
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের দাবি না মানা পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচ ২০ এর শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ।
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে আমাদের ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করছি।’
৫ দফা দাবি গুলো হলো— স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে আন্দোলনকারীদের সামনে উপস্থিত হয়ে এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে এবং জবাবদিহি করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে গঠিত কমিটিকে আমরা আমাদের প্রতিনিধিত্বের অনুপযুক্ত মনে করি। ওই কমিটিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করলাম। অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক প্রতিনিধিসহ প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কমিটির সংস্কার করে উত্থাপিত তিন দফা দাবিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মেনে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
এ মর্মে সংশ্লিষ্ট ৩ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, আদিলুর রহমান ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে আজকে এসে এর নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
হামলায় আহত সকল শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকারকে বহন করতে হবে এবং আন্দোলন চলাকালে সকল শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
পুলিশ দিয়ে এ আন্দোলনে আর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না। সাবেক বুয়েট শিক্ষার্থী রোকনের ওপর হামলাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
যেসব পুলিশ এই ন্যক্কারজনক হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের বহিষ্কার করতে হবে। আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য থাকব।
এ সময় অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘পুলিশি হামলায় অন্তত ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের দাবি না মানা পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচ ২০ এর শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ।
এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে আমাদের ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করছি।’
৫ দফা দাবি গুলো হলো— স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে আন্দোলনকারীদের সামনে উপস্থিত হয়ে এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে এবং জবাবদিহি করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে গঠিত কমিটিকে আমরা আমাদের প্রতিনিধিত্বের অনুপযুক্ত মনে করি। ওই কমিটিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করলাম। অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক প্রতিনিধিসহ প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কমিটির সংস্কার করে উত্থাপিত তিন দফা দাবিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মেনে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
এ মর্মে সংশ্লিষ্ট ৩ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, আদিলুর রহমান ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে আজকে এসে এর নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
হামলায় আহত সকল শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকারকে বহন করতে হবে এবং আন্দোলন চলাকালে সকল শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
পুলিশ দিয়ে এ আন্দোলনে আর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না। সাবেক বুয়েট শিক্ষার্থী রোকনের ওপর হামলাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
যেসব পুলিশ এই ন্যক্কারজনক হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের বহিষ্কার করতে হবে। আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য থাকব।
এ সময় অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘পুলিশি হামলায় অন্তত ৫০-৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আনিসুর রহমান ও সালাউদ্দিন মোটরসাইকেল যোগে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে ভাঙ্গা উপজেলার বাবনাতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বরিশাল থেকে ঢাকাগামী দশমিনা পরিবহনের নিচে তাদের মোটরসাইকেলটি ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের মধ্যে ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়।
৪ ঘণ্টা আগে
পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত। আপনি এই দেশের জন্য লড়াই করেছেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন।’
৪ ঘণ্টা আগে
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করা কয়েকজন ব্যক্তি বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ অ্যাখ্যা দিয়ে গালিগালাজ করছেন এবং তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, চলচ্চিত্র উৎসব প্রাঙ্গণে বাঁধনের উপস্থিতি কেন্দ্র করে রাজনৈতিক স্লোগান ও বাগবিতণ্ডা শু
৪ ঘণ্টা আগে