
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত বেবী কেয়ার হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাড়ে চার মাস বয়সী এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় হাসপাতালের পিআইসিইউতে (শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন আরও কয়েকটি শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছেন স্বজনরা।
দীর্ঘ সময় অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এই প্রাণহানি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্বজনদের দাবি, বিস্ফোরণের পর অক্সিজেন সংকটে পড়ে পিআইসিইউতে থাকা আরও কয়েকজন শিশু। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালটির নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
রাজধানীর শ্যামলীর বেবী কেয়ার হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় সাড়ে চার মাস বয়সী ফারিছ নামের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় হাসপাতালের পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন আরও কয়েকটি শিশুর অবস্থার অবনতি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন স্বজনরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামে আক্রান্ত হয়ে সাড়ে চার মাস বয়সী শিশুটি গত তিন থেকে চার দিন ধরে হাসপাতালটির পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও সন্ধ্যায় অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এতে অক্সিজেন সংকটে পড়ে শিশুটি মারা যায় বলে দাবি করেন তারা। তবে আপাতত এ ঘটনায় কোনো আইনি অভিযোগ দায়ের করতে চান না বলেও জানান তারা।
নিহত শিশুর বাবা ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বাচ্চা ভালো ছিল ট্রিটমেন্টে। একটা দুর্ঘটনায় মারা গেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এটা স্বীকার করছে না। ওরা বলছে যে, বাচ্চার ক্রিটিক্যাল অবস্থা হয়েছে, আমাদেরকে ডাকতে গেছে এমন সময় ব্লাস্ট হয়েছে।’
দীর্ঘ সময় অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত থাকায় পিআইসিইউতে থাকা আরও কয়েকটি শিশুর শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
রোগীর স্বজনরা জানান, এখন বাচ্চার অবস্থা ভালো না। ফুসফুস প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো। আমাদের কাছে সিগনেচার চাইছে ডাক্তাররা। যে যদি বাচ্চা মারা যায় বা দম বন্ধ হয়ে যায়, লাইফ সাপোর্ট দিবে। বাচ্চা সাত-আটজন ছিল, একজন তো মারা গেছে।
হাসপাতালে কর্মরত একজন ডাক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী হাম পরবর্তী সময়ে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল শিশুটি। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই শিশুর অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকে, এসময়ই ঘটে এমন দুর্ঘটনা।
কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, ‘একটা লাইফ সেভিং ইনজেকশন ফাইলিন দেয়া হয়। জোরে থাকা খালাকে বলি যে, পেশেন্ট পার্টিকে আপনি ডাকেন। কারণ, আমি এখন হয়তো লাইফ সাপোর্ট অথবা অন্য কোনো কন্ডিশনে যেতে লাগতে পারি। তো উনি যখন বের হতে যাবেন, ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের এখানে অক্সিজেনটা ব্লাস্ট করে। অক্সিজেন আমাদের যেহেতু ভেন্টিলেশন মেশিনে অক্সিজেন সাপ্লাই ছিল, সেখানে তো আমার কোনো অক্সিজেনের ঘাটতি দেখায় নি, কোনো অসুবিধা দেখায় নি।’
তবে, স্বজনদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত মন্তব্য এড়িয়ে যায়। তাদের দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো ধরনের দায়িত্বে অবহেলা জড়িত নয় এবং চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য অন্য ফ্লোরে রোগীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত বেবী কেয়ার হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাড়ে চার মাস বয়সী এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় হাসপাতালের পিআইসিইউতে (শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন আরও কয়েকটি শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছেন স্বজনরা।
দীর্ঘ সময় অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এই প্রাণহানি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্বজনদের দাবি, বিস্ফোরণের পর অক্সিজেন সংকটে পড়ে পিআইসিইউতে থাকা আরও কয়েকজন শিশু। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালটির নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে।
রাজধানীর শ্যামলীর বেবী কেয়ার হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় সাড়ে চার মাস বয়সী ফারিছ নামের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় হাসপাতালের পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন আরও কয়েকটি শিশুর অবস্থার অবনতি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন স্বজনরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামে আক্রান্ত হয়ে সাড়ে চার মাস বয়সী শিশুটি গত তিন থেকে চার দিন ধরে হাসপাতালটির পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও সন্ধ্যায় অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। এতে অক্সিজেন সংকটে পড়ে শিশুটি মারা যায় বলে দাবি করেন তারা। তবে আপাতত এ ঘটনায় কোনো আইনি অভিযোগ দায়ের করতে চান না বলেও জানান তারা।
নিহত শিশুর বাবা ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বাচ্চা ভালো ছিল ট্রিটমেন্টে। একটা দুর্ঘটনায় মারা গেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এটা স্বীকার করছে না। ওরা বলছে যে, বাচ্চার ক্রিটিক্যাল অবস্থা হয়েছে, আমাদেরকে ডাকতে গেছে এমন সময় ব্লাস্ট হয়েছে।’
দীর্ঘ সময় অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত থাকায় পিআইসিইউতে থাকা আরও কয়েকটি শিশুর শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
রোগীর স্বজনরা জানান, এখন বাচ্চার অবস্থা ভালো না। ফুসফুস প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো। আমাদের কাছে সিগনেচার চাইছে ডাক্তাররা। যে যদি বাচ্চা মারা যায় বা দম বন্ধ হয়ে যায়, লাইফ সাপোর্ট দিবে। বাচ্চা সাত-আটজন ছিল, একজন তো মারা গেছে।
হাসপাতালে কর্মরত একজন ডাক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী হাম পরবর্তী সময়ে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল শিশুটি। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই শিশুর অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকে, এসময়ই ঘটে এমন দুর্ঘটনা।
কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, ‘একটা লাইফ সেভিং ইনজেকশন ফাইলিন দেয়া হয়। জোরে থাকা খালাকে বলি যে, পেশেন্ট পার্টিকে আপনি ডাকেন। কারণ, আমি এখন হয়তো লাইফ সাপোর্ট অথবা অন্য কোনো কন্ডিশনে যেতে লাগতে পারি। তো উনি যখন বের হতে যাবেন, ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের এখানে অক্সিজেনটা ব্লাস্ট করে। অক্সিজেন আমাদের যেহেতু ভেন্টিলেশন মেশিনে অক্সিজেন সাপ্লাই ছিল, সেখানে তো আমার কোনো অক্সিজেনের ঘাটতি দেখায় নি, কোনো অসুবিধা দেখায় নি।’
তবে, স্বজনদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত মন্তব্য এড়িয়ে যায়। তাদের দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো ধরনের দায়িত্বে অবহেলা জড়িত নয় এবং চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য অন্য ফ্লোরে রোগীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ২৩ জনের মধ্যে ১২ জন ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি উগ্রবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাদের লক্ষ্য ছিল খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা। রোববার সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল ১৩ বছরের কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের এক দিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দক্ষিণ পাশে লালমাই পাহাড়ের গভীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুহিন, আনাস ও ফাহিম ন
৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘অপ্রতিম হত্যার বিচার চাই’, ‘ঘাতকদের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মহাসড়ক উত্তাল করে তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালি
১০ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রা
১ দিন আগে