
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) প্রায় সোয়া ৫ কোটি টাকার রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার কাজের গোপনীয় প্রাক্কলিত দর নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদার আগেই জেনে যাওয়ার অভিযোগে ৮টি কাজের সেই দরপত্র বাতিল করে রি-টেন্ডার (পুনঃদরপত্র) করা হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার এই পদক্ষেপ নেয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, দরপত্র ফাঁসের ঘটনায় কোনো তদন্ত কমিটি গঠন বা জড়িতদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় না এনে একই কমিটির নেতৃত্বে রি-টেন্ডার করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেক ঠিকাদার। তারা বলছেন, রি-টেন্ডার করা হলেও দায়িত্বে থাকছেন অভিযুক্তরাই। ফলে আবারও একই ঘটনা ঘটার শঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি পাঁচটি দরপত্রের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ থাকলেও সবগুলোই বাতিল করা হয়েছে। এতে বৈধভাবে কাজ পাওয়া ঠিকাদাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন।
বাতিল হওয়া দরপত্রে কাজ পাওয়া ঠিকাদার সাদেকুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন কোনো দরপত্রে আবেদন করি তখন সেখানে আর্থিক ও মনস্তাত্বিক অনেক কন্ট্রিবিউশন থাকে। এটা বাতিল হওয়ায় আমরা উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তাই আমি মনে করি রুয়েট প্রশাসনের দরপত্রটি বাতিল করে রি-টেন্ডার করা যৌক্তিক হয়নি এবং খুবই অন্যায় হয়েছে।
বাতিল হওয়া দরপত্রে কাজ পাওয়া আরেক ঠিকাদার সোহেল রানা বলেন, দরপত্রে অংশ নিলে তা ক্রয় ও সিকিউরিটি বাবদ টাকা খরচ হয়। ফলে রুয়েটে দরপত্র বাতিল হওয়ায় আমরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এটা সঠিক। কিন্তু কর্তৃপক্ষ চাইলে দরপত্র বাতিল করতে পারে। বাতিলের কারণ জানতে চাইলে তারা বলতে বাধ্য।
দরপত্রে অংশ নেওয়া ঠিকাদার আমিনুর রহমান খান রুবেল বলেন, দরপত্র ফাঁসের শঙ্কাটা তারা নিজেরাও অনুধাবন করে বাতিল করেছে এটা একটা গুড সাইন। ডিক্টেটরশিপ না চালিয়ে লট ধরেই তা বাতিল করে দেয়াটা গুড সাইন। কর্তৃপক্ষ হয়তো ফেয়ার করতে চেয়েছিল কিন্তু ডিপার্টমেন্টের কারো জন্য হয়তো পারেনি। তাই সেটা বাতিল করে ভালো কিছু দেখালো।
রুয়েটের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরিচয় দিয়ে এসএমএস পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
দরপত্র বাতিল করে রি-টেন্ডার করার বিষয়ে জানতে রুয়েটের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. জগলুল শাদতের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দরপত্র মূল্যায়নে অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে টেন্ডারটি বাতিল করা হয়েছে।
দরপত্র বাতিলের বিষয়ে জানতে দরপত্র মূল্যায়নে অধিকতর যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দরপত্রের বিষয়ে মূল্যায়ন কমিটি যে সুপারিশ করেছি সেটা ঠিক আছে কিনা শুধু সেটাই আমাদের দেখার বিষয় ছিল।
সার্বিক বিষয়ে জানতে রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) প্রায় সোয়া ৫ কোটি টাকার রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার কাজের গোপনীয় প্রাক্কলিত দর নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদার আগেই জেনে যাওয়ার অভিযোগে ৮টি কাজের সেই দরপত্র বাতিল করে রি-টেন্ডার (পুনঃদরপত্র) করা হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার এই পদক্ষেপ নেয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, দরপত্র ফাঁসের ঘটনায় কোনো তদন্ত কমিটি গঠন বা জড়িতদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় না এনে একই কমিটির নেতৃত্বে রি-টেন্ডার করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেক ঠিকাদার। তারা বলছেন, রি-টেন্ডার করা হলেও দায়িত্বে থাকছেন অভিযুক্তরাই। ফলে আবারও একই ঘটনা ঘটার শঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি পাঁচটি দরপত্রের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ থাকলেও সবগুলোই বাতিল করা হয়েছে। এতে বৈধভাবে কাজ পাওয়া ঠিকাদাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন।
বাতিল হওয়া দরপত্রে কাজ পাওয়া ঠিকাদার সাদেকুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন কোনো দরপত্রে আবেদন করি তখন সেখানে আর্থিক ও মনস্তাত্বিক অনেক কন্ট্রিবিউশন থাকে। এটা বাতিল হওয়ায় আমরা উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তাই আমি মনে করি রুয়েট প্রশাসনের দরপত্রটি বাতিল করে রি-টেন্ডার করা যৌক্তিক হয়নি এবং খুবই অন্যায় হয়েছে।
বাতিল হওয়া দরপত্রে কাজ পাওয়া আরেক ঠিকাদার সোহেল রানা বলেন, দরপত্রে অংশ নিলে তা ক্রয় ও সিকিউরিটি বাবদ টাকা খরচ হয়। ফলে রুয়েটে দরপত্র বাতিল হওয়ায় আমরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এটা সঠিক। কিন্তু কর্তৃপক্ষ চাইলে দরপত্র বাতিল করতে পারে। বাতিলের কারণ জানতে চাইলে তারা বলতে বাধ্য।
দরপত্রে অংশ নেওয়া ঠিকাদার আমিনুর রহমান খান রুবেল বলেন, দরপত্র ফাঁসের শঙ্কাটা তারা নিজেরাও অনুধাবন করে বাতিল করেছে এটা একটা গুড সাইন। ডিক্টেটরশিপ না চালিয়ে লট ধরেই তা বাতিল করে দেয়াটা গুড সাইন। কর্তৃপক্ষ হয়তো ফেয়ার করতে চেয়েছিল কিন্তু ডিপার্টমেন্টের কারো জন্য হয়তো পারেনি। তাই সেটা বাতিল করে ভালো কিছু দেখালো।
রুয়েটের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরিচয় দিয়ে এসএমএস পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
দরপত্র বাতিল করে রি-টেন্ডার করার বিষয়ে জানতে রুয়েটের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. জগলুল শাদতের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দরপত্র মূল্যায়নে অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে টেন্ডারটি বাতিল করা হয়েছে।
দরপত্র বাতিলের বিষয়ে জানতে দরপত্র মূল্যায়নে অধিকতর যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দরপত্রের বিষয়ে মূল্যায়ন কমিটি যে সুপারিশ করেছি সেটা ঠিক আছে কিনা শুধু সেটাই আমাদের দেখার বিষয় ছিল।
সার্বিক বিষয়ে জানতে রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তার আসনে (ঢাকা-১৫) এ ‘ফুডপ্যাক’ বিতরণ করেন। জামায়াতের ফেসবুক পেজে শুরুতে বলা হয়েছিল, চীন এবং তাদের যৌথ উদ্যোগে এ উপহার বিতরণে করা হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সদরঘাট রিভার পুলিশের ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
১৪ ঘণ্টা আগে
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ মার্চ আন্দোলনবিরোধী ভূমিকা শনাক্ত করতে আল হাদিস বিভাগের জামাতপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক আকতার হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। লিখিত অভিযোগ, ভিডিওচিত্র ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কমিটি সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করলেও, সেই তথ্য-প্রমাণের গ্রহণযোগ্
১৪ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৮ মার্চ) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গোলাম রসুল শিহাব ও সাগর ফকির স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্র
১৫ ঘণ্টা আগে