
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গদ ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তরপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবি করেছে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি। সোমবার তদন্ত কমিটি এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত প্রতিবেদনটি তুলে ধরে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক কাজী আফজালুর রহমানের নেতৃত্বে এ ঘটনায় তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে সদস্যসচিব করা হয় অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। কমিটির অন্য দুই সদস্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের থোরাসিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আলম ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. কামাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটা মিঞা জানান, ওই পরীক্ষার্থীর অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, ‘অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর অভিযোগ অনুযায়ী রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র (শেখ কামাল ভবন, অষ্টম তলা) আমাদের তদন্ত কমিটি পরিদর্শন করেছে। তারা শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেছে। সবমিলিয়ে আমরা জানতে পেরেছি, পরীক্ষার দিন ওএমআর শিট ছেঁড়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। ওই ছাত্রীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
প্রসঙ্গত, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর দুইদিন পর ফলাফল ঘোষণার দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর উপস্থিতিতে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী তার অভিযোগ দেন। তিনি সেখানে বলেন, সে পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র ছিল রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮২৩ নম্বর কক্ষে। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় আরেক শিক্ষার্থী ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করছে সন্দেহে একজন পর্যবেক্ষক ওই শিক্ষার্থীসহ তিনজনের ওএমআর (উত্তরপত্র) শিট ছিঁড়ে ফেলেন। পরে পর্যবেক্ষক তাঁর ভুল বুঝতে পেরে তাকে নতুন ওএমআর শিট দেন। কিন্তু ততোক্ষণে পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে, বাকি মাত্র পাঁচ মিনিট। আর অনেক অনুরোধ করার পরও সে পরীক্ষার্থীদের সময় বাড়ানো হয়নি।
অভিযোগে যার বিরুদ্ধে, সেই চিকিৎসক ডা. নাফিসা ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অভিযোগকারী পরীক্ষার্থী যে লাইনের সিটে ছিলেন, সেই লাইনে তার ডিউটিই ছিল না। তাই অভিযোগকারীর ওএমআর শিটে তার সাক্ষরও নেই।
তিনি আরও বলেন, সেদিন খুবই স্বাভাবিক পরিবেশে পরীক্ষা হয়েছে। ওএমআর শিট ছেঁড়াতো দূরের কথা, কোনও অস্বাভাবিক ঘটনাও ঘটেনি। বরং এ ঘটনায় বিচলিত তিনি।
তিনি জানান, সে কক্ষে ১০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে দুইজন অনুপস্থিত ছিলেন, বাকিদের সবার খাতা গুণে তারা পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। এখানে কারও ভুল হলেতো ওএমআর শিটটা বদলাতে হবে, সেটাওতো হয়নি।
হলে কোনও ডিভাইস পাওয়া গেলে হল সুপার কন্ট্রোল রুমকে জানান, পুরো ভ্যেনুতেই জানাজানি হয়। কিন্তু এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, আমরা দুজন নারী সেখানে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার সাইডে কিন্তু অভিযোগকারীর রোলও পরেনি, তার খাতায়তো আমার সাইনও থাকার কথা না।
আর অভিযোগকারী পরীক্ষার্থীর বাবা মো. মাসুদ রানা বলেন, আমরাতো শুরু থেকেই জানতম তদন্ত প্রতিবেদন এ রকম হবে।
তারাতো শুরু থেকেই এ ধরনের কথা বলে আসছেন, রিপোর্ট যে এমন হবে, সেটাতো জানা কথা। তাই আমরা এ প্রতিবেদন প্রত্যাখান করছি, বলেন মাসুদ রানা।

গদ ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তরপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবি করেছে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি। সোমবার তদন্ত কমিটি এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত প্রতিবেদনটি তুলে ধরে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক কাজী আফজালুর রহমানের নেতৃত্বে এ ঘটনায় তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে সদস্যসচিব করা হয় অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। কমিটির অন্য দুই সদস্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের থোরাসিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আলম ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. কামাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটা মিঞা জানান, ওই পরীক্ষার্থীর অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, ‘অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর অভিযোগ অনুযায়ী রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র (শেখ কামাল ভবন, অষ্টম তলা) আমাদের তদন্ত কমিটি পরিদর্শন করেছে। তারা শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেছে। সবমিলিয়ে আমরা জানতে পেরেছি, পরীক্ষার দিন ওএমআর শিট ছেঁড়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। ওই ছাত্রীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
প্রসঙ্গত, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর দুইদিন পর ফলাফল ঘোষণার দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর উপস্থিতিতে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী তার অভিযোগ দেন। তিনি সেখানে বলেন, সে পরীক্ষার্থীর কেন্দ্র ছিল রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮২৩ নম্বর কক্ষে। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষায় আরেক শিক্ষার্থী ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করছে সন্দেহে একজন পর্যবেক্ষক ওই শিক্ষার্থীসহ তিনজনের ওএমআর (উত্তরপত্র) শিট ছিঁড়ে ফেলেন। পরে পর্যবেক্ষক তাঁর ভুল বুঝতে পেরে তাকে নতুন ওএমআর শিট দেন। কিন্তু ততোক্ষণে পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে, বাকি মাত্র পাঁচ মিনিট। আর অনেক অনুরোধ করার পরও সে পরীক্ষার্থীদের সময় বাড়ানো হয়নি।
অভিযোগে যার বিরুদ্ধে, সেই চিকিৎসক ডা. নাফিসা ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অভিযোগকারী পরীক্ষার্থী যে লাইনের সিটে ছিলেন, সেই লাইনে তার ডিউটিই ছিল না। তাই অভিযোগকারীর ওএমআর শিটে তার সাক্ষরও নেই।
তিনি আরও বলেন, সেদিন খুবই স্বাভাবিক পরিবেশে পরীক্ষা হয়েছে। ওএমআর শিট ছেঁড়াতো দূরের কথা, কোনও অস্বাভাবিক ঘটনাও ঘটেনি। বরং এ ঘটনায় বিচলিত তিনি।
তিনি জানান, সে কক্ষে ১০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে দুইজন অনুপস্থিত ছিলেন, বাকিদের সবার খাতা গুণে তারা পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। এখানে কারও ভুল হলেতো ওএমআর শিটটা বদলাতে হবে, সেটাওতো হয়নি।
হলে কোনও ডিভাইস পাওয়া গেলে হল সুপার কন্ট্রোল রুমকে জানান, পুরো ভ্যেনুতেই জানাজানি হয়। কিন্তু এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, আমরা দুজন নারী সেখানে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার সাইডে কিন্তু অভিযোগকারীর রোলও পরেনি, তার খাতায়তো আমার সাইনও থাকার কথা না।
আর অভিযোগকারী পরীক্ষার্থীর বাবা মো. মাসুদ রানা বলেন, আমরাতো শুরু থেকেই জানতম তদন্ত প্রতিবেদন এ রকম হবে।
তারাতো শুরু থেকেই এ ধরনের কথা বলে আসছেন, রিপোর্ট যে এমন হবে, সেটাতো জানা কথা। তাই আমরা এ প্রতিবেদন প্রত্যাখান করছি, বলেন মাসুদ রানা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
১২ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
১৬ ঘণ্টা আগে