
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পাসজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রোববার (১২ অক্টোবর) রাত থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এদিকে একই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়–২৪ ও মতিহার হলে যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ, প্রক্টরিয়াল বডি ও হল প্রশাসন। অভিযানে পাঁচজন অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তাঁদের সোমবারের মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসন।
আবাসিক হলে পুলিশের তল্লাশি অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকার তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে পুলিশের কাজ কী? যদি পুলিশের কাজ থাকে, তাহলে প্রভোস্টের দায়িত্ব কী?” তিনি এই তল্লাশিকে “শিক্ষার্থীদের জন্য অসম্মানজনক ও উদ্বেগজনক” বলে মন্তব্য করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “দুটি হলে যৌথ তল্লাশিতে মতিহার হলে তিনজন এবং বিজয়–২৪ হলে দুজন অনাবাসিক শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে। তাঁরা সংশ্লিষ্ট হলেরই ছাত্র। তবে সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হল ত্যাগের জন্য। শিক্ষার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করছেন, আগের তুলনায় হলে পরিস্থিতি অনেক ভালো।”
নির্বাচন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলোতে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।
উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব জানান, রাকসু ও অন্যান্য নির্বাচনের দিন সাদাপোশাক ও ইউনিফর্মধারী মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পাসজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রোববার (১২ অক্টোবর) রাত থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এদিকে একই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়–২৪ ও মতিহার হলে যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ, প্রক্টরিয়াল বডি ও হল প্রশাসন। অভিযানে পাঁচজন অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তাঁদের সোমবারের মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসন।
আবাসিক হলে পুলিশের তল্লাশি অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকার তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে পুলিশের কাজ কী? যদি পুলিশের কাজ থাকে, তাহলে প্রভোস্টের দায়িত্ব কী?” তিনি এই তল্লাশিকে “শিক্ষার্থীদের জন্য অসম্মানজনক ও উদ্বেগজনক” বলে মন্তব্য করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “দুটি হলে যৌথ তল্লাশিতে মতিহার হলে তিনজন এবং বিজয়–২৪ হলে দুজন অনাবাসিক শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে। তাঁরা সংশ্লিষ্ট হলেরই ছাত্র। তবে সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হল ত্যাগের জন্য। শিক্ষার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করছেন, আগের তুলনায় হলে পরিস্থিতি অনেক ভালো।”
নির্বাচন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলোতে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।
উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব জানান, রাকসু ও অন্যান্য নির্বাচনের দিন সাদাপোশাক ও ইউনিফর্মধারী মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হবে।

গত বছরের ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে এবং ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে। ২০১৩ সালে অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর পর এই কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত শেষ তারিখ ছিল চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি।
৬ ঘণ্টা আগে
এ ছাড়া মহিবুল হকের নামে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলা ও গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় ০৬টি দলিল মূলে ১.৭২ একর জমি, মহিবুল হকের মেয়ে মোশরেকা মৌমিতা হকের নামে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় ০.১২৪৩ একর জমি ও মহিবুল হকের স্ত্রী সৈয়দা আফরোজা বেগম নামে ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএস এলাকায় ২৭০০ স্কয়ার ফিট আয়তনের
৭ ঘণ্টা আগে
সরকারি তিতুমীর কলেজে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে অন্তত আটজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি টাকা এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য আরও এক কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
৮ ঘণ্টা আগে