
বাসস

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র নির্বাচনী প্রস্তুতি পরিদর্শন ও সকল পর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দীন।
আজ (বুধবার) সকালে তিনি রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে ঢাকা ব্যাটালিয়ন (৫ বিজিবি)-এর প্রশিক্ষণ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী মহড়া ও প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মহড়া পরিদর্শন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন পরিচালনায় বিজিবির পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও প্রস্তুতির প্রশংসা করেন।
এ সময় তিনি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি সদস্যদের দক্ষতা ও নিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিজিবি সদর দপ্তরের শহীদ শাকিল আহমেদ হলে সকল পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এতে বিজিবি মহাপরিচালক, সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ, জুনিয়র কর্মকর্তা, সৈনিক এবং অসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিজিবির সকল রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর, ব্যাটালিয়ন ও অন্যান্য ইউনিট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য মাঠে দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি সদস্যদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন এবং তাদের প্রস্তুতি ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, আসন্ন নির্বাচনে সারাদেশে বিজিবির ১ হাজার ২১০ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী ১১৫টি উপজেলার মধ্যে ৬০টিতে বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া সন্দীপ, হাতিয়া ও কুতুবদিয়া ব্যতীত সকল উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র নির্বাচনী প্রস্তুতি পরিদর্শন ও সকল পর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দীন।
আজ (বুধবার) সকালে তিনি রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে ঢাকা ব্যাটালিয়ন (৫ বিজিবি)-এর প্রশিক্ষণ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী মহড়া ও প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মহড়া পরিদর্শন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন পরিচালনায় বিজিবির পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও প্রস্তুতির প্রশংসা করেন।
এ সময় তিনি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি সদস্যদের দক্ষতা ও নিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিজিবি সদর দপ্তরের শহীদ শাকিল আহমেদ হলে সকল পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এতে বিজিবি মহাপরিচালক, সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ, জুনিয়র কর্মকর্তা, সৈনিক এবং অসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিজিবির সকল রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর, ব্যাটালিয়ন ও অন্যান্য ইউনিট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য মাঠে দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি সদস্যদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন এবং তাদের প্রস্তুতি ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, আসন্ন নির্বাচনে সারাদেশে বিজিবির ১ হাজার ২১০ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। সীমান্তবর্তী ১১৫টি উপজেলার মধ্যে ৬০টিতে বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া সন্দীপ, হাতিয়া ও কুতুবদিয়া ব্যতীত সকল উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পাদক পরিষদ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। একই সঙ্গে পরিষদ স্পষ্টভাবে বলতে চায়— কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও ন্যায়বিচারসম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়াই ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা, কিংবা
১৫ ঘণ্টা আগে
দেশের ভেতরের রাজনৈতিক লড়াই দেশের ভেতরেই মোকাবিলা করার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করেছিলাম, আমরা এই দেশের ভেতরের রাজনৈতিক লড়াইকে, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে এই দেশের ভেতরে মোকাবিলা করব। আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই যে, যদি এই দেশের লড়াই দেশের বাইরে যায়, তাহলে এই দেশের মুক্তির লড়াইও এই দেশের বাইরে
১৫ ঘণ্টা আগে
এতে আরও বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনে অবর্ণনীয় আত্মত্যাগের বিনিময়ে সামগ্রিক পুলিশ ব্যবস্থা সংস্কারের যে অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, এই অধ্যাদেশ তার সঙ্গে রীতিমতো বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এ অধ্যাদেশ অনুসারে পুলিশ কমিশন গঠিত হলে তা স্বাধীন ও উদ্দেশ্য পূরণে সক্ষম হওয়া দূরে থাক, বাস্তবে তা হবে সরকারের আজ্ঞাব
১৬ ঘণ্টা আগে