
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের (ডিজি) অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি বর্তমানে সংস্থাটির পরিচালকের (মাধ্যমিক) দায়িত্বে আছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে ট্রেজারি ও সাবসিডিয়ারি আইনের ভলিউম-১, বিধি ৬৬ মোতাবেক মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হলো।
অধ্যাপক সোহেল এত দিন মাউশির পরিচালকের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একান্ত সচিবের (পিএস) দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে মাউশির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি এ দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন।
মাউশি দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ ও নীতি বাস্তবায়নের প্রধান সংস্থা। একই সঙ্গে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাও এই অধিদপ্তরের আওতায় হয়। এই প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালকের পদটি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ পদ। সারা দেশের নয়টি আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক নিয়ে এটি শিক্ষা খাতের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক কাঠামো।
মাউশির মহাপরিচালকের পদটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একধরনের অস্থিরতা চলছে। গত ছয় মাস ধরে সংস্থাটির নিয়মিত মহাপরিচালক নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১৪ অক্টোবর তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে সরিয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়।
এর আগে একই বছরে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক এহতেসাম উল হককে মাত্র ২০ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। টানা এই পরিবর্তন ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তে পদটি কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। এত দিন সংস্থাটির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) বি এম আবদুল হান্নান অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মহাপরিচালকের কাজ চালিয়ে আসছিলেন। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৯ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাকে সরিয়ে দিয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের (ডিজি) অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি বর্তমানে সংস্থাটির পরিচালকের (মাধ্যমিক) দায়িত্বে আছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে ট্রেজারি ও সাবসিডিয়ারি আইনের ভলিউম-১, বিধি ৬৬ মোতাবেক মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হলো।
অধ্যাপক সোহেল এত দিন মাউশির পরিচালকের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একান্ত সচিবের (পিএস) দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে মাউশির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি এ দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন।
মাউশি দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ ও নীতি বাস্তবায়নের প্রধান সংস্থা। একই সঙ্গে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাও এই অধিদপ্তরের আওতায় হয়। এই প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালকের পদটি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ পদ। সারা দেশের নয়টি আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক নিয়ে এটি শিক্ষা খাতের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক কাঠামো।
মাউশির মহাপরিচালকের পদটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একধরনের অস্থিরতা চলছে। গত ছয় মাস ধরে সংস্থাটির নিয়মিত মহাপরিচালক নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১৪ অক্টোবর তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে সরিয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়।
এর আগে একই বছরে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক এহতেসাম উল হককে মাত্র ২০ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। টানা এই পরিবর্তন ও বিতর্কিত সিদ্ধান্তে পদটি কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। এত দিন সংস্থাটির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) বি এম আবদুল হান্নান অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মহাপরিচালকের কাজ চালিয়ে আসছিলেন। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৯ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাকে সরিয়ে দিয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সব স্তরের কমিটিতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন এখনও ‘সীমিত’ বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলো বিধানটি আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিলেও নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে ন
৬ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ২০২৮ সাল থেকে নতুন পাঠ্যক্রম চালু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে এর আগেই আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন পাঠ্যবই (বিষয়) যুক্ত হচ্ছে বলে তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৮৫ জন।
৯ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে অন্য দেশে অবস্থান করলে তাকে ফেরত পাঠানোর একটি স্বীকৃত প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ভারতকে ব্যবস্থা নিতে হবে।
১০ ঘণ্টা আগে