
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি, অপপ্রচার ও আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া শিক্ষকদের চিহ্নিত করার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে এবং শাস্তির আওতায় আনতে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বিদ্যালয়-১) রাজীব কুমার সরকারের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়। সব জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ আদেশ দেওয়া হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক পোস্ট করছেন। তারা সরকার, সরকারি দপ্তর ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার ও আপত্তিকর পোস্ট করছেন কিংবা সেসব পোস্ট শেয়ার করছেন। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, “সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ সব সরকারি কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য। এ নির্দেশিকা অমান্য করা সরকারি চাকরি বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের পর্যায়ের অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।”
আদেশে বলা হয়েছে, এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কটূক্তি, অপপ্রচার কিংবা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন— এমন শিক্ষকদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলো।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি, অপপ্রচার ও আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া শিক্ষকদের চিহ্নিত করার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে এবং শাস্তির আওতায় আনতে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বিদ্যালয়-১) রাজীব কুমার সরকারের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়। সব জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ আদেশ দেওয়া হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক পোস্ট করছেন। তারা সরকার, সরকারি দপ্তর ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার ও আপত্তিকর পোস্ট করছেন কিংবা সেসব পোস্ট শেয়ার করছেন। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, “সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ সব সরকারি কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য। এ নির্দেশিকা অমান্য করা সরকারি চাকরি বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের পর্যায়ের অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।”
আদেশে বলা হয়েছে, এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কটূক্তি, অপপ্রচার কিংবা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন— এমন শিক্ষকদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলো।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৫ ঘণ্টা আগে