
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আজও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩০ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮ট পর্যন্ত করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩০ জন। আর তাতে করে দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসেবেই করোনাতে মোট শনাক্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৪৬ হাজার ৭৮৮ জন। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়দিনের মতো করোনাতে মৃত্যু হলো। এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি একজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টার মৃত্যু নিয়ে করোনাতে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হলো ২৯ হাজার ৪৮১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮৮৫টি। আর এতে রোগী শনাক্তের হার পাঁচ দশমিক ১৪ শতাংশ। দেশে এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক নয় শতাংশ।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, যে একজনের মৃত্যু হয়েছে তিনি নারী এবং তার বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের ভেতরে। তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের এবং তার মৃত্যু হয়েছে সরকারি হাসপাতালে। মৃত ব্যক্তি করোনার প্রতিষেধক টিকা নেননি।
দেশে গত ২০২০ সালের ৮ মার্চে তিনজন করোনাতে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ( আইইডিসিআর)। এর ঠিক ১০ দিন পর করোনাতে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যুর কথাও জানায় প্রতিষ্ঠান। এরপর থেকে করোনার ডেল্টা, ওমিক্রনের ঢেউ দেখেছে বাংলাদেশ।
গত কয়েকদিনে বিশ্বজুড়েই করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এর কারণ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনার অতিসংক্রমণশীল ওমিক্রনের উপধরণ জেএন.১ কে দায়ী করেছে।
জেএন.১ কে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (সিডিসি) জানায়, সেদেশে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের প্রায় ৬২ শতাংশের জন্য দায়ী জেএন.১ উপধরন। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি ছড়াচ্ছে জেএন.১ উপধরনটি। ইউরোপেও এর আধিপত্য দেখা গেছে। প্রকোপ বাড়ছে এশিয়াতেও।
পাশের দেশ ভারতে নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দেশেও বাড়তে শুরু করেছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শিগগিরই কোভিড প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশনা দিয়েছে।
অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স বিভাগের সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ফাইজারের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের প্রথম, দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজ (৩য়, ৪র্থ ডোজ) বিতরণ এবং প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। শিগগিরই কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
ভ্যাকসিন প্রদানের ক্ষেত্রে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, ৬০ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব) জনগোষ্ঠী ও গর্ভবতী নারীদের প্রাধান্য দেওয়া হবে বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আজও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩০ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮ট পর্যন্ত করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩০ জন। আর তাতে করে দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসেবেই করোনাতে মোট শনাক্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৪৬ হাজার ৭৮৮ জন। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়দিনের মতো করোনাতে মৃত্যু হলো। এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি একজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টার মৃত্যু নিয়ে করোনাতে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হলো ২৯ হাজার ৪৮১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮৮৫টি। আর এতে রোগী শনাক্তের হার পাঁচ দশমিক ১৪ শতাংশ। দেশে এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক নয় শতাংশ।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, যে একজনের মৃত্যু হয়েছে তিনি নারী এবং তার বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের ভেতরে। তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের এবং তার মৃত্যু হয়েছে সরকারি হাসপাতালে। মৃত ব্যক্তি করোনার প্রতিষেধক টিকা নেননি।
দেশে গত ২০২০ সালের ৮ মার্চে তিনজন করোনাতে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ( আইইডিসিআর)। এর ঠিক ১০ দিন পর করোনাতে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যুর কথাও জানায় প্রতিষ্ঠান। এরপর থেকে করোনার ডেল্টা, ওমিক্রনের ঢেউ দেখেছে বাংলাদেশ।
গত কয়েকদিনে বিশ্বজুড়েই করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এর কারণ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনার অতিসংক্রমণশীল ওমিক্রনের উপধরণ জেএন.১ কে দায়ী করেছে।
জেএন.১ কে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (সিডিসি) জানায়, সেদেশে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের প্রায় ৬২ শতাংশের জন্য দায়ী জেএন.১ উপধরন। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি ছড়াচ্ছে জেএন.১ উপধরনটি। ইউরোপেও এর আধিপত্য দেখা গেছে। প্রকোপ বাড়ছে এশিয়াতেও।
পাশের দেশ ভারতে নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দেশেও বাড়তে শুরু করেছে আক্রান্তের সংখ্যা। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শিগগিরই কোভিড প্রতিরোধী টিকা কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশনা দিয়েছে।
অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স বিভাগের সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ফাইজারের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের প্রথম, দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজ (৩য়, ৪র্থ ডোজ) বিতরণ এবং প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। শিগগিরই কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
ভ্যাকসিন প্রদানের ক্ষেত্রে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, ৬০ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব) জনগোষ্ঠী ও গর্ভবতী নারীদের প্রাধান্য দেওয়া হবে বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় রিপোর্টের ভিত্তিতে গতকাল তাদের ৭ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে এসব অঞ্চলে বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি টর্নেডো দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রে। তবে বাংলাদেশও টর্নেডোপ্রবণ দেশগুলোর একটি। বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী টর্নেডোর ঘটনাও ঘটেছে বাংলাদেশে। ১৯৮৯ সালের ২৬ এপ্রিল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর ও সাটুরিয়া উপজেলায় এই ভয়াবহ টর্নেডো আঘাত হানে, যা ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ টর্নেডো হিসেবে স্বীকৃত।
২০ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, গ্রামে মাসে ৭৫ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। এ কারণে যারা মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। প্রান্তিক মানুষ যাতে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
১ দিন আগে