
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন নেভাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শহীদ তিন ফায়ার ফাইটারের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর।
এই মানবিক সহায়তার জন্য এবিজি চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।
এছাড়াও, শহীদ ফায়ার ফাইটারদের পরিবারের পক্ষ থেকে মো. নুরুল হুদার বাবা মো. আবুল মনসুর, শহীদ শামীম আহমেদের স্ত্রী মনিরা আক্তার এবং শহীদ খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের স্ত্রী ফারজানা ইসলাম মিতু ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এবিজি চেয়ারম্যানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (কেন্দ্রীয় প্রশাসন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সৈয়দ জামিল আহসান এই সহায়তা তুলে দেন। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর সাহারা মার্কেট এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে নিহত তিন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, উপ-পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওহিদুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক (ঢাকা) মো. ছালেহ উদ্দিনসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেন, যারা চলে গেছেন তাদের ফেরত আনার ক্ষমতা আল্লাহ কাউকে দেননি। তবে সহায়তার মাধ্যমে তাদের পরিবারের সদস্যদের পথচলা মসৃণ করার সুযোগ রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা আসলে সেগুলোও গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের একদিনের বেতন সমন্বয় করে সহায়তা তহবিল গঠন করা হয়েছে। ওই তহবিল থেকেও টঙ্গীতে শহীদ ফায়ার ফাইটারদের আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এবিজির মহাব্যবস্থাপক (কেন্দ্রীয় প্রশাসন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সৈয়দ জামিল আহসান বলেন, সবসময় ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের পাশে থাকার প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন এবিজির চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি বলেছেন, শহীদ ফায়ার ফাইটারদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে। এরই অংশ হিসেবে আর্থিক সহায়তা করা হলো। যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা, দোয়া ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবিজি চেয়ারম্যান।

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন নেভাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শহীদ তিন ফায়ার ফাইটারের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর।
এই মানবিক সহায়তার জন্য এবিজি চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।
এছাড়াও, শহীদ ফায়ার ফাইটারদের পরিবারের পক্ষ থেকে মো. নুরুল হুদার বাবা মো. আবুল মনসুর, শহীদ শামীম আহমেদের স্ত্রী মনিরা আক্তার এবং শহীদ খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের স্ত্রী ফারজানা ইসলাম মিতু ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এবিজি চেয়ারম্যানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (কেন্দ্রীয় প্রশাসন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সৈয়দ জামিল আহসান এই সহায়তা তুলে দেন। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর সাহারা মার্কেট এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে নিহত তিন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, উপ-পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওহিদুল ইসলাম ও উপ-পরিচালক (ঢাকা) মো. ছালেহ উদ্দিনসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেন, যারা চলে গেছেন তাদের ফেরত আনার ক্ষমতা আল্লাহ কাউকে দেননি। তবে সহায়তার মাধ্যমে তাদের পরিবারের সদস্যদের পথচলা মসৃণ করার সুযোগ রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা আসলে সেগুলোও গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের একদিনের বেতন সমন্বয় করে সহায়তা তহবিল গঠন করা হয়েছে। ওই তহবিল থেকেও টঙ্গীতে শহীদ ফায়ার ফাইটারদের আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এবিজির মহাব্যবস্থাপক (কেন্দ্রীয় প্রশাসন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সৈয়দ জামিল আহসান বলেন, সবসময় ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের পাশে থাকার প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন এবিজির চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি বলেছেন, শহীদ ফায়ার ফাইটারদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে। এরই অংশ হিসেবে আর্থিক সহায়তা করা হলো। যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা, দোয়া ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবিজি চেয়ারম্যান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৪ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৭৪ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ ৫ এপ্রিল (সকাল ৮টা) পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৯ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৭০ জন।
৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সাময়িক বিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ; যা এই অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে একটি উৎসাহব্যাঞ্জক অগ্রগতি বলে মনে করে ঢাকা।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহোদর প্রয়াত আরাফাত রহমানকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ারও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চেয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চিফ হুইপ জানান, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই নারীরা আরও বেশি করে সংসদে আসুক। এতে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে এবং নারীর ক্ষমতায়ন ত্বরান্বিত হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে