
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকায় ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অনুমতি ও ছাড়পত্র পরীক্ষা করে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত ভবনটির সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান ওই এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দারা।
বেইলি রোডের বাসিন্দা নারী অধিকার আন্দোলনের প্রবীণ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশিদা কুদ্দুস রানুর সভাপতিত্বে ও মঞ্জুর মঈনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা ক্বাফী রতন, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা সুলতানা স্বাতী।
এ ছাড়া স্থানীয়দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উদীচীর জাতীয় পরিষদ সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ মিল্টন, শ্রমিকনেতা হযরত আলী, বেইলি রোড বাসিন্দা রঞ্জনা দেবী সফটওয়্যার প্রকৌশলী কল্লোল বণিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কাজী বোরহান ও জাহিদ নগর প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের মতো ঝুকিপূর্ণ প্রচুর ভবন রয়েছে এর আশেপাশে ও সারা ঢাকা শহরজুড়ে। এই ভবনগুলো নজরাদারিতে আনা, সংশ্লিষ্ট ভবনগুলোর সকল অনুমতি বা ছাড়পত্র পরীক্ষা ও জনসাধারণের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা বিধান করার দায়িত্ব সরকারের।
তারা বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এত বড় বিপর্যয় সংঘঠিত হয়েছে। এটি একটি কাঠামোগত ও অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড।
বক্তারা আরও বলেন, বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একজন ভিকটিম নারী সাংবাদিককে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক তোলপাড় করা হচ্ছে। অথচ ভবনটির মালিক পক্ষ কারা এখন অব্দি সেটা প্রকাশ করার এবং তাদের আইনের আওতায় আনার কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।
বক্তারা বলেন, কোনো একটি ঘটনা ঘটার পরে সবাই মিলে কয়েক দিনের জন্য সোচ্চার হওয়া ও কিছু তৎপরতা চলে। আজ পর্যন্ত নিমতলী, চুরিহাট্টাসহ কোনো ঘটনারই বিচার অদ্যবধি হয়নি। ফলে এ ধরনের মৃত্যুকূপের পুনরাবৃত্তি ঘটে চলেছে।
বক্তারা বলেন, সারা বছর কাজ না করা রাজউক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সরকারি সংস্থাগুলো এখন অতি তৎপরতা শুরু করেছে। তারা পাঁচ বছরের নিষ্ক্রিয়তা এক সপ্তাহে ঢাকতে চাচ্ছে। যার ফলে ছোটখাট ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে।
বক্তারা দাবি জানান, বাণিজ্যিক ও রেস্তোরাঁ ভবনগুলোর বিদ্যমান অনিরাপদ অবস্থাকে শুধরে নিতে অন্তত ছয়মাস মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এত মানুষের জীবনের বিনিময়ে শহরের ভবিষ্যত প্রজন্ম নিরাপদ জীবন লাভ করুক এটাই সবার চাওয়া। এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা যেন কতিপয়ের উপরি রোজগারের উপলক্ষ্য না হয়।
বক্তারা অবিলম্বে সকল ভবন তদারকি করার দাবি জানান।
তারা বলেন, এখনই দেখতে হব এসব ভবন সকল নিয়মকানুন অনুসরণ করা হয়েছে কিনা। নাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং যারা ঘুষ খেয়ে দায়িত্বে অবহেলা করেছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
বক্তারা বলেন, আমরা আর একটিও নিমতলী, সিদ্দীকবাজার, চুরিহাট্টা, সেজান জুস, তাজরীন কারখানা কিংবা বেইলি রোডের ঘটনা দেখতে চাই না। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা দিতে হবে।

রাজধানী ঢাকায় ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যিক ভবনগুলোর অনুমতি ও ছাড়পত্র পরীক্ষা করে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত ভবনটির সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান ওই এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দারা।
বেইলি রোডের বাসিন্দা নারী অধিকার আন্দোলনের প্রবীণ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশিদা কুদ্দুস রানুর সভাপতিত্বে ও মঞ্জুর মঈনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা ক্বাফী রতন, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা সুলতানা স্বাতী।
এ ছাড়া স্থানীয়দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উদীচীর জাতীয় পরিষদ সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ মিল্টন, শ্রমিকনেতা হযরত আলী, বেইলি রোড বাসিন্দা রঞ্জনা দেবী সফটওয়্যার প্রকৌশলী কল্লোল বণিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কাজী বোরহান ও জাহিদ নগর প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের মতো ঝুকিপূর্ণ প্রচুর ভবন রয়েছে এর আশেপাশে ও সারা ঢাকা শহরজুড়ে। এই ভবনগুলো নজরাদারিতে আনা, সংশ্লিষ্ট ভবনগুলোর সকল অনুমতি বা ছাড়পত্র পরীক্ষা ও জনসাধারণের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা বিধান করার দায়িত্ব সরকারের।
তারা বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এত বড় বিপর্যয় সংঘঠিত হয়েছে। এটি একটি কাঠামোগত ও অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড।
বক্তারা আরও বলেন, বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একজন ভিকটিম নারী সাংবাদিককে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক তোলপাড় করা হচ্ছে। অথচ ভবনটির মালিক পক্ষ কারা এখন অব্দি সেটা প্রকাশ করার এবং তাদের আইনের আওতায় আনার কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।
বক্তারা বলেন, কোনো একটি ঘটনা ঘটার পরে সবাই মিলে কয়েক দিনের জন্য সোচ্চার হওয়া ও কিছু তৎপরতা চলে। আজ পর্যন্ত নিমতলী, চুরিহাট্টাসহ কোনো ঘটনারই বিচার অদ্যবধি হয়নি। ফলে এ ধরনের মৃত্যুকূপের পুনরাবৃত্তি ঘটে চলেছে।
বক্তারা বলেন, সারা বছর কাজ না করা রাজউক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সরকারি সংস্থাগুলো এখন অতি তৎপরতা শুরু করেছে। তারা পাঁচ বছরের নিষ্ক্রিয়তা এক সপ্তাহে ঢাকতে চাচ্ছে। যার ফলে ছোটখাট ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে।
বক্তারা দাবি জানান, বাণিজ্যিক ও রেস্তোরাঁ ভবনগুলোর বিদ্যমান অনিরাপদ অবস্থাকে শুধরে নিতে অন্তত ছয়মাস মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এত মানুষের জীবনের বিনিময়ে শহরের ভবিষ্যত প্রজন্ম নিরাপদ জীবন লাভ করুক এটাই সবার চাওয়া। এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা যেন কতিপয়ের উপরি রোজগারের উপলক্ষ্য না হয়।
বক্তারা অবিলম্বে সকল ভবন তদারকি করার দাবি জানান।
তারা বলেন, এখনই দেখতে হব এসব ভবন সকল নিয়মকানুন অনুসরণ করা হয়েছে কিনা। নাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং যারা ঘুষ খেয়ে দায়িত্বে অবহেলা করেছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
বক্তারা বলেন, আমরা আর একটিও নিমতলী, সিদ্দীকবাজার, চুরিহাট্টা, সেজান জুস, তাজরীন কারখানা কিংবা বেইলি রোডের ঘটনা দেখতে চাই না। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা দিতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
৭ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কভিত্তিক ক্রীড়া ব্র্যান্ড ‘ক্যাপেলি স্পোর্টসে’র জন্য ঢাকার তুরাগে অবস্থিত ‘গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলিং লিমিটেড’ (জিএমএ) কেপ ভার্দে জাতীয় ফুটবল দলের অফিশিয়াল ম্যাচ জার্সি তৈরি করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ আরও শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের আট বিভাগেই আজ শুক্রবার বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রপাতেরও আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
৯ ঘণ্টা আগে