
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো শিক্ষার্থী সংকটে রয়েছে। এর কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অটোমেশন পদ্ধতিকে দায়ী করা হচ্ছে।
শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিপিএমসিএ আয়োজিত ‘বেসরকারি স্বাস্থ্য শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ভর্তি প্রক্রিয়ায় চলমান শিক্ষার্থী সংকটের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ নিয়ে কথা বলেন সংশ্লিষ্টরা।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন ( বিপিএমসিএ)- বলছে, আগামী পাঁচ জুন এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু কলেজগুলোতে এক হাজারের বেশি আসন খালি আছে। এ উপলক্ষ্যেই কলেজমালিক সংগঠন সভা ডাকে।
সভায় বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মালিকরা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পদ্ধতিগত ভুলের কারণে বেসরকারি মেডিকেলগুলোতে ভর্তিতে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। অটোমেশনের নামে বেসরকারি মেডিকেল সেক্টর ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে। এসব কারণে চলতি বছরে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুরোতে এক হাজার ২০০ সিট খালি রয়েছে আর গত দুই বছরে ২০ শতাংশের বেশি সিট খালি ছিল।
এমনকি দরিদ্র ও মেধাবী কোটাতেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে এখানে। অটোমেশনের কারণে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হওয়ায় ভর্তি-ইচ্ছুকেরা পছন্দের কলেজে ভর্তি না হতে পারার কারণে একদিকে যেমন দেশি শিক্ষার্থী পাচ্ছে না, তেমনি একই কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে গেছে।
যদিও সভায় মন্ত্রণালয় এতে ভিন্নমত পোষণ করেছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা বলেছেন, যেসব বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ভালো, তাদের শিক্ষার্থীর অভাব নেই, আসন খালি নেই। বাজারে যাদের সুনাম নেই, তারা শিক্ষার্থী পাচ্ছে না। মেডিকেল শিক্ষার মান ঠিক রাখতে হলে কঠোর ভর্তিপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তা শুরু করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘এটি খতিয়ে দেখতে হবে। অটোমেশন নতুন কিছু নয়। এটি আগেও ছিল। আমি নিজে ঢাকা মেডিকেলে আবেদন করতে পারিনি। কারণ আমার রেজাল্ট কিছুটা কম ছিল।’
ডা. রোকেয়া সুলতানা বলেন, ‘আমাদের মেট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েটর রেজাল্টের ওপর ভিত্তি করে ভাইবা হতো। তাই শুধু অটোমেশনের জন্য শিক্ষার্থী আসছে না, তা হতে পারে না। এর অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আমি তাদের ঘাটতিগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য কাজ করার পরামর্শ দেব।’
আর এজন্য তিনি বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর মানোন্নয়নের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘বেসরকারিতে মানুষ কোয়ালিটি চিন্তা করে। কারণ তারা এখানে অর্থ ব্যয় করছে। কোয়ালিটি মেইনটেইন না হলে কাজ করার প্রয়োজন নেই। সেটা যে সেক্টরেই হোক না কেন। এই কোয়ালিটি আমি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক দুই ক্ষেত্রেই চাই।’
একটি মেডিকেল কলেজ করতে হলে আগে হাসপাতাল তৈরি করতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হাসপাতাল তৈরি করতে হবে। সেখানে ভর্তি থাকা রোগীরা হলেন শিক্ষার্থীদের শেখার ল্যাবরেটরি। হাসপাতাল ঠিকমতো রান করলে পরে মেডিকেল কলেজের অনুমতি হওয়া উচিত। যাদের পড়াবো তারা মানসম্মত চিকিৎসক তৈরি হবে কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে।
সভায় বেসরকারি মেডিকেল শিক্ষায় নানা সমস্যা ও করণীয় নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এম আব্দুল মোমেন, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রতিনিধি, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি মেডিকেল মালিক ও সাংবাদিকরা।
এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘হাসপাতালের ওপর রোগীর আস্থা বাড়াতে হবে এবং প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে। প্রতিযোগিতার মধ্যে মান উন্নয়ন হবে। মান সম্পন্ন চিকিৎসক যাতে কাজ করতে পারেন সেটি দেখবেন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের মালিকরা, মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে তাদের সহায়তা করতে পারে।’
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন বিপিএমসিএর সেক্রেটারি এম এ মুবিন খান।

দেশের বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো শিক্ষার্থী সংকটে রয়েছে। এর কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অটোমেশন পদ্ধতিকে দায়ী করা হচ্ছে।
শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিপিএমসিএ আয়োজিত ‘বেসরকারি স্বাস্থ্য শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ভর্তি প্রক্রিয়ায় চলমান শিক্ষার্থী সংকটের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ নিয়ে কথা বলেন সংশ্লিষ্টরা।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন ( বিপিএমসিএ)- বলছে, আগামী পাঁচ জুন এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু কলেজগুলোতে এক হাজারের বেশি আসন খালি আছে। এ উপলক্ষ্যেই কলেজমালিক সংগঠন সভা ডাকে।
সভায় বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মালিকরা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পদ্ধতিগত ভুলের কারণে বেসরকারি মেডিকেলগুলোতে ভর্তিতে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। অটোমেশনের নামে বেসরকারি মেডিকেল সেক্টর ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে। এসব কারণে চলতি বছরে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুরোতে এক হাজার ২০০ সিট খালি রয়েছে আর গত দুই বছরে ২০ শতাংশের বেশি সিট খালি ছিল।
এমনকি দরিদ্র ও মেধাবী কোটাতেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে এখানে। অটোমেশনের কারণে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হওয়ায় ভর্তি-ইচ্ছুকেরা পছন্দের কলেজে ভর্তি না হতে পারার কারণে একদিকে যেমন দেশি শিক্ষার্থী পাচ্ছে না, তেমনি একই কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে গেছে।
যদিও সভায় মন্ত্রণালয় এতে ভিন্নমত পোষণ করেছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা বলেছেন, যেসব বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ভালো, তাদের শিক্ষার্থীর অভাব নেই, আসন খালি নেই। বাজারে যাদের সুনাম নেই, তারা শিক্ষার্থী পাচ্ছে না। মেডিকেল শিক্ষার মান ঠিক রাখতে হলে কঠোর ভর্তিপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তা শুরু করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘এটি খতিয়ে দেখতে হবে। অটোমেশন নতুন কিছু নয়। এটি আগেও ছিল। আমি নিজে ঢাকা মেডিকেলে আবেদন করতে পারিনি। কারণ আমার রেজাল্ট কিছুটা কম ছিল।’
ডা. রোকেয়া সুলতানা বলেন, ‘আমাদের মেট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েটর রেজাল্টের ওপর ভিত্তি করে ভাইবা হতো। তাই শুধু অটোমেশনের জন্য শিক্ষার্থী আসছে না, তা হতে পারে না। এর অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আমি তাদের ঘাটতিগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য কাজ করার পরামর্শ দেব।’
আর এজন্য তিনি বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর মানোন্নয়নের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘বেসরকারিতে মানুষ কোয়ালিটি চিন্তা করে। কারণ তারা এখানে অর্থ ব্যয় করছে। কোয়ালিটি মেইনটেইন না হলে কাজ করার প্রয়োজন নেই। সেটা যে সেক্টরেই হোক না কেন। এই কোয়ালিটি আমি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক দুই ক্ষেত্রেই চাই।’
একটি মেডিকেল কলেজ করতে হলে আগে হাসপাতাল তৈরি করতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হাসপাতাল তৈরি করতে হবে। সেখানে ভর্তি থাকা রোগীরা হলেন শিক্ষার্থীদের শেখার ল্যাবরেটরি। হাসপাতাল ঠিকমতো রান করলে পরে মেডিকেল কলেজের অনুমতি হওয়া উচিত। যাদের পড়াবো তারা মানসম্মত চিকিৎসক তৈরি হবে কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে।
সভায় বেসরকারি মেডিকেল শিক্ষায় নানা সমস্যা ও করণীয় নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এম আব্দুল মোমেন, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রতিনিধি, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি মেডিকেল মালিক ও সাংবাদিকরা।
এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘হাসপাতালের ওপর রোগীর আস্থা বাড়াতে হবে এবং প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে। প্রতিযোগিতার মধ্যে মান উন্নয়ন হবে। মান সম্পন্ন চিকিৎসক যাতে কাজ করতে পারেন সেটি দেখবেন বেসরকারি মেডিকেল কলেজের মালিকরা, মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে তাদের সহায়তা করতে পারে।’
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন বিপিএমসিএর সেক্রেটারি এম এ মুবিন খান।

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান
৭ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল (শনিবার, ১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) এক বাণীতে এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
৮ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০১ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে