
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বেসরকারি স্কুল-কলেজে নিয়োগে শৃঙ্খলা আনতে এবার চুক্তিভিত্তিক প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ নিয়োগ স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এত দিন এমপিও না নেওয়ার শর্তে সরকারের অনুমোদন নিয়ে চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের সুযোগ ছিল। ১১ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ স্থগিত করা হয়।
ওই আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজের) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ১১.১১ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত ‘তবে ঐতিহ্যবাহী ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এবং সরকারের কোনো আর্থিক সুবিধা বা এমপিও না নেওয়ার শর্তে সরকারের অনুমোদনক্রমে শুধু প্রতিষ্ঠানপ্রধানের ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকসহ সব দায়ভার বহন করতে হবে এবং সরকার এর কোনো দায় বহন করবে না। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রধানের মেয়াদ সরকারের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও কোনোক্রমেই ৬৫ বছরের বেশি হতে পারবে না’— নীতিমালার এ অংশটুকুর কার্যকারিতা স্থগিত করা হলো।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কারণে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হয়। জটিলতা কমিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) প্রধানদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে কেউ চাইলেও নির্দিষ্ট সময়ের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
জানা যায়, এমপিও নীতিমালা-২০২১ এ প্রতিষ্ঠান প্রধানদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছিল। এমপিও নীতিমালা অনুসারে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর। তবে সমপদে বা উচ্চতর পদে (উচ্চতর পদ বলতে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান বোঝাবে) নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলের সুযোগ ছিল।
বর্তমানে দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার। এগুলোর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২০ হাজার ৩১৬টি, কলেজ ২ হাজার ৬৬৪টি, আলিয়া মাদ্রাসা ৯ হাজার ২৯২টি। বাকিগুলো কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেসরকারি স্কুল-কলেজে নিয়োগে শৃঙ্খলা আনতে এবার চুক্তিভিত্তিক প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ নিয়োগ স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এত দিন এমপিও না নেওয়ার শর্তে সরকারের অনুমোদন নিয়ে চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের সুযোগ ছিল। ১১ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ স্থগিত করা হয়।
ওই আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজের) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ১১.১১ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত ‘তবে ঐতিহ্যবাহী ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এবং সরকারের কোনো আর্থিক সুবিধা বা এমপিও না নেওয়ার শর্তে সরকারের অনুমোদনক্রমে শুধু প্রতিষ্ঠানপ্রধানের ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকসহ সব দায়ভার বহন করতে হবে এবং সরকার এর কোনো দায় বহন করবে না। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান প্রধানের মেয়াদ সরকারের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও কোনোক্রমেই ৬৫ বছরের বেশি হতে পারবে না’— নীতিমালার এ অংশটুকুর কার্যকারিতা স্থগিত করা হলো।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কারণে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হয়। জটিলতা কমিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) প্রধানদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে কেউ চাইলেও নির্দিষ্ট সময়ের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
জানা যায়, এমপিও নীতিমালা-২০২১ এ প্রতিষ্ঠান প্রধানদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছিল। এমপিও নীতিমালা অনুসারে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর। তবে সমপদে বা উচ্চতর পদে (উচ্চতর পদ বলতে শুধু প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান বোঝাবে) নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলের সুযোগ ছিল।
বর্তমানে দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার। এগুলোর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২০ হাজার ৩১৬টি, কলেজ ২ হাজার ৬৬৪টি, আলিয়া মাদ্রাসা ৯ হাজার ২৯২টি। বাকিগুলো কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ববর্তী আদেশ বহাল রেখে আদালত জানিয়েছেন, মোবাশ্বের আলমের নির্বাচনে অংশ নিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই। এর আগে দ্বৈত নাগরিকত্ব বা অন্যান্য অভিযোগে তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করা হলেও শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালতে তিনি জয়ী হলেন এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ের পথ সুগম হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
ইশতেহারে গ্যাস সংকট নিরসনে ‘সেবা নেই, বিল নেই’ নীতি বাস্তবায়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে এমপির সুপারিশ ও কোটা প্রথা বাতিলের মতো সাহসী অঙ্গীকার করেছেন তিনি। কোনো ধরনের শোডাউন বা পোস্টার ছাড়াই অর্থ ও পেশিশক্তির বাইরে গিয়ে একটি নতুন ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই প্রার্থী।
৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ ও বাবা-মায়ের বকাঝকায় অভিমান করে তারা আত্মহত্যা করে।
৫ ঘণ্টা আগে
ব্যানার ব্যবহারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি একটি স্পষ্টীকরণ নির্দেশনা জারি করেছে। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারদের এ নির্দেশনা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হরাইজন্টাল (আনুভূমিক) কিংবা ভার্টিকাল (উলম্ব)—যেভাবেই হোক না কেন, ব্যানারের মাপ অনধিক ১
৫ ঘণ্টা আগে