
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

‘আজকে মনে হলো বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়েছে, আমরা ন্যায্য বিচার পেয়েছি’ বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সব অভিযুক্ত খালাস পেয়েছেন। আপিল বিভাগে হাইকোর্ট ও বিচারিক আদালতের রায় বাতিল হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন এসব কথা বলেন।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জয়নুল আবেদীন এ মন্তব্য করেন।
জয়নুল আবেদীন বলেন, আজকে মনে হলো বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়েছে, আমরা ন্যায্য বিচার পেয়েছি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর আদালত আজ বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে মুক্ত করে দিলেন, আমরা সবাই খুশি।
রায় ঘোষণার পর তার বক্তব্যের শুরুতে তিনি সাংবাদিকদের সালাম দেন এবং বলেন, আজকের সকাল বেলার সূর্যের আলোটা আমাদের সবাইকে আলোকিত করেছে। এই সূর্যের আলোর জন্য আমরা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছিলাম।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন, বাংলাদেশের গণমানুষের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল। আল্লাহর রহমতে ফ্যাসিস্টরা শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের মুখে পালিয়ে গেছে। পালানোর কারণ হলো, তারা দেশটাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল।
তিনি আরও বলেন, “আজকের রায়ে আপনারা জানেন যে, সাজা দেয়ার কোনো সারমর্ম ছিল না, উপাদান ছিল না। যে মামলায় আদালতে খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে একটি অন্ধকার কূপে ফেলে দেয়া হয়েছিল, পরে তাকে স্ট্রেচারে করে পিজি হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এর মানে হলো, সরকার তাকে অসুস্থ করে, দমন-পীড়ন চালিয়ে পিজি হাসপাতালে আনতে চেয়েছিল।
জয়নুল আবেদীন আরও বলেন, এ মামলার মধ্যে কিছুই ছিল না। হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে ১০ বছরের সাজা বাতিল করা অত্যন্ত দুঃখজনক। তখন বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা ছিল না, ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে চাইত, সেভাবেই রায় হতো। কিন্তু আজকে মনে হলো, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।
এদিকে আপিল বিভাগের রায়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আলহামদুলিল্লাহ।

‘আজকে মনে হলো বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়েছে, আমরা ন্যায্য বিচার পেয়েছি’ বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ সব অভিযুক্ত খালাস পেয়েছেন। আপিল বিভাগে হাইকোর্ট ও বিচারিক আদালতের রায় বাতিল হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন এসব কথা বলেন।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জয়নুল আবেদীন এ মন্তব্য করেন।
জয়নুল আবেদীন বলেন, আজকে মনে হলো বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়েছে, আমরা ন্যায্য বিচার পেয়েছি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর আদালত আজ বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে মুক্ত করে দিলেন, আমরা সবাই খুশি।
রায় ঘোষণার পর তার বক্তব্যের শুরুতে তিনি সাংবাদিকদের সালাম দেন এবং বলেন, আজকের সকাল বেলার সূর্যের আলোটা আমাদের সবাইকে আলোকিত করেছে। এই সূর্যের আলোর জন্য আমরা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছিলাম।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন, বাংলাদেশের গণমানুষের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল। আল্লাহর রহমতে ফ্যাসিস্টরা শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের মুখে পালিয়ে গেছে। পালানোর কারণ হলো, তারা দেশটাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল।
তিনি আরও বলেন, “আজকের রায়ে আপনারা জানেন যে, সাজা দেয়ার কোনো সারমর্ম ছিল না, উপাদান ছিল না। যে মামলায় আদালতে খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে একটি অন্ধকার কূপে ফেলে দেয়া হয়েছিল, পরে তাকে স্ট্রেচারে করে পিজি হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এর মানে হলো, সরকার তাকে অসুস্থ করে, দমন-পীড়ন চালিয়ে পিজি হাসপাতালে আনতে চেয়েছিল।
জয়নুল আবেদীন আরও বলেন, এ মামলার মধ্যে কিছুই ছিল না। হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে ১০ বছরের সাজা বাতিল করা অত্যন্ত দুঃখজনক। তখন বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা ছিল না, ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে চাইত, সেভাবেই রায় হতো। কিন্তু আজকে মনে হলো, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করেছে।
এদিকে আপিল বিভাগের রায়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আলহামদুলিল্লাহ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে আমলে নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
১ ঘণ্টা আগে
এমআরটি লাইন-১-এর জন্য ডিএমটিসিএল সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব করেছিল এক লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫-এর জন্য ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। যাচাই-বাছাই শেষে প্রস্তাবিত ব্যয় থেকে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমিয়ে দুই প্রকল্পের সম্মিলিত নতুন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
১ ঘণ্টা আগে
দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়ামের নিয়োগে ভারতের সম্মতি দেওয়া নিয়ে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে দুই দেশের সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করতে বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সরকারি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা বক্তব্য না আসা পর্যন্ত এ ধরনের খবর আমলে না নেওয়ারও
২ ঘণ্টা আগে
মেধাবী শিক্ষার্থীদের এআই প্রশিক্ষিত করতে না পারলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরা মেধায় কোনো অংশে কম নয়। তাই নিজের ভবিষ্যৎ নিজেদেরই গড়ে তুলতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের জন্য প্রস্তুত করতে হবে
২ ঘণ্টা আগে