
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়।
এর আগে, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি একটি হল সংসদ নির্বাচনে ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান। নির্ধারিত সময় বিকেল ৩টার মধ্যে যারা কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
এবারের জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারসংখ্যা ১৬ হাজার ৩৬৫। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনে মোট ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ১৫৭ প্রার্থী এবং হল সংসদের ১৩ পদে ৩৩ প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হলের সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
জকসু নির্বাচনে মোট চারটি প্যানেলে প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। সেগুলো হলো, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।
এ ছাড়া স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে ভিপি পদে লড়ছেন ১২ জন, জিএস পদে ৯ জন এবং এজিএস পদে লড়ছেন ৮ জন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জরুরি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও দাবির পর ৬ জানুয়ারি জকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়।
এর আগে, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি একটি হল সংসদ নির্বাচনে ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান। নির্ধারিত সময় বিকেল ৩টার মধ্যে যারা কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
এবারের জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারসংখ্যা ১৬ হাজার ৩৬৫। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনে মোট ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ১৫৭ প্রার্থী এবং হল সংসদের ১৩ পদে ৩৩ প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হলের সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
জকসু নির্বাচনে মোট চারটি প্যানেলে প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। সেগুলো হলো, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।
এ ছাড়া স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে ভিপি পদে লড়ছেন ১২ জন, জিএস পদে ৯ জন এবং এজিএস পদে লড়ছেন ৮ জন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জরুরি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও দাবির পর ৬ জানুয়ারি জকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী নিজের কর্তব্য যেন পালন করতে পারি, সে চেষ্টা করবো। একই সঙ্গে দক্ষতা, মেধা ও জ্ঞান দিয়ে মামলাগুলো পরিচালনা করার চেষ্টা করবো। এজন্য সবার সহযোগিতা চাই।
৪ ঘণ্টা আগে
পুলিশে শূন্য পদ পূরণে জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশিদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ) করার বিষয়ে শিগগিরই আলোচনা শুরুর বিষয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার খুব কাছাকাছি রয়েছি। আশা করছি, আমরা নিকট ভবিষ্যতেই বাংলাদেশের সঙ্গে এটি সই করতে পারব।
৪ ঘণ্টা আগে
আমাদের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর সম্পন্ন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
৪ ঘণ্টা আগে