
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিরাপদ, বৈষম্যহীন, সম্প্রীতিমূলক এবং সহনশীল ক্যাম্পাস গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ছাত্রদল মনোনীত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। শনিবার দুপুরে নির্বাচনী প্রচারণার ফাঁকে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে প্রত্যেকে সমান অধিকার ভোগ করা, সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা, সকলের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাসহ আরও অনেক বিষয়ে কথা বলেন তিনি।
নারীদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, নিরাপদ ক্যাম্পাস তখনই হবে যখন এই ক্যাম্পাসের প্রতিটি ইঞ্চি মাটি নারী শিক্ষার্থীর জন্য সমানভাবে নিরাপদ হবে। এজন্য আমরা ক্যাম্পাসকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করব—রেড জোন, ইয়েলো জোন, গ্রিন জোন—যাতে কোথায় কী ধরণের বিধিনিষেধ থাকবে, কে কোথায় যেতে পারবে, তা নির্ধারিত হয়।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দিয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, আমরা দেখেছি কিছু প্রার্থী ক্লাসরুমে সরাসরি প্রচারণা চালাচ্ছে, যা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। বিষয়টি আমরা মৌখিকভাবে জানালেও নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে এখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ পাইনি।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের আন্দোলনে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। তবে পরে কিছু ট্যাগিং-ফ্রেমিং দেখা গেছে, যা বিরাজনীতিকরণের অপচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়। আমরা চাই সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক, যেখানে মতভেদ থাকবে, বিতর্ক হবে, কিন্তু দিনশেষে রাষ্ট্রের স্বার্থে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব।

নিরাপদ, বৈষম্যহীন, সম্প্রীতিমূলক এবং সহনশীল ক্যাম্পাস গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ছাত্রদল মনোনীত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। শনিবার দুপুরে নির্বাচনী প্রচারণার ফাঁকে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে প্রত্যেকে সমান অধিকার ভোগ করা, সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা, সকলের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাসহ আরও অনেক বিষয়ে কথা বলেন তিনি।
নারীদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, নিরাপদ ক্যাম্পাস তখনই হবে যখন এই ক্যাম্পাসের প্রতিটি ইঞ্চি মাটি নারী শিক্ষার্থীর জন্য সমানভাবে নিরাপদ হবে। এজন্য আমরা ক্যাম্পাসকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করব—রেড জোন, ইয়েলো জোন, গ্রিন জোন—যাতে কোথায় কী ধরণের বিধিনিষেধ থাকবে, কে কোথায় যেতে পারবে, তা নির্ধারিত হয়।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দিয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, আমরা দেখেছি কিছু প্রার্থী ক্লাসরুমে সরাসরি প্রচারণা চালাচ্ছে, যা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। বিষয়টি আমরা মৌখিকভাবে জানালেও নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে এখনও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ পাইনি।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের আন্দোলনে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। তবে পরে কিছু ট্যাগিং-ফ্রেমিং দেখা গেছে, যা বিরাজনীতিকরণের অপচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়। আমরা চাই সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক, যেখানে মতভেদ থাকবে, বিতর্ক হবে, কিন্তু দিনশেষে রাষ্ট্রের স্বার্থে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে জুলাই মঞ্চের আহ্বায়ক বলেন, যারা জীবন বাজি রেখে এই আন্দোলনে নেমেছেন, তারা আর কোনো কিছুর পরোয়া করেন না। জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করে আবার বাংলাদেশকে ভারতের রাজ্যে পরিণত করার স্বপ্ন দেখলে তা জীবিত থাকতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
২১ ঘণ্টা আগে
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত ১৬ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনস
১ দিন আগে
যুক্তরাজ্যের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। এ সময়ে বেশকিছু এলাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছে এফসিডিও।
১ দিন আগে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলমের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা ভোগ করবেন।
১ দিন আগে