঁচটা গুলি করা হলো। সমাপ্ত হল এক মহান সার্কাস শিল্পীর জীবন।
স্বাধীনতার পর তার দুই ছেলে শ্রী অরুন দাস ও শ্রী বীরেন দাস আবার দল গঠন করলো নাম দেয়া হলো 'দ্যা রয়েল বেঙ্গল সার্কাস' ও 'দ্যা লক্ষণ দাস সার্কাস'। বিগত ৬০ বছর ধরে কোন প্রাপ্তির আশা না করে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সার্কাস এর মাধ্যমে সুস্থ বিনোদন দিয়ে আসছেন দুই ছেলে। সার্জাসের ছেলে মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে কঠিন সংগ্রাম। এই দলের আছে তিনটা নৌকা একটা সময় এখানে ৭০ থেকে ৮০ জন শিল্পী সব সময় অবস্থান করতো। দলটি নৌকায় থাকে। বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে সার্কাস প্রদর্শন করতো। কিন্তু বর্তমানে সার্কাসের কোন শো তেমন নেই বললেই চলে।
অরুন দাস বলেন, সমস্যা হচ্ছে সার্কাসের জন্য পার্মিশন পাওয়া। আর এতো বড় আয়োজন পার্মিশন ছাড়া করা সম্ভব না। অরুন দাস অনেক অনেক বছর থেকেই অবহেলিত বাচ্চাদের দত্তক নেন। এদেরকে লালনপালন করে, সার্কার খেলা শেখায় এবং বিয়ের ব্যবস্থাও করে। সার্কাস বন্ধ হয়ে গেলে ওদের ভাগ্যে কি জুটবে তা নাইবা বললাম। শুধু তৃষা আর পূজা না পরমা,রুনার মতো অনেকেই এই দলে স্থান পেয়েছে। সার্কাসের কণ্ঠশিল্পী রেশমার সাথে গলা মিলিয়ে বলতে না হয়, একদিন সার্কাস চলে যাবে। শুধু স্মৃতি রয়ে যাবে।
আমাদের এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে সার্কাস শিল্পীদের জীবনের কঠিন বাস্তব তুলে ধরা হয়েছে। সামান্য প্রাপ্তি আর নির্মম বাস্তবতা। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। তারপর শো শেষে বিশ্বজয় করা অনাবিল প্রশান্তি। একজন সত্যিকারের শিল্পীর পক্ষেই সম্ভব নিজেকে বিলিয়ে অন্যকে আনন্দ দেয়া। সার্কাস শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে আজীবন সংগ্রাম করে যাওয়া মানুষ গুলোর পাশে থাকাই এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির মূল উদ্দেশ্য। বিলুপ্ত প্রায় এই শিল্পটিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঁচিয়ে রাখা খুব জরুরি। এই শিল্পকে সংরক্ষণ করতে দা লক্ষণ দাস সার্কাস এর মতো আরো বেশি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
সার্কাসের শুরুটা কবে তার ঠিক দিন-তারিখ নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। তবে আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই যে রোমে সার্কাসের ধারা প্রচলিত ছিল। পরে লন্ডনে ফিলিক্স এ্যাসলে নামে এক ভদ্রলোক সার্কাসের প্রবর্তন করেন।

বাংলাদেশ সরকারের অনুদান প্রাপ্ত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র, ‘দ্যা লক্ষণ দাস সার্কাস’ দিল্লির সুপ্রতিষ্ঠিত চলচ্চিত্র উৎসব 14th Dada Saheb Phalke Film Festival 2024 এ নির্বাচিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিচালক ঝুমুর আসমা জুঁই উৎসবে অংশ গ্রহণ করার জন্য দিল্লি যাচ্ছেন।
বিলুপ্তপ্রায় সার্কাস শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে ‘দ্যা লক্ষণ দাস সার্কাস’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়।
বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা কতোটা দুঃসাহসিকতার সঙ্গে সার্কাসে অংশগ্রহণ করে তা দেশ বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা এই চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য। এর সঙ্গে জড়িত শিল্পীরা খেলা দেখানোর পর দর্শকের হাসি মুখ দেখে স্বর্গীয় প্রশান্তি লাভ করে।
১৯৪৭ সালের দিকে শ্রী লক্ষণ দাস একটি সার্কাসের দল গঠন করেন, যার নাম রাখা হয় ‘দি রয়েল পাকিস্তান সার্কাস’। বনের রাজা যেমন রয়েল বেঙ্গল টাইগার তেমনি সার্কাসের রাজা লক্ষণ দাস। তিনি যখন খেলা দেখাতেন দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসতো দেখার জন্য।
১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মুক্তি সংগ্রাম। লক্ষণ দাস তখন বিভিন্ন ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য ও সহযোগিতা করতেন। শ্রী লক্ষণ দাস প্রান হারালেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে। লক্ষণ দাসের আদরের হাতিটাকেও পাঁচটা গুলি করা হলো। সমাপ্ত হল এক মহান সার্কাস শিল্পীর জীবন।
স্বাধীনতার পর তার দুই ছেলে শ্রী অরুন দাস ও শ্রী বীরেন দাস আবার দল গঠন করলো নাম দেয়া হলো 'দ্যা রয়েল বেঙ্গল সার্কাস' ও 'দ্যা লক্ষণ দাস সার্কাস'। বিগত ৬০ বছর ধরে কোন প্রাপ্তির আশা না করে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সার্কাস এর মাধ্যমে সুস্থ বিনোদন দিয়ে আসছেন দুই ছেলে। সার্জাসের ছেলে মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে কঠিন সংগ্রাম। এই দলের আছে তিনটা নৌকা একটা সময় এখানে ৭০ থেকে ৮০ জন শিল্পী সব সময় অবস্থান করতো। দলটি নৌকায় থাকে। বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে সার্কাস প্রদর্শন করতো। কিন্তু বর্তমানে সার্কাসের কোন শো তেমন নেই বললেই চলে।
অরুন দাস বলেন, সমস্যা হচ্ছে সার্কাসের জন্য পার্মিশন পাওয়া। আর এতো বড় আয়োজন পার্মিশন ছাড়া করা সম্ভব না। অরুন দাস অনেক অনেক বছর থেকেই অবহেলিত বাচ্চাদের দত্তক নেন। এদেরকে লালনপালন করে, সার্কার খেলা শেখায় এবং বিয়ের ব্যবস্থাও করে। সার্কাস বন্ধ হয়ে গেলে ওদের ভাগ্যে কি জুটবে তা নাইবা বললাম। শুধু তৃষা আর পূজা না পরমা,রুনার মতো অনেকেই এই দলে স্থান পেয়েছে। সার্কাসের কণ্ঠশিল্পী রেশমার সাথে গলা মিলিয়ে বলতে না হয়, একদিন সার্কাস চলে যাবে। শুধু স্মৃতি রয়ে যাবে।
আমাদের এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে সার্কাস শিল্পীদের জীবনের কঠিন বাস্তব তুলে ধরা হয়েছে। সামান্য প্রাপ্তি আর নির্মম বাস্তবতা। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। তারপর শো শেষে বিশ্বজয় করা অনাবিল প্রশান্তি। একজন সত্যিকারের শিল্পীর পক্ষেই সম্ভব নিজেকে বিলিয়ে অন্যকে আনন্দ দেয়া। সার্কাস শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে আজীবন সংগ্রাম করে যাওয়া মানুষ গুলোর পাশে থাকাই এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির মূল উদ্দেশ্য। বিলুপ্ত প্রায় এই শিল্পটিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঁচিয়ে রাখা খুব জরুরি। এই শিল্পকে সংরক্ষণ করতে দা লক্ষণ দাস সার্কাস এর মতো আরো বেশি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
সার্কাসের শুরুটা কবে তার ঠিক দিন-তারিখ নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। তবে আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই যে রোমে সার্কাসের ধারা প্রচলিত ছিল। পরে লন্ডনে ফিলিক্স এ্যাসলে নামে এক ভদ্রলোক সার্কাসের প্রবর্তন করেন।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, দুবাই থেকে ঢাকাগামী একটি ফ্লাইট বৈরি আবহাওয়ার কারণে গন্তব্য পরিবর্তন করে সিলেটের দিকে চলে যায়। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ওই ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। অন্যদিকে, চীনের গুয়াংজু থেকে আসা চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ
৩ ঘণ্টা আগে
রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
৩ ঘণ্টা আগে
পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
৩ ঘণ্টা আগে