
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু জ্বর। শুধু চলতি মে মাসেই ৬৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ১১ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন ডেঙ্গু রোগী। তবে এ সময় নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার সাতজন রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে সাতজন, বরিশালে দুইজন এবং খুলনা বিভাগের দুইজন রয়েছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট দুই হাজার ৮৫৩ জন। যাদের মধ্যে এক হাজার ৭২৫ জন পুরুষ (৬০ দশমিক ৫০ শতাংশ) এবং এক হাজার ১২৮ জন নারী (৩৯ দশমিক ৫০ শতাংশ)। এসময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ৭০৭ জন।
এদিকে মৃত ৩৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন (৪৭ দশমিক ২০ শতাংশ) এবং নারী ১৯ জন (৫২ দশমিক ৮০ শতাংশ)।
আর মাসভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৫ জন আক্রান্ত ও ১৪ জন মারা যায়। ফেব্রুয়ারিতে ৩৩৯ জন আক্রান্ত ও তিনজন মারা যায়। মার্চ মাসে ৩১১ জন আক্রান্ত ও পাঁচজন মারা যায়। এপ্রিলে ৫০৪ আক্রান্ত ও তিনজনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ মে মাসে ৬৪৪ আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন মারা গেছেন।
প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার আটজন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। গত বছর এক হাজার ৭০৫ জন মানুষ মশাবাহিত এই রোগে মারা গেছেন। যা দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
এর আগে, ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এছাড়া ২০২২ সালে মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা যান।

দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু জ্বর। শুধু চলতি মে মাসেই ৬৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ১১ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন ডেঙ্গু রোগী। তবে এ সময় নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার সাতজন রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে সাতজন, বরিশালে দুইজন এবং খুলনা বিভাগের দুইজন রয়েছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট দুই হাজার ৮৫৩ জন। যাদের মধ্যে এক হাজার ৭২৫ জন পুরুষ (৬০ দশমিক ৫০ শতাংশ) এবং এক হাজার ১২৮ জন নারী (৩৯ দশমিক ৫০ শতাংশ)। এসময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ৭০৭ জন।
এদিকে মৃত ৩৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন (৪৭ দশমিক ২০ শতাংশ) এবং নারী ১৯ জন (৫২ দশমিক ৮০ শতাংশ)।
আর মাসভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫৫ জন আক্রান্ত ও ১৪ জন মারা যায়। ফেব্রুয়ারিতে ৩৩৯ জন আক্রান্ত ও তিনজন মারা যায়। মার্চ মাসে ৩১১ জন আক্রান্ত ও পাঁচজন মারা যায়। এপ্রিলে ৫০৪ আক্রান্ত ও তিনজনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ মে মাসে ৬৪৪ আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন মারা গেছেন।
প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার আটজন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। গত বছর এক হাজার ৭০৫ জন মানুষ মশাবাহিত এই রোগে মারা গেছেন। যা দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
এর আগে, ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এছাড়া ২০২২ সালে মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা যান।

‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার এবং চট্টগ্রামের দোহাজারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে মাতামুহুরী নদী বান্দরবানের লামা পয়
৪ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত চলতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
৯ ঘণ্টা আগে