
রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ আশঙ্কাজনকভাবে কম। প্রার্থিতা ঘোষণার আগেই ছাত্রীরা অভিযোগ তুলেছিলেন— সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রুপ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ভুয়া আইডি দিয়ে অপমান আর চরিত্র হননের কারণে তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে ৩০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের অ্যান্টি সাইবার বুলিং সেল গঠন করে। কিন্তু এতেও অনলাইন হয়রানি থামেনি। বিশেষ করে নারী প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন শুধু কমিটি গঠন করে দায় সেরেছে, কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
রাকসু ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে ৩০৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন পদে ছাত্র ২৭২ ও ছাত্রী ৩৪ জন। মোট প্রার্থীর ১১ দশমিক ১১ শতাংশ নারী। কেন্দ্রীয় সংসদের ২০ পদের মধ্যে ১১ পদে কোনো ছাত্রী প্রার্থী হননি। অথচ এ নির্বাচনে ৩৯ দশমিক ১১ শতাংশ ভোটারই ছাত্রী।
নারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সম্মানহানির ভয়ে অনেকেই প্রার্থী হতে আগ্রহ হারিয়েছেন।
প্রার্থীরা জানান, নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টে নিয়মিত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য আসছে। ব্যক্তিগত আইডি, ইনবক্স, এমনকি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিডিওতেও চলছে বাজে মন্তব্যের বন্যা।
ছাত্রদল মনোনীত এজিএস প্রার্থী জাহিন বিশ্বাস এষা বলেন, “আমি নিয়মিত বুলিংয়ের শিকার হচ্ছি। প্রশাসন নামমাত্র একটি সেল গঠন করেছে, কিন্তু কোনো দৃশ্যমান কাজ নেই। নীতিমালা থাকলে বুলিং কমানো সম্ভব হতো।”
ক্রীড়া সম্পাদক পদপ্রার্থী জাতীয় দলের খেলোয়াড় নার্গিস খাতুন বলেন, “কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলেও আমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও প্রতিকার পাইনি।”
রাকসুর ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান জানান, “প্রার্থিতা ঘোষণার পর আমার ছবি ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে মানুষের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে। প্রশাসন শুধু কমিটি করেছে, কাজ করেনি। সেল ব্যর্থ।”
শুধু নারী নয়, পুরুষ প্রার্থীরাও কম-বেশি শিকার হচ্ছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী সাইদ হাসান ইবনে রুহুল বলেন, “আমি কিছু পোস্ট করলেই হাজারো হা হা রিয়েক্ট আর বাজে মন্তব্য আসে। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছি।”
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম যুক্ত অসংখ্য ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ রয়েছে। এসবের অ্যাডমিন–মডারেটরের সঙ্গে প্রশাসন নিয়মিত যোগাযোগ রাখলে বুলিং অনেকাংশে কমে যেত।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ আজাদ সিয়াম বলেন, “সামাজিক মাধ্যমে বাজে মন্তব্য দেখে হতাশ লাগে। সামান্য বিষয়ে চরিত্র হনন হয়। গ্রুপ–পেজ মনিটর করা গেলে হয়রানি কমানো সম্ভব।”
অ্যান্টি সাইবার বুলিং সেলের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, “সাইবার বুলিং শতভাগ কমানো সম্ভব নয়। তবে আমরা গ্রুপ ও পেজ অ্যাডমিনদের সঙ্গে কথা বলেছি। কয়েক দিনে তুলনামূলক বুলিং কমেছে। আমরা নীতিমালা তৈরির কাজ করছি।”
তিনি আরও জানান, রাকসু নির্বাচনের পরও স্থায়ী সাইবার প্রতিরোধ সেল চালু থাকবে। সেখানে জনপ্রিয় গ্রুপের অ্যাডমিন, মডারেটর, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা অন্তর্ভুক্ত হবেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ আশঙ্কাজনকভাবে কম। প্রার্থিতা ঘোষণার আগেই ছাত্রীরা অভিযোগ তুলেছিলেন— সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রুপ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ভুয়া আইডি দিয়ে অপমান আর চরিত্র হননের কারণে তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে ৩০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের অ্যান্টি সাইবার বুলিং সেল গঠন করে। কিন্তু এতেও অনলাইন হয়রানি থামেনি। বিশেষ করে নারী প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন শুধু কমিটি গঠন করে দায় সেরেছে, কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
রাকসু ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে ৩০৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন পদে ছাত্র ২৭২ ও ছাত্রী ৩৪ জন। মোট প্রার্থীর ১১ দশমিক ১১ শতাংশ নারী। কেন্দ্রীয় সংসদের ২০ পদের মধ্যে ১১ পদে কোনো ছাত্রী প্রার্থী হননি। অথচ এ নির্বাচনে ৩৯ দশমিক ১১ শতাংশ ভোটারই ছাত্রী।
নারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সম্মানহানির ভয়ে অনেকেই প্রার্থী হতে আগ্রহ হারিয়েছেন।
প্রার্থীরা জানান, নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টে নিয়মিত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য আসছে। ব্যক্তিগত আইডি, ইনবক্স, এমনকি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিডিওতেও চলছে বাজে মন্তব্যের বন্যা।
ছাত্রদল মনোনীত এজিএস প্রার্থী জাহিন বিশ্বাস এষা বলেন, “আমি নিয়মিত বুলিংয়ের শিকার হচ্ছি। প্রশাসন নামমাত্র একটি সেল গঠন করেছে, কিন্তু কোনো দৃশ্যমান কাজ নেই। নীতিমালা থাকলে বুলিং কমানো সম্ভব হতো।”
ক্রীড়া সম্পাদক পদপ্রার্থী জাতীয় দলের খেলোয়াড় নার্গিস খাতুন বলেন, “কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলেও আমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও প্রতিকার পাইনি।”
রাকসুর ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান জানান, “প্রার্থিতা ঘোষণার পর আমার ছবি ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে মানুষের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে। প্রশাসন শুধু কমিটি করেছে, কাজ করেনি। সেল ব্যর্থ।”
শুধু নারী নয়, পুরুষ প্রার্থীরাও কম-বেশি শিকার হচ্ছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদপ্রার্থী সাইদ হাসান ইবনে রুহুল বলেন, “আমি কিছু পোস্ট করলেই হাজারো হা হা রিয়েক্ট আর বাজে মন্তব্য আসে। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছি।”
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম যুক্ত অসংখ্য ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ রয়েছে। এসবের অ্যাডমিন–মডারেটরের সঙ্গে প্রশাসন নিয়মিত যোগাযোগ রাখলে বুলিং অনেকাংশে কমে যেত।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ আজাদ সিয়াম বলেন, “সামাজিক মাধ্যমে বাজে মন্তব্য দেখে হতাশ লাগে। সামান্য বিষয়ে চরিত্র হনন হয়। গ্রুপ–পেজ মনিটর করা গেলে হয়রানি কমানো সম্ভব।”
অ্যান্টি সাইবার বুলিং সেলের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, “সাইবার বুলিং শতভাগ কমানো সম্ভব নয়। তবে আমরা গ্রুপ ও পেজ অ্যাডমিনদের সঙ্গে কথা বলেছি। কয়েক দিনে তুলনামূলক বুলিং কমেছে। আমরা নীতিমালা তৈরির কাজ করছি।”
তিনি আরও জানান, রাকসু নির্বাচনের পরও স্থায়ী সাইবার প্রতিরোধ সেল চালু থাকবে। সেখানে জনপ্রিয় গ্রুপের অ্যাডমিন, মডারেটর, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা অন্তর্ভুক্ত হবেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার পবিত্র মামলার প্রধান আসামি, অপর আসামি তার স্ত্রী শারমিন জামান এখনো পলাতক রয়েছেন। তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে সদ্য নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ মন্তব্য করেন অধ্যাপক ইউনূস।
৬ ঘণ্টা আগে
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আর সবচেয়ে কম প্রার্থী রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে, মাত্র ২ জন।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রশ্নের উত্তরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশে আমি সব বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখব, সেটা অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকার হোক। এখানে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকি
৮ ঘণ্টা আগে