
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের গড়ে তোলা ‘সূচনা ফাউন্ডেশনে’ অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযান শেষে দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাননি তারা।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের নির্ধারিত ঠিকানায় গিয়ে ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান পায়নি দুদকের আভিযানিক দল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরে ওই ঠিকানাতেই ফাউন্ডেশনটি নিবন্ধিত ছিল।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে থাকা ‘সূচনা ফাউন্ডেশনে’র কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সহকারী পরিচালক মো. নওশাদের নেতৃত্বে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট ইউনিট ওই ঠিকানায় অভিযান চালায়। ‘সূচনা ফাউন্ডেশনে’র নামে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান চালানো হয়।
মানসিক ও স্নায়বিক প্রতিবন্ধিতা, অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্তদের নিয়ে কাজ করতে ২০১৪ সালে স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠে সূচনা ফাউন্ডেশন। এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক। তবে অভিযোগ রয়েছে, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা তার ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মেয়েকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।
পুতুলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। সম্প্রতি পূর্বাচলে ১০ কাঠা প্লট জালিয়াতি ঘটনাতেও সংস্থাটি তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অন্যদিকে পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগও খতিয়ে দেখছে।
দুদক সূত্র বলছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সূচন ফাউন্ডেশনকে করমুক্ত করিয়ে নিয়েছিলেন পুতুল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অটিস্টিক সেলকে ব্যবহার করে ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের মধ্যেই গত নভেম্বরে সূচনা ফাউন্ডেশনে ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ অনুযায়ী সূচনা ফাউন্ডেশনের পরিচালিত সব হিসাবের লেনদেন স্থগিত রাখা হয়।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের গড়ে তোলা ‘সূচনা ফাউন্ডেশনে’ অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযান শেষে দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাননি তারা।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের নির্ধারিত ঠিকানায় গিয়ে ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান পায়নি দুদকের আভিযানিক দল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরে ওই ঠিকানাতেই ফাউন্ডেশনটি নিবন্ধিত ছিল।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে থাকা ‘সূচনা ফাউন্ডেশনে’র কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সহকারী পরিচালক মো. নওশাদের নেতৃত্বে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট ইউনিট ওই ঠিকানায় অভিযান চালায়। ‘সূচনা ফাউন্ডেশনে’র নামে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান চালানো হয়।
মানসিক ও স্নায়বিক প্রতিবন্ধিতা, অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্তদের নিয়ে কাজ করতে ২০১৪ সালে স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠে সূচনা ফাউন্ডেশন। এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক। তবে অভিযোগ রয়েছে, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা তার ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মেয়েকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।
পুতুলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। সম্প্রতি পূর্বাচলে ১০ কাঠা প্লট জালিয়াতি ঘটনাতেও সংস্থাটি তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অন্যদিকে পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগও খতিয়ে দেখছে।
দুদক সূত্র বলছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সূচন ফাউন্ডেশনকে করমুক্ত করিয়ে নিয়েছিলেন পুতুল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অটিস্টিক সেলকে ব্যবহার করে ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের মধ্যেই গত নভেম্বরে সূচনা ফাউন্ডেশনে ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ অনুযায়ী সূচনা ফাউন্ডেশনের পরিচালিত সব হিসাবের লেনদেন স্থগিত রাখা হয়।

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
৭ ঘণ্টা আগে
পদত্যাগপত্রে বেশ কয়েকটি শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। বলেছেন, তিনি ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ নামে একটি রোগে আক্রান্ত বলে সম্প্রতি ধরা পড়েছে, যার কারণে তিনি কখনো কখনো অচেতন হয়ে পড়েন।
৮ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে স্পিকারের কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব। এ অবস্থায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
৯ ঘণ্টা আগে