
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্পেনের ইভিজা দ্বীপে অবকাশ যাপনের জন্য মনোরম ও সৌন্দর্যময় একটি বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন তারকার সেই দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি ভেঙে দিয়েছে এক দল বিক্ষোভকারী। জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এমনটি করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা। নিজেদের ক্লাইমেট চেঞ্জ এক্টিভিস্ট বলে দাবি করেছেন সেসব বিক্ষোভকারীরা।
বাড়িটি ভাঙচুরের পর সেখানে ব্যানার নিয়ে ছবি তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা। ব্যানারে ইংরেজি ভাষায় একটি স্লোগান লেখা ছিল। যার বাংলা অর্থ হলো- গ্রহকে (পৃথিবী) সাহায্য করুন। ধনীদের বিতাড়িত করে দাও। পুলিশকে বিলুপ্ত করো।
বিক্ষোভকারীদের এমন কাজে মেসির পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হ্যাভিয়ের মিলেই। তিনি স্পেনের সরকারকে মেসির পরিবার ও স্পেনে বসবাসরত আর্জেন্টাইন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এসব বিক্ষোভকারীদের তিনি সমাজতান্ত্রিক (কমিউনিস্ট) ঘরানার লোক বলে দাবি করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মিলেই লিখেছেন, ‘স্পেনের কমিউনিস্টরা জলবায়ু পরিবর্তনের অবসান ঘটাতে ধনী ব্যক্তিদের হত্যা এবং পুলিশকে বাতিল করতে চায়। তারা লিওনেল মেসি এবং তার পরিবারের একটি বাড়ি ভাঙচুর করেছে।’
‘আমি এই কাপুরুষোচিত এবং বিভ্রান্তিকর ঘটনার জন্য মেসি পরিবারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি এবং আমি পেদ্রো সানচেজের সরকারকে স্পেনে বসবাসকারী আর্জেন্টিনার নাগরিকদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে বলেছি। কমিউনিজম হলো একটি আদর্শ যা সফলদের প্রতি হিংসা, ঘৃণা এবং বিরক্তি দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়। স্বাধীন ও সভ্য বিশ্বে এর কোনো স্থান নেই।’
ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত নান্দনিক সৌন্দর্যের লীলাভূসি ইভিজাতে ১ কোটি ২০ লাখ ডলার খরচ করে এই বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন মেসি। লাল ও কালো রংয়ের দেয়াল দিয়ে বাড়িটি আচ্ছাদিত করেছিলেন বর্তমান বিশ্বসেরা এই ফুটবলার।
২০২২ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পর থেকে বাড়িটিতে থাকেন না মেসি। তবে অবকাশ যাপনের জন্য মাঝে মাঝে সেখানে যেতেন তিনি।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, বাড়িটি বেআইনিভাবে নির্মাণ করেছেন মেসি। আর ধনীদের এসব কারণে দিনদিন জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। স্পেন সরকার যেন জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেয়, সেজন্য এমনটি করেছেন তারা।

স্পেনের ইভিজা দ্বীপে অবকাশ যাপনের জন্য মনোরম ও সৌন্দর্যময় একটি বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন তারকার সেই দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি ভেঙে দিয়েছে এক দল বিক্ষোভকারী। জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এমনটি করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা। নিজেদের ক্লাইমেট চেঞ্জ এক্টিভিস্ট বলে দাবি করেছেন সেসব বিক্ষোভকারীরা।
বাড়িটি ভাঙচুরের পর সেখানে ব্যানার নিয়ে ছবি তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা। ব্যানারে ইংরেজি ভাষায় একটি স্লোগান লেখা ছিল। যার বাংলা অর্থ হলো- গ্রহকে (পৃথিবী) সাহায্য করুন। ধনীদের বিতাড়িত করে দাও। পুলিশকে বিলুপ্ত করো।
বিক্ষোভকারীদের এমন কাজে মেসির পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হ্যাভিয়ের মিলেই। তিনি স্পেনের সরকারকে মেসির পরিবার ও স্পেনে বসবাসরত আর্জেন্টাইন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এসব বিক্ষোভকারীদের তিনি সমাজতান্ত্রিক (কমিউনিস্ট) ঘরানার লোক বলে দাবি করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মিলেই লিখেছেন, ‘স্পেনের কমিউনিস্টরা জলবায়ু পরিবর্তনের অবসান ঘটাতে ধনী ব্যক্তিদের হত্যা এবং পুলিশকে বাতিল করতে চায়। তারা লিওনেল মেসি এবং তার পরিবারের একটি বাড়ি ভাঙচুর করেছে।’
‘আমি এই কাপুরুষোচিত এবং বিভ্রান্তিকর ঘটনার জন্য মেসি পরিবারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি এবং আমি পেদ্রো সানচেজের সরকারকে স্পেনে বসবাসকারী আর্জেন্টিনার নাগরিকদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে বলেছি। কমিউনিজম হলো একটি আদর্শ যা সফলদের প্রতি হিংসা, ঘৃণা এবং বিরক্তি দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়। স্বাধীন ও সভ্য বিশ্বে এর কোনো স্থান নেই।’
ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত নান্দনিক সৌন্দর্যের লীলাভূসি ইভিজাতে ১ কোটি ২০ লাখ ডলার খরচ করে এই বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন মেসি। লাল ও কালো রংয়ের দেয়াল দিয়ে বাড়িটি আচ্ছাদিত করেছিলেন বর্তমান বিশ্বসেরা এই ফুটবলার।
২০২২ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পর থেকে বাড়িটিতে থাকেন না মেসি। তবে অবকাশ যাপনের জন্য মাঝে মাঝে সেখানে যেতেন তিনি।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, বাড়িটি বেআইনিভাবে নির্মাণ করেছেন মেসি। আর ধনীদের এসব কারণে দিনদিন জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। স্পেন সরকার যেন জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেয়, সেজন্য এমনটি করেছেন তারা।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, পল্লী উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পল্লী উন্নয়নে নির্বাচিত সরকার কাজ করছে।
২ ঘণ্টা আগে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা না হলে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক বা হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হবে। মা ও শিশুর নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
এই সময় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। এছাড়া দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়৷
৩ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সম্ভাব্য বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির
৪ ঘণ্টা আগে