
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্ত টিভির সংবাদ বিভাগ বন্ধের ব্যাপারে সরকার কোনো নির্দেশনা দেয়নি বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
তিনি বলেছেন, ‘এক সাংবাদিক গণহত্যার পক্ষ নিয়ে প্রশ্ন করার প্রেক্ষিতে দীপ্ত টিভির সংবাদ বিভাগ তারা নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার এখানে কিছু বলেনি, কাউকে কলও দেওয়া হয়নি।’
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফ্যাসিবাদের ১৫ বছরে গণমাধ্যমের বাস্তবতা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
মাহফুজ আলম বলেন, ‘মন্ত্রিত্বের ৬ মাসে কাউকে আমরা কল দিইনি। দীপ্ত টিভির সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং সংবাদ বিভাগ বন্ধ করা হয়েছে। এখন মানুষ ভাববে, এটা সরকার করেছে।’
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, ‘আমি গত বছরের জানুয়ারিতে একটি টিভি চ্যানেলে চাকরির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে ১৩ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই টাকায় ঢাকা শহরে একজন মানুষ চলবে কিভাবে, পরিবারকে কী দেবে।’
মতবিনিময়সভায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও একাডেমিক ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দীপ্ত টিভির সংবাদ বিভাগ বন্ধের ব্যাপারে সরকার কোনো নির্দেশনা দেয়নি বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
তিনি বলেছেন, ‘এক সাংবাদিক গণহত্যার পক্ষ নিয়ে প্রশ্ন করার প্রেক্ষিতে দীপ্ত টিভির সংবাদ বিভাগ তারা নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার এখানে কিছু বলেনি, কাউকে কলও দেওয়া হয়নি।’
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফ্যাসিবাদের ১৫ বছরে গণমাধ্যমের বাস্তবতা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
মাহফুজ আলম বলেন, ‘মন্ত্রিত্বের ৬ মাসে কাউকে আমরা কল দিইনি। দীপ্ত টিভির সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং সংবাদ বিভাগ বন্ধ করা হয়েছে। এখন মানুষ ভাববে, এটা সরকার করেছে।’
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, ‘আমি গত বছরের জানুয়ারিতে একটি টিভি চ্যানেলে চাকরির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে ১৩ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই টাকায় ঢাকা শহরে একজন মানুষ চলবে কিভাবে, পরিবারকে কী দেবে।’
মতবিনিময়সভায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও একাডেমিক ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। এ ছাড়া নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত স্পিকারকেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বও পালন করতে হয়। ফলে স্পিকারের তড়িঘড়ি করে দেশে ফেরার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং পরে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে ফল প্রকাশের তথ্য নিশ্চিত করেন পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান।
১৮ ঘণ্টা আগে