
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামীকাল শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি এবং সব ধরনের যাত্রীসেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
পূর্বঘোষিত আলটিমেটাম অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর)-এর মধ্যে 'স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি-বিধিমালা' প্রণয়ন ও প্রকাশ না করায় তারা এই কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
এই কর্মবিরতির ঘোষণা বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরও জানিয়েছেন, যতদিন পর্যন্ত দাবি পূরণ না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত প্রতিদিন ডিএমটিসিএল প্রধান কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।
দীর্ঘ ১২ বছর পরও স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় এবং মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামীকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন।
বিধিমালা প্রণয়নে প্রধান বাধা হচ্ছে 'বিশেষ বিধান' সংক্রান্ত একাদশ অধ্যায়, যা কর্মচারীদের মতে প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
১১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত সার্ভিস রুল না পেলে তারা যাত্রীসেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখবেন। মেট্রোরেলের যাত্রীদের ভোগান্তির দায় সম্পূর্ণভাবে কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামীকাল শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি এবং সব ধরনের যাত্রীসেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
পূর্বঘোষিত আলটিমেটাম অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর)-এর মধ্যে 'স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি-বিধিমালা' প্রণয়ন ও প্রকাশ না করায় তারা এই কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
এই কর্মবিরতির ঘোষণা বুধবার (১০ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরও জানিয়েছেন, যতদিন পর্যন্ত দাবি পূরণ না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত প্রতিদিন ডিএমটিসিএল প্রধান কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।
দীর্ঘ ১২ বছর পরও স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় এবং মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামীকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন।
বিধিমালা প্রণয়নে প্রধান বাধা হচ্ছে 'বিশেষ বিধান' সংক্রান্ত একাদশ অধ্যায়, যা কর্মচারীদের মতে প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
১১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত সার্ভিস রুল না পেলে তারা যাত্রীসেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখবেন। মেট্রোরেলের যাত্রীদের ভোগান্তির দায় সম্পূর্ণভাবে কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৬ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১১ ঘণ্টা আগে