
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত পরিচালক হিসেবে থাকা বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বিসিবির আট পরিচালক ফারুকের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের তদন্ত প্রতিবেদনও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
যদিও ফারুক আহমেদ এনএসসির মনোনীত পরিচালক ছিলেন, তার অবস্থান ছিল পরিচালকদের মাধ্যমে নির্বাচিত। তবে তিনি সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান। বিসিবির গঠনতন্ত্রে সভাপতিকে অপসারণের বিষয়টি স্পষ্ট না থাকায় এই সিদ্ধান্তে একটি অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া বিসিবি সভাপতি হওয়ার জন্য পরিচালকের পদ অপরিহার্য, ফলে ফারুক পরিচালকের পদে না থাকলে সভাপতির পদেও তার অবস্থান প্রশ্নের মুখে পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে ফারুকের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নাম আলোচনায় এসেছে। গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তাকে বিসিবির কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, “শেখ হামিম হাসানের পরিবর্তে আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বিসিবির কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।”
শেখ হামিম হাসান ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক পরিচালক (প্রশাসন)। ২০২১ সালে বিসিবি নির্বাচনে তিনি এনএসসির কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরজনিত কারণে বর্তমানে তিনি আর পরিষদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পাঁচজন কাউন্সিলর মনোনয়ন দিতে পারে।
ফারুক আহমেদের পরিচালক পদ বাতিলের প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, বুলবুলকেই ওই পরিচালক পদের জন্য পরবর্তী মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিলর পরিবর্তনের বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদনের বিষয়। বুলবুলের কাউন্সিলর হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে সেই সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অনুমোদন পেতে হবে।
এখন দেখার বিষয়, সেই গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড সভায় সভাপতিত্ব করবেন কে—এবং বিসিবির নেতৃত্বে নতুন করে কি কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত পরিচালক হিসেবে থাকা বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বিসিবির আট পরিচালক ফারুকের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের তদন্ত প্রতিবেদনও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
যদিও ফারুক আহমেদ এনএসসির মনোনীত পরিচালক ছিলেন, তার অবস্থান ছিল পরিচালকদের মাধ্যমে নির্বাচিত। তবে তিনি সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান। বিসিবির গঠনতন্ত্রে সভাপতিকে অপসারণের বিষয়টি স্পষ্ট না থাকায় এই সিদ্ধান্তে একটি অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া বিসিবি সভাপতি হওয়ার জন্য পরিচালকের পদ অপরিহার্য, ফলে ফারুক পরিচালকের পদে না থাকলে সভাপতির পদেও তার অবস্থান প্রশ্নের মুখে পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে ফারুকের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নাম আলোচনায় এসেছে। গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তাকে বিসিবির কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, “শেখ হামিম হাসানের পরিবর্তে আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বিসিবির কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।”
শেখ হামিম হাসান ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক পরিচালক (প্রশাসন)। ২০২১ সালে বিসিবি নির্বাচনে তিনি এনএসসির কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরজনিত কারণে বর্তমানে তিনি আর পরিষদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পাঁচজন কাউন্সিলর মনোনয়ন দিতে পারে।
ফারুক আহমেদের পরিচালক পদ বাতিলের প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, বুলবুলকেই ওই পরিচালক পদের জন্য পরবর্তী মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিলর পরিবর্তনের বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদনের বিষয়। বুলবুলের কাউন্সিলর হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে সেই সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অনুমোদন পেতে হবে।
এখন দেখার বিষয়, সেই গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড সভায় সভাপতিত্ব করবেন কে—এবং বিসিবির নেতৃত্বে নতুন করে কি কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের ও গৃহীত হয়েছে। ফলে এসব এজেন্সি ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩’ লঙ্ঘন করেছে। এ কারণে এ আইনের ধারা ১৩ অনুযায়ী এসব রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একই ব্যক্তি একই অপরাধে দুই ভিন্ন আইনে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন না। সেনা আইনে তার বিচার হবে। যদি কোনো সিভিল কোর্ট সংশ্লিষ্ট বিষয় থাকে, সেটি পরে আইনিভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এ কারণে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচার সম্
১৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা সাইদুর রহমান সাংবাদিকতা শুরু করেন বিএনপির মুখপত্র দৈনিক দিনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক হিসেবে। পরে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে যোগ দেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের আইনে তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলছে। তিনি পলাতক থাকায় প্রত্যর্পণ চুক্তি ও কূটনৈতিক প্রটোকল অনুযায়ী তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে