
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। ক্রিকেট থেকে অবসরের পর ক্রিকেটের সঙ্গেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। দেশের ঘরোয়া লিগের পাশাপাশি কোচ হিসেবে দেখা গেছে বিপিএলেও। তবে বিসিবিতে উপেক্ষিতই থেকে গেছেন। একাধিকবার তাকে নিয়ে কাজ করার কথা বিসিবি জানালেও শেষ পর্যন্ত তেমন কিছু হয়নি। যে কারণে আফসোসও রয়েছে সাবেক এই ক্রিকেটারের।
দেশ এখন পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতার পালাবদলে স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে ক্রিকেট বোর্ডেও। আর নতুন বোর্ডে যদি রফিককে কাজ করার সুযোগ দেওয়া তাহলে সেটি আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করবেন বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন তিনি।
রফিক বলছিলেন, 'আমরা তো ৯০ সাল থেকে বোর্ডের সাথে আছি। ৯০ সালে যে হাহাকার ছিল এখনো সেই হাহাকার চলছে। যারা বোর্ডে বসবে তারা যদি মনে করে যে আমরা যারা সাবেক খেলোয়াড় আছি আমাদের এখন প্রয়োজন। যেমন আমি আছি, পাইলট আছে, ফাহিম ভাই আছে বিকেএসপির, বুলবুল আছে যদি মনে করে যে আমাদের দরকার এই সময় আমরা দেশের হয়ে কাজ করার জন্য প্রস্তুত আছি।'
অনেকবারই গণমাধ্যমে শোনা গেছে রফিককে কাজে লাগাতে আগ্রহী বিসিবি। তবে বাস্তবে তেমন কিছু ছিল না বলে জানালেন রফিক, 'কোনো অনুষ্ঠানে দেখা হলে বলতো যে, হ্যাঁ রফিক আসো। তারপর আর কোন কথা বলতো না, তারা তো ওখানে বলে যেত। আর আমি এরকম একটা ব্যক্তি আমি দুই নম্বারি পছন্দ করি না। সত্য মিথ্যা কথা কেন বলব, আমি কেন মিথ্যা কথা বলবো বলেন।'
এখন কাজ করার সুযোগ থাকলে কোনো চিন্তা ছাড়াই প্রস্তুত আছেন বলে জানালেন রফিক, 'আলহামদুলিল্লাহ আমাকে মাঠে কাজ দেন আমি এসির ভেতর থাকতে চাই না। আমি মাঠের লোক আমি মাঠে থাকতে চাই। আমার টাকা লাগবে না এখন যে অবস্থা টাকা লাগবে না। যারা নতুন অবস্থায় আসবে তাদের সাথে আমরা আছি যদি আমাদের দরকার মনে করে।'
রফিকের চাওয়া তবুও ক্রিকেট বেঁচে থাকুক, 'ইনশাআল্লাহ, ১৯৯০ সালে যখন বোর্ডের কিছু ছিল না তখনও বোর্ডের সাথে ছিলাম। এখন যা খারাপ অবস্থা আমি রফিক আছি, খালেদ মাসুদ পাইলট আসবে, ফাহিম ভাই আসবে। এরকম কোচ বা যারা আছে ইমরান ভাই আসবে। আমাদের টাকা দরকার নেই, আমরা দেশের ক্রিকেটের সাথে আছি। আমরা চাই দেশের ক্রিকেটটা বেঁচে থাকুক।'

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। ক্রিকেট থেকে অবসরের পর ক্রিকেটের সঙ্গেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। দেশের ঘরোয়া লিগের পাশাপাশি কোচ হিসেবে দেখা গেছে বিপিএলেও। তবে বিসিবিতে উপেক্ষিতই থেকে গেছেন। একাধিকবার তাকে নিয়ে কাজ করার কথা বিসিবি জানালেও শেষ পর্যন্ত তেমন কিছু হয়নি। যে কারণে আফসোসও রয়েছে সাবেক এই ক্রিকেটারের।
দেশ এখন পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতার পালাবদলে স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে ক্রিকেট বোর্ডেও। আর নতুন বোর্ডে যদি রফিককে কাজ করার সুযোগ দেওয়া তাহলে সেটি আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করবেন বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন তিনি।
রফিক বলছিলেন, 'আমরা তো ৯০ সাল থেকে বোর্ডের সাথে আছি। ৯০ সালে যে হাহাকার ছিল এখনো সেই হাহাকার চলছে। যারা বোর্ডে বসবে তারা যদি মনে করে যে আমরা যারা সাবেক খেলোয়াড় আছি আমাদের এখন প্রয়োজন। যেমন আমি আছি, পাইলট আছে, ফাহিম ভাই আছে বিকেএসপির, বুলবুল আছে যদি মনে করে যে আমাদের দরকার এই সময় আমরা দেশের হয়ে কাজ করার জন্য প্রস্তুত আছি।'
অনেকবারই গণমাধ্যমে শোনা গেছে রফিককে কাজে লাগাতে আগ্রহী বিসিবি। তবে বাস্তবে তেমন কিছু ছিল না বলে জানালেন রফিক, 'কোনো অনুষ্ঠানে দেখা হলে বলতো যে, হ্যাঁ রফিক আসো। তারপর আর কোন কথা বলতো না, তারা তো ওখানে বলে যেত। আর আমি এরকম একটা ব্যক্তি আমি দুই নম্বারি পছন্দ করি না। সত্য মিথ্যা কথা কেন বলব, আমি কেন মিথ্যা কথা বলবো বলেন।'
এখন কাজ করার সুযোগ থাকলে কোনো চিন্তা ছাড়াই প্রস্তুত আছেন বলে জানালেন রফিক, 'আলহামদুলিল্লাহ আমাকে মাঠে কাজ দেন আমি এসির ভেতর থাকতে চাই না। আমি মাঠের লোক আমি মাঠে থাকতে চাই। আমার টাকা লাগবে না এখন যে অবস্থা টাকা লাগবে না। যারা নতুন অবস্থায় আসবে তাদের সাথে আমরা আছি যদি আমাদের দরকার মনে করে।'
রফিকের চাওয়া তবুও ক্রিকেট বেঁচে থাকুক, 'ইনশাআল্লাহ, ১৯৯০ সালে যখন বোর্ডের কিছু ছিল না তখনও বোর্ডের সাথে ছিলাম। এখন যা খারাপ অবস্থা আমি রফিক আছি, খালেদ মাসুদ পাইলট আসবে, ফাহিম ভাই আসবে। এরকম কোচ বা যারা আছে ইমরান ভাই আসবে। আমাদের টাকা দরকার নেই, আমরা দেশের ক্রিকেটের সাথে আছি। আমরা চাই দেশের ক্রিকেটটা বেঁচে থাকুক।'

ঘরের ভেতর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল করে পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে দুপুরের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রুবেলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।
৭ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৫ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত অথবা সন্নিহিত সময়ে সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন ভারতের মেঘালয়, আসাম, বরাক অববাহিকা, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের পার্বত্য ও উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় ১০০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও মোট বৃষ্টিপ
৮ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে তাদের অবসর প্রদান করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৪ ডিআইজি, ১৭ অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ২ পুলিশ সুপার রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আজ বিকেলে রাজধানীতে ৮৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
৯ ঘণ্টা আগে