
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেন এই দুই আসামি।
রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআই এ তথ্য জানায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাদের সঙ্গে থাকা আলমগীর হোসেন স্বীকার করেছেন— তারা শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন এবং তারপর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছেন।
এএনআই জানায়, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবস্থানের জন্য বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামের দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে। এই দুই বাংলাদেশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা শরিফ ওসমান হাদি হত্যায় জড়িত।
এর আগে এএনআই তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি শেয়ার করে।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানায়, তাদের কাছে গোপন বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ছিল— দুই বাংলাদেশি নাগরিক চাঁদাবাজি এবং হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করে তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অপরাধীরা বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টার সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ আরও জানায়, ফয়সাল করিম এবং আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। তারপর সেখান থেকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে যায়, সবশেষ পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁওয়ে আসে। এখান থেকে তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে পশ্চিমবঙ্গ থানা পুলিশ। দুই অপরাধীকে পুলিশ কাস্টডিতে পাঠানো হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।
গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় প্রচারে যাওয়া ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন। রিকশায় থাকা হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।
তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর তাকে নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে মারা যান শরিফ ওসমান হাদি।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেন এই দুই আসামি।
রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআই এ তথ্য জানায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাদের সঙ্গে থাকা আলমগীর হোসেন স্বীকার করেছেন— তারা শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন এবং তারপর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছেন।
এএনআই জানায়, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবস্থানের জন্য বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামের দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে। এই দুই বাংলাদেশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা শরিফ ওসমান হাদি হত্যায় জড়িত।
এর আগে এএনআই তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি শেয়ার করে।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানায়, তাদের কাছে গোপন বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ছিল— দুই বাংলাদেশি নাগরিক চাঁদাবাজি এবং হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করে তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অপরাধীরা বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টার সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ আরও জানায়, ফয়সাল করিম এবং আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। তারপর সেখান থেকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে যায়, সবশেষ পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁওয়ে আসে। এখান থেকে তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে পশ্চিমবঙ্গ থানা পুলিশ। দুই অপরাধীকে পুলিশ কাস্টডিতে পাঠানো হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।
গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় প্রচারে যাওয়া ওসমান হাদিকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন। রিকশায় থাকা হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।
তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর তাকে নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে মারা যান শরিফ ওসমান হাদি।

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তিনি দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসের উদ্দেশে জাদুঘর ত্যাগ করেন। এ সময় জাদুঘরের কিউরেটর তাকে বিদায় জানান।
২ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই হোসেনি দালান প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন শিয়া সম্প্রদায়ের হাজারো নারী, পুরুষ ও শিশু। কালো পোশাকে অংশগ্রহণকারীরা কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে মাতম করেন। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হতে থাকে শোকগাথা ও ধর্মীয় স্লোগান।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ।’
৪ ঘণ্টা আগে
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে চীনের বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
৫ ঘণ্টা আগে