
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের মাটিতে খেলতে গিয়ে ১০০ রানের বেশি টার্গেটে এর আগে সর্বশেষ টেস্ট জয়ের ইতিহাস আছে দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০০০ সালের পর আর এমন কীর্তি দেখা যায়নি। আবার একই ভেন্যু মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সর্বনিম্ন ১০৭ রান লক্ষ্য দিয়েও ভারতের জয়ের রেকর্ড ছিল। কাকতালীয়ভাবে বেঙ্গালুরু টেস্টেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সমান ১০৭ রানের লক্ষ্য দেয় রোহিত শর্মারা। তবে এবার আর কোনো রূপকথা নয়, নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জিতল ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
বেঙ্গালুরুতে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ভারতকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ৩৫ বছর পর ভারতের মাটিতে এটি তাদের প্রথম জয়। এর আগে ১৯৮৮ সালের নভেম্বরে ওয়াংখেড়েতে ১৩৬ রানের জয় পেয়েছিল তারা। সবমিলিয়ে এটি তাদের তৃতীয় জয়।
নিউজিল্যান্ড ফের ব্যাটিংয়ে নেমেছিল গতকালই। কিন্তু আলোকস্বল্পতার কারণে চার বলের বেশি খেলতে পারেনি। বৃষ্টির কারণে আজ পঞ্চম দিনে নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি খেলা। তবে প্রথম সেশন ভেস্তেও যায়নি। ওভারের শেষ হতে দুই বল বাকি থাকায় যথারীতি দিনের শুরুটা হয় বুমরাহর হাত ধরে। শেষ বলে কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে (০) এলবডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ডানহাতি এই পেসার।
আরেক প্রান্ত থেকে মোহাম্মদ সিরাজও বেশ চেষ্টা করেন ভারতকে ম্যাচে রাখার। বুমরাহ তো প্রতি দুটি ডেলিভারিতেই উইকেটের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বুমরাহ ম্যাজিক কাজে লাগল না। যদিও আরেক ওপেনার ডেভন কনওয়েকেও (১৭) নিজের শিকারে পরিণত করেন ডানহাতি এই পেসার। কিন্তু বাকিটা পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন উইল ইয়াং ও রাচিন রবীন্দ্র। ৮ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন তারা।
৭৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন ইয়াং। আগের ইনিংসে অসাধারণ সেঞ্চুরি করা রাচিন ৩৯ রানে অপরাজিত থেকে জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত ১ম ইনিংস: ৪৬/১০ (পন্ত ২০, জয়সওয়াল ১৩; হেনরি ৫/১৫, ও’রোর্ক ৪/২২)।
নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৪০২/১০ (রাচিন ১৩৪, কনওয়ে ৯১, সাউদি ৬৫; কুলদীপ ৩/৯৯, জাদেজা ৩/৭২)।
ভারত ২য় ইনিংস: ৪৬২/১০ (সরফরাজ ১৫০, পন্ত ৯৯, কোহলি ৭০, রোহিত ৫২; ও’রোর্ক ৩/৯২, হেনরি ৩/১০২)।
নিউজিল্যান্ড ২য় ইনিংস: ১১০/২ (ইয়াং ৪৮*, রাচিন ৩৯*; বুমরাহ ২/২৯)।
ফল: নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে ১–০ তে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড।
ম্যাচসেরা: রাচিন রবীন্দ্র।

ভারতের মাটিতে খেলতে গিয়ে ১০০ রানের বেশি টার্গেটে এর আগে সর্বশেষ টেস্ট জয়ের ইতিহাস আছে দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০০০ সালের পর আর এমন কীর্তি দেখা যায়নি। আবার একই ভেন্যু মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সর্বনিম্ন ১০৭ রান লক্ষ্য দিয়েও ভারতের জয়ের রেকর্ড ছিল। কাকতালীয়ভাবে বেঙ্গালুরু টেস্টেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সমান ১০৭ রানের লক্ষ্য দেয় রোহিত শর্মারা। তবে এবার আর কোনো রূপকথা নয়, নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জিতল ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
বেঙ্গালুরুতে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ভারতকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ৩৫ বছর পর ভারতের মাটিতে এটি তাদের প্রথম জয়। এর আগে ১৯৮৮ সালের নভেম্বরে ওয়াংখেড়েতে ১৩৬ রানের জয় পেয়েছিল তারা। সবমিলিয়ে এটি তাদের তৃতীয় জয়।
নিউজিল্যান্ড ফের ব্যাটিংয়ে নেমেছিল গতকালই। কিন্তু আলোকস্বল্পতার কারণে চার বলের বেশি খেলতে পারেনি। বৃষ্টির কারণে আজ পঞ্চম দিনে নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি খেলা। তবে প্রথম সেশন ভেস্তেও যায়নি। ওভারের শেষ হতে দুই বল বাকি থাকায় যথারীতি দিনের শুরুটা হয় বুমরাহর হাত ধরে। শেষ বলে কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে (০) এলবডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ডানহাতি এই পেসার।
আরেক প্রান্ত থেকে মোহাম্মদ সিরাজও বেশ চেষ্টা করেন ভারতকে ম্যাচে রাখার। বুমরাহ তো প্রতি দুটি ডেলিভারিতেই উইকেটের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বুমরাহ ম্যাজিক কাজে লাগল না। যদিও আরেক ওপেনার ডেভন কনওয়েকেও (১৭) নিজের শিকারে পরিণত করেন ডানহাতি এই পেসার। কিন্তু বাকিটা পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন উইল ইয়াং ও রাচিন রবীন্দ্র। ৮ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন তারা।
৭৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন ইয়াং। আগের ইনিংসে অসাধারণ সেঞ্চুরি করা রাচিন ৩৯ রানে অপরাজিত থেকে জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত ১ম ইনিংস: ৪৬/১০ (পন্ত ২০, জয়সওয়াল ১৩; হেনরি ৫/১৫, ও’রোর্ক ৪/২২)।
নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৪০২/১০ (রাচিন ১৩৪, কনওয়ে ৯১, সাউদি ৬৫; কুলদীপ ৩/৯৯, জাদেজা ৩/৭২)।
ভারত ২য় ইনিংস: ৪৬২/১০ (সরফরাজ ১৫০, পন্ত ৯৯, কোহলি ৭০, রোহিত ৫২; ও’রোর্ক ৩/৯২, হেনরি ৩/১০২)।
নিউজিল্যান্ড ২য় ইনিংস: ১১০/২ (ইয়াং ৪৮*, রাচিন ৩৯*; বুমরাহ ২/২৯)।
ফল: নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে ১–০ তে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড।
ম্যাচসেরা: রাচিন রবীন্দ্র।

বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
৩ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
৪ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি এবং এনএসআইয়ের পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে থাকা অবস্থায় গত ২৫ জুন বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন আজকের তারিখ থেকেই ভিসা চালুর ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ীই শুরু হলো ভিসা কার্যক্রম।
৫ ঘণ্টা আগে