
বরিশাল প্রতিনিধি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিসহ অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি) করা হয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলামকে। পরবর্তী দুই কর্মদিবসের মধ্যে তাকে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (০৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ পার-২ শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. আবু রায়হান দোলন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ডা. সাইফুল ইসলামকে ওএসডির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তা অবিলম্বে আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব তার পরবর্তী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তরপূর্বক আগামী ২ কর্মদিবসের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় তৃতীয় কর্মদিবসে বর্তমান কর্মস্থল (শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতাল) থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি মর্মে গণ্য হবেন।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর শেবাচিম হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির ঘটনায় আলোচিত ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম। ওইদিন একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষরও করেন তিনি। এরপর থেকেই কর্মস্থলে ছিলেন না ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বর পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষরের পর পুনরায় ছুটির আবেদন করেন তিনি। ছুটি শেষ না হতেই তাকে ওএসডি করা হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে।
যদিও ওএসডি হওয়ার বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করে ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ছুটিতে আছি। এখন পর্যন্ত ওএসডির কোনো আদেশ আমি পাইনি, এমনকি এ বিষয়টি জানিও না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।
ওএসডির বিষয়টি স্বীকার করে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন বলেন, পরিচালকের ওএসডির চিঠি পেয়েছি। নতুন করে পরিচালক পদে কাউকে দেওয়া হয়নি। আপাতত আমাকেই ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য বলা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র শেবাচিম হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের জায়গা সংকট। এর মধ্যে ওএসডি হওয়া পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম নিজ ভাইয়ের চাকরির জন্য বেসরকারি একটি ব্যাংককে অনিয়মের মাধ্যমে হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলার অর্ধেকাংশ বরাদ্দ দিয়ে দেন। অথচ হাসপাতালের সরকারি কোনো কর্মচারীর বেতন বা লেনদেন সেই ব্যাংকে হয় না। চুক্তিভিত্তিক নেওয়া কিছু কর্মচারীর বেতন সেখানে দেওয়ার কথা থাকলেও, সেই নিয়োগেও অনিয়ম করা হয়।
ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম গত কয়েক বছরে চুক্তিভিত্তিক যাদের নিয়োগ দিয়েছেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগের বাড়িই তার নিজ উপজেলা বরিশালের আগৈলঝাড়ায়। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে এ মেডিকেলে এলেও, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, সাবেক সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত ও সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারীদের বিভিন্ন ধরনের কাজে সম্পৃক্ত রেখে সিন্ডিকেট বানিয়ে নিজের চেয়ার শক্ত রেখেছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিসহ অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি) করা হয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলামকে। পরবর্তী দুই কর্মদিবসের মধ্যে তাকে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (০৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ পার-২ শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. আবু রায়হান দোলন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ডা. সাইফুল ইসলামকে ওএসডির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তা অবিলম্বে আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব তার পরবর্তী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তরপূর্বক আগামী ২ কর্মদিবসের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় তৃতীয় কর্মদিবসে বর্তমান কর্মস্থল (শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতাল) থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি মর্মে গণ্য হবেন।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর শেবাচিম হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির ঘটনায় আলোচিত ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম। ওইদিন একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষরও করেন তিনি। এরপর থেকেই কর্মস্থলে ছিলেন না ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বর পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষরের পর পুনরায় ছুটির আবেদন করেন তিনি। ছুটি শেষ না হতেই তাকে ওএসডি করা হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে।
যদিও ওএসডি হওয়ার বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করে ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ছুটিতে আছি। এখন পর্যন্ত ওএসডির কোনো আদেশ আমি পাইনি, এমনকি এ বিষয়টি জানিও না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।
ওএসডির বিষয়টি স্বীকার করে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন বলেন, পরিচালকের ওএসডির চিঠি পেয়েছি। নতুন করে পরিচালক পদে কাউকে দেওয়া হয়নি। আপাতত আমাকেই ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য বলা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র শেবাচিম হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের জায়গা সংকট। এর মধ্যে ওএসডি হওয়া পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম নিজ ভাইয়ের চাকরির জন্য বেসরকারি একটি ব্যাংককে অনিয়মের মাধ্যমে হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলার অর্ধেকাংশ বরাদ্দ দিয়ে দেন। অথচ হাসপাতালের সরকারি কোনো কর্মচারীর বেতন বা লেনদেন সেই ব্যাংকে হয় না। চুক্তিভিত্তিক নেওয়া কিছু কর্মচারীর বেতন সেখানে দেওয়ার কথা থাকলেও, সেই নিয়োগেও অনিয়ম করা হয়।
ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম গত কয়েক বছরে চুক্তিভিত্তিক যাদের নিয়োগ দিয়েছেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগের বাড়িই তার নিজ উপজেলা বরিশালের আগৈলঝাড়ায়। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে এ মেডিকেলে এলেও, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, সাবেক সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত ও সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারীদের বিভিন্ন ধরনের কাজে সম্পৃক্ত রেখে সিন্ডিকেট বানিয়ে নিজের চেয়ার শক্ত রেখেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেছেন, ‘এই বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এই বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাদের তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে, এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়।’
৪ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শেষে আজ আশিকা সুলতানাকে আদালতে হাজির করে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসাইন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
৫ ঘণ্টা আগে