
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্ব এইডস দিবস আজ (০১ ডিসেম্বর)। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘অধিকার নিশ্চিত হলে, এইচআইভি/এইডস যাবে চলে’।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নতুন করে রোগটিতে সংক্রমিত হয়েছেন এক হাজার ৪৩৮ জন। তাদের ৪২ শতাংশ সমকামী, ২৪ শতাংশ সাধারণ মানুষ ও ১০ শতাংশ রোহিঙ্গা। এ ছাড়া প্রবাসী শ্রমিক, যৌনকর্মী, মাদকসেবী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ রয়েছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ৪০৬ জন, চট্টগ্রামে ৩২৬, খুলনায় ১৫৪, রাজশাহীতে ১৪৭ এবং অন্যান্য বিভাগে ৪৪ থেকে ৮৬ জন পর্যন্ত। এ রোগীদের ৬৩ শতাংশই ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী, ২১ শতাংশের বয়স ২০ থেকে ২৪ বছর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এইডস আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯৫ জনের। এর মধ্যে পুরুষ ৭৭ শতাংশ, নারী ২২ শতাংশ ও হিজড়া ১ শতাংশ । মৃতদের মধ্যে বেশির ভাগই ষাটোর্ধ্ব।
বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছিল ১৯৮৯ সালে। দেশে ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত শনাক্ত হয় ১২ হাজার ৪২২ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছে দুই হাজার ২৮১ জন।
চলতি বছর যতজন এইডসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশই বিবাহিত। আর অবিবাহিত রয়েছেন ৪০ শতাংশ। বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত রয়েছেন ৫ শতাংশ। গত বছর বিবাহিতদের মধ্যে সংক্রমণের হার ছিল ৬০ শতাংশ। আর অবিবাহিতদের মধ্যে তা ছিল ৩১ শতাংশ।
গত বছর এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২৬৬। এবার এ সংখ্যা ১৯৫। মৃত্যুর সংখ্যা কমে গেলেও তা এখনো শঙ্কাজনক পর্যায়ে আছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা।
ইউএনএইডসের অনুমিত হিসাবে দেশে এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা ১৪ হাজার। সংক্রমিত ব্যক্তির তুলনায় শনাক্তের হার ৮৮ দশমিক ৭২ শতাংশ।
সংক্রমিত সাত হাজার ৫০০ মানুষকে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এখনো প্রায় দুই হাজার সংক্রমিত ব্যক্তি চিকিৎসার বাইরে রয়ে গেছে। তাদের ঝুঁকি অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপসের মাধমে দেশের সমকামী ব্যক্তিরা একজন অন্যজনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। পরে দেখা-সাক্ষাতের মাধ্যমে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন। এদের এইডস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
জাতীয় সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. শ্রীবাস পাল বলেন, ১০ বছর আগে এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা দুই গ্রুপের মধ্যে বেশি ছিল। এক হচ্ছে যৌনকর্মী, আর দ্বিতীয় হচ্ছে যারা যৌনকর্মীর সেবা নিতেন। কিন্তু গত দু-তিন বছরে আমাদের এখানে সমকামী পুরুষের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

বিশ্ব এইডস দিবস আজ (০১ ডিসেম্বর)। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘অধিকার নিশ্চিত হলে, এইচআইভি/এইডস যাবে চলে’।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নতুন করে রোগটিতে সংক্রমিত হয়েছেন এক হাজার ৪৩৮ জন। তাদের ৪২ শতাংশ সমকামী, ২৪ শতাংশ সাধারণ মানুষ ও ১০ শতাংশ রোহিঙ্গা। এ ছাড়া প্রবাসী শ্রমিক, যৌনকর্মী, মাদকসেবী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ রয়েছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ৪০৬ জন, চট্টগ্রামে ৩২৬, খুলনায় ১৫৪, রাজশাহীতে ১৪৭ এবং অন্যান্য বিভাগে ৪৪ থেকে ৮৬ জন পর্যন্ত। এ রোগীদের ৬৩ শতাংশই ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী, ২১ শতাংশের বয়স ২০ থেকে ২৪ বছর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এইডস আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯৫ জনের। এর মধ্যে পুরুষ ৭৭ শতাংশ, নারী ২২ শতাংশ ও হিজড়া ১ শতাংশ । মৃতদের মধ্যে বেশির ভাগই ষাটোর্ধ্ব।
বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছিল ১৯৮৯ সালে। দেশে ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত শনাক্ত হয় ১২ হাজার ৪২২ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছে দুই হাজার ২৮১ জন।
চলতি বছর যতজন এইডসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশই বিবাহিত। আর অবিবাহিত রয়েছেন ৪০ শতাংশ। বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত রয়েছেন ৫ শতাংশ। গত বছর বিবাহিতদের মধ্যে সংক্রমণের হার ছিল ৬০ শতাংশ। আর অবিবাহিতদের মধ্যে তা ছিল ৩১ শতাংশ।
গত বছর এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২৬৬। এবার এ সংখ্যা ১৯৫। মৃত্যুর সংখ্যা কমে গেলেও তা এখনো শঙ্কাজনক পর্যায়ে আছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা।
ইউএনএইডসের অনুমিত হিসাবে দেশে এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা ১৪ হাজার। সংক্রমিত ব্যক্তির তুলনায় শনাক্তের হার ৮৮ দশমিক ৭২ শতাংশ।
সংক্রমিত সাত হাজার ৫০০ মানুষকে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এখনো প্রায় দুই হাজার সংক্রমিত ব্যক্তি চিকিৎসার বাইরে রয়ে গেছে। তাদের ঝুঁকি অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপসের মাধমে দেশের সমকামী ব্যক্তিরা একজন অন্যজনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। পরে দেখা-সাক্ষাতের মাধ্যমে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন। এদের এইডস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
জাতীয় সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. শ্রীবাস পাল বলেন, ১০ বছর আগে এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা দুই গ্রুপের মধ্যে বেশি ছিল। এক হচ্ছে যৌনকর্মী, আর দ্বিতীয় হচ্ছে যারা যৌনকর্মীর সেবা নিতেন। কিন্তু গত দু-তিন বছরে আমাদের এখানে সমকামী পুরুষের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২৯৯ আসনে সংসদ নির্বাচন হয়। এতে ২৯৭ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়। বিএনপি ২০৯ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে তাদের এক সময়কার মিত্র জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যপক মুহাম্মদ ইউনূস আগের পেশায় ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছেন তার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করায় বিএনপি ও দলটির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমন-পীড়নের ঘটনা পর্যবেক্ষক দল প্রত্যক্ষ করেনি বলে জানিয়েছে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল।
১৮ ঘণ্টা আগে