ছাত্রদল সভাপতির পাশে দাঁড়ালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সম্প্রতি ছাত্রদল সভাপতির একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল বক্তব্যটি ‘অফ রেকর্ড’ বলে দাবি করা হয়েছে। ‘অফ রেকর্ড’ এসব কথা ভাইরাল করায় শুরু হয়েছে সমালোচনা।

এবার ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের পাশে দাঁড়ালেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সোমবার সন্ধ্যায় এক স্ট্যাটাসে ছাত্রদল সভাপতির সঙ্গে যা করা হয়েছে, তা সাংবাদিকতার নৈতিকতার বাইরে বলে মন্তব্য করেছেন।

ওই স্ট্যাটাসে হাসনাত লিখেছেন, রেকর্ডিং অনুষ্ঠানের অফ রেকর্ড কথাবার্তা প্রচার করা সাংবাদিকতার নীতিবিরুদ্ধ। ছাত্রদল সভাপতির সঙ্গে যা করা হয়েছে, তা সাংবাদিকতার নৈতিকতার বাইরে।

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে আরো বলেন, ক্লিকবেইট এবং হেনস্তার সাংবাদিকতা থেকে বেরিয়ে এসে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা অব্যাহত থাকুক।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

ছিনতাইকারীর টানে শিক্ষিকার মৃত্যু: ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ‘আসল’ ২ জন

গত ৩০ আগস্ট একই ঘটনায় র‍্যাব-২ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে তাদের এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে দ্বিতীয় পর্যায়ের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নতুন করে ওই দুজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে উলামায়ে কেরামদের বৈঠক, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন পর্যালোচনার দাবি

উলামায়ে কেরাম বিলটির উদ্দেশ্য হিসেবে ‘পিতা-মাতা, প্রবীণ ব্যক্তি ও দাতার জীবদ্দশার ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার সুরক্ষা’কে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তবে মুসলিম নাগরিকদের সম্পত্তি হস্তান্তর, হেবা, ওসিয়ত ও মিরাস কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক বিধানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় নতুন ব্যবস্থায় সম্ভাব্য শরয়ি জটিলতা নিয়ে তা

১৬ ঘণ্টা আগে

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, ‘আমলে নিচ্ছেন না’ চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে আমলে নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

১৬ ঘণ্টা আগে

মেট্রোরেলের দুই লাইনে ব্যয় বাড়ল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা

এমআরটি লাইন-১-এর জন্য ডিএমটিসিএল সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব করেছিল এক লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫-এর জন্য ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। যাচাই-বাছাই শেষে প্রস্তাবিত ব্যয় থেকে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমিয়ে দুই প্রকল্পের সম্মিলিত নতুন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

১৬ ঘণ্টা আগে
Advertisement