
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আমাদের এখানকার শিক্ষাব্যবস্থা পশ্চিমাদের মত করে তৈরি করার কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক টাকা ব্যয় করতে হয়। অনেকটা ‘টাকা আছে যার শিক্ষা তার’ নীতিতে চলছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা ভাবছে আমি টাকা দিচ্ছি তাই শিক্ষা পাচ্ছি। এটিকে তারা বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করছে। এতে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। নয়া উদারনীতিবাদের কারণে ভারতে আজকে পড়াশোনা করার জন্য শিক্ষার্থীরা ঋণ নিচ্ছে। পরবর্তীতে যখন সে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না তখন সে আত্মহত্যা করছে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে এসব কথা বলেন ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইকোনমিক স্টাডিজ অ্যান্ড প্ল্যানিংয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. প্রভাত পাটনায়েক।
নব্য উদারবাদের গোলকধাঁধায় শিক্ষা: সঙ্কট থেকে উত্তরণের পথ এ সেমিনার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে।
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে অধ্যাপক ড. প্রভাত পাটনায়েক বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উপনিবেশীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও ঔপনিবেশিক আগাসন এখনও ভিন্নরূপে চালু আছে। আমাদের মনন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর ঔপনিবেশিক ধারার প্রভাব এখনও বিদ্যমান। এর মূল কারণ পশ্চিমের অনুকরণে প্রণীত শিক্ষানীতি। ব্রিটিশ আমলে বৃহত্তর বাংলায় যেভাবে শোষণ হয়েছে সেটার ব্যাপকতা বিশাল। ব্রিটিশরা বাংলার এক-তৃতীয়াংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে যেত। অথচ যুক্তরাজ্যের বইগুলোতে এসবের কোন উল্লেখ নেই। এখন আমাদের কারিকুলামে যদি এগুলা না থাকে তাহলে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা জানবেই না, এখানে কী হয়েছে অতীতে।
তিনি বলেন, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের ফলে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী দেশের কাজে না এসে কাজে লাগছে বহুজাগতিক প্রতিষ্ঠানের। বর্তমান প্রাইভেট শিক্ষা বহুজাগতিক কোম্পানী অথবা সরকারের চাকর ব্যতিত বিশেষ কিছু তৈরি করতে পারছে না। পণ্যের মোড়কে শিক্ষা শিক্ষার্থীদেরকে করে তুলছে আত্মকেন্দ্রিক। এ ধরণের শিক্ষা ‘স্টুডেন্ট লোন’ নামে অদ্ভূত এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে, যা ঋণের দায়ে জর্জরিত কৃষকদের আত্মহত্যার কথা মনে করিয়ে দেয়।
সেমিনারে জেনারেল প্যালেস্টেনিয়ান স্টুডেন্টস ইউনিয়নের মুখপাত্র ইসহাক নমুরা বলেন, ফিলিস্তিনে টানা ২০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে গণহত্যা চলছে। পৃথিবী আমাদের জনগণের ওপর এর চেয়ে বেশি বর্বর আগে কখনো হয়নি। একদিকে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতি বনাম ভেটোর খেলা চলে আর অন্যদিকে এই জাতিসংঘই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমন করে রেখেছে, যেন শিক্ষার্থীরা ৯টা-৫টা অফিস করা ছাড়া আর কোনো কাজই না করতে পারে।
অল নেপাল ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (রেভ্যুলেশনারি)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মদন ভুলের মতে দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করতে হলে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রুখতে হবে।
অল নেপাল ন্যাশনাল ফ্রি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ভাইস জেনারেল সেক্রেটারি মিলন রাই বলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সমাজতন্ত্র কায়েম করতে হবে এবং সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক অঙ্কন চাকমা বলেন, আদিবাসীদের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার অধিকার এখনো এই রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারেনি। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে প্রণীত শিক্ষানীতির একটিও নব্য উদারবাদের প্রভাবমুক্ত নয় এবং আদিবাসীসহ অধিকারবঞ্চিত মানুষের কথা মাথায় রেখে প্রণয়ন করা হয়নি।
নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (ইউনিফাইড সোশ্যালিস্ট)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির স্কুল বিভাগের প্রধান ড. হিরেন্দ্র বাহাদুর শাহী বলেন, ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালে শিক্ষাব্যবস্থায় নব্য উদারবাদের প্রভাব ব্যাপক। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা থেকে বিরত থাকছে। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের ফলে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যাপ্ত বরাদ্দ পাচ্ছে না এবং বৈষম্য বাড়ছে।
৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ছাত্র ইউনিয়নকে ২০টি দেশের ৩৪টি ছাত্র-যুব সংগঠন শুভেচ্ছা জানিয়েছে এবং ১২টি ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি। পক্ষে পাঠ করা প্রবন্ধে শিক্ষার ধারণা, বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী শিক্ষাক্ষেত্রে নব্য উদারবাদের প্রভাব এবং নব্য উদারবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সম্ভাব্য কৌশলসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।
সেমিনারের সমাপনী বক্তব্যে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাগীব নাঈম বলেন, নব্য উদারবাদী নীতির প্রভাবে বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও অন্যান্য মুনাফালোভী প্রতিষ্ঠানের কাছে নতি স্বীকার করে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার শিক্ষাসহ অন্যান্য খাতে ক্রমাগত বরাদ্দ ও ভর্তুকি কমাচ্ছে। বিশ্বের অন্য অনেক দেশেও একই পরিস্থিতি বিদ্যমান। এই বৈশ্বিক সঙ্কট মোকাবেলা করতে অচিরেই আমরা বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ছাত্রঐক্যের ডাক দিব। আদর্শিক ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত প্রতিরোধই কেবল পারে নব্য উদারবাদকে রুখে দিতে।

আমাদের এখানকার শিক্ষাব্যবস্থা পশ্চিমাদের মত করে তৈরি করার কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক টাকা ব্যয় করতে হয়। অনেকটা ‘টাকা আছে যার শিক্ষা তার’ নীতিতে চলছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা ভাবছে আমি টাকা দিচ্ছি তাই শিক্ষা পাচ্ছি। এটিকে তারা বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করছে। এতে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। নয়া উদারনীতিবাদের কারণে ভারতে আজকে পড়াশোনা করার জন্য শিক্ষার্থীরা ঋণ নিচ্ছে। পরবর্তীতে যখন সে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না তখন সে আত্মহত্যা করছে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে এসব কথা বলেন ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইকোনমিক স্টাডিজ অ্যান্ড প্ল্যানিংয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. প্রভাত পাটনায়েক।
নব্য উদারবাদের গোলকধাঁধায় শিক্ষা: সঙ্কট থেকে উত্তরণের পথ এ সেমিনার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে।
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে অধ্যাপক ড. প্রভাত পাটনায়েক বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উপনিবেশীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও ঔপনিবেশিক আগাসন এখনও ভিন্নরূপে চালু আছে। আমাদের মনন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর ঔপনিবেশিক ধারার প্রভাব এখনও বিদ্যমান। এর মূল কারণ পশ্চিমের অনুকরণে প্রণীত শিক্ষানীতি। ব্রিটিশ আমলে বৃহত্তর বাংলায় যেভাবে শোষণ হয়েছে সেটার ব্যাপকতা বিশাল। ব্রিটিশরা বাংলার এক-তৃতীয়াংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে যেত। অথচ যুক্তরাজ্যের বইগুলোতে এসবের কোন উল্লেখ নেই। এখন আমাদের কারিকুলামে যদি এগুলা না থাকে তাহলে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা জানবেই না, এখানে কী হয়েছে অতীতে।
তিনি বলেন, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের ফলে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী দেশের কাজে না এসে কাজে লাগছে বহুজাগতিক প্রতিষ্ঠানের। বর্তমান প্রাইভেট শিক্ষা বহুজাগতিক কোম্পানী অথবা সরকারের চাকর ব্যতিত বিশেষ কিছু তৈরি করতে পারছে না। পণ্যের মোড়কে শিক্ষা শিক্ষার্থীদেরকে করে তুলছে আত্মকেন্দ্রিক। এ ধরণের শিক্ষা ‘স্টুডেন্ট লোন’ নামে অদ্ভূত এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে, যা ঋণের দায়ে জর্জরিত কৃষকদের আত্মহত্যার কথা মনে করিয়ে দেয়।
সেমিনারে জেনারেল প্যালেস্টেনিয়ান স্টুডেন্টস ইউনিয়নের মুখপাত্র ইসহাক নমুরা বলেন, ফিলিস্তিনে টানা ২০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে গণহত্যা চলছে। পৃথিবী আমাদের জনগণের ওপর এর চেয়ে বেশি বর্বর আগে কখনো হয়নি। একদিকে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতি বনাম ভেটোর খেলা চলে আর অন্যদিকে এই জাতিসংঘই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমন করে রেখেছে, যেন শিক্ষার্থীরা ৯টা-৫টা অফিস করা ছাড়া আর কোনো কাজই না করতে পারে।
অল নেপাল ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (রেভ্যুলেশনারি)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মদন ভুলের মতে দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করতে হলে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রুখতে হবে।
অল নেপাল ন্যাশনাল ফ্রি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ভাইস জেনারেল সেক্রেটারি মিলন রাই বলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সমাজতন্ত্র কায়েম করতে হবে এবং সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক অঙ্কন চাকমা বলেন, আদিবাসীদের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার অধিকার এখনো এই রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারেনি। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে প্রণীত শিক্ষানীতির একটিও নব্য উদারবাদের প্রভাবমুক্ত নয় এবং আদিবাসীসহ অধিকারবঞ্চিত মানুষের কথা মাথায় রেখে প্রণয়ন করা হয়নি।
নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (ইউনিফাইড সোশ্যালিস্ট)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির স্কুল বিভাগের প্রধান ড. হিরেন্দ্র বাহাদুর শাহী বলেন, ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালে শিক্ষাব্যবস্থায় নব্য উদারবাদের প্রভাব ব্যাপক। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা থেকে বিরত থাকছে। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের ফলে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যাপ্ত বরাদ্দ পাচ্ছে না এবং বৈষম্য বাড়ছে।
৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ছাত্র ইউনিয়নকে ২০টি দেশের ৩৪টি ছাত্র-যুব সংগঠন শুভেচ্ছা জানিয়েছে এবং ১২টি ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি। পক্ষে পাঠ করা প্রবন্ধে শিক্ষার ধারণা, বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী শিক্ষাক্ষেত্রে নব্য উদারবাদের প্রভাব এবং নব্য উদারবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সম্ভাব্য কৌশলসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।
সেমিনারের সমাপনী বক্তব্যে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাগীব নাঈম বলেন, নব্য উদারবাদী নীতির প্রভাবে বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও অন্যান্য মুনাফালোভী প্রতিষ্ঠানের কাছে নতি স্বীকার করে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার শিক্ষাসহ অন্যান্য খাতে ক্রমাগত বরাদ্দ ও ভর্তুকি কমাচ্ছে। বিশ্বের অন্য অনেক দেশেও একই পরিস্থিতি বিদ্যমান। এই বৈশ্বিক সঙ্কট মোকাবেলা করতে অচিরেই আমরা বৃহত্তর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ছাত্রঐক্যের ডাক দিব। আদর্শিক ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত প্রতিরোধই কেবল পারে নব্য উদারবাদকে রুখে দিতে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তার আসনে (ঢাকা-১৫) এ ‘ফুডপ্যাক’ বিতরণ করেন। জামায়াতের ফেসবুক পেজে শুরুতে বলা হয়েছিল, চীন এবং তাদের যৌথ উদ্যোগে এ উপহার বিতরণে করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সদরঘাট রিভার পুলিশের ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
৮ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ মার্চ আন্দোলনবিরোধী ভূমিকা শনাক্ত করতে আল হাদিস বিভাগের জামাতপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক আকতার হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। লিখিত অভিযোগ, ভিডিওচিত্র ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কমিটি সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করলেও, সেই তথ্য-প্রমাণের গ্রহণযোগ্
৮ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৮ মার্চ) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গোলাম রসুল শিহাব ও সাগর ফকির স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্র
৯ ঘণ্টা আগে