
ডা. তুষার মাহমুদ

কপিক্যাট সুইসাইড মানে একটি আত্মহত্যার ঘটনা শুনে তার মতো অবিকল আত্মঘাতী হওয়া। অর্থাৎ একজনের আত্মহত্যা যখন আরেকজনকে আত্মহনন করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা অনুপ্রাণিত করে, তখন সেটাকেই সংক্রমিত আত্মহত্যা বা কপিক্যাট সুইসাইড বলে ।
বিশ্বের খুব অল্প সংখ্যক দেশের মতো বাংলাদেশেও আত্মহত্যাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৩০৯ ধারায় আত্মহত্যা চেষ্টার সাজা এক বছর কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

পবিত্র রমজান মাসে শারীরিক স্বাস্থ্যের মতো আমাদের মনের স্বাস্থ্যেরও যথাযথ, পর্যাপ্ত যত্ন নিতে হয়। রমজান মাসে ইবাদতে অনেক বেশি মনোনিবেশ করার পরেও বিভিন্ন রকম আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের ফলে অনেকের মধ্যে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা লক্ষ্য করা যায়।
মনে রাখা দরকার, বিষণ্ণতা রোগ শুধু ব্যক্তিগত দুর্বলতার লক্ষণ নয়। শারীরিক কষ্টের কাছে কখনো কখনো আমরা হেরে যাই এটা প্রাকৃতিক। কিন্তু মানসিক সমস্যার কারণ ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলালের লেখা থেকে জানা যায়, যাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা রয়েছে তারা তাদের বন্ধু-বান্ধব বা কাছের মানুষকে কোনো না কোনোভাবে কিছু ইঙ্গিত দিয়ে থাকেন।

ডা. হেলালের লেখার অংশবিশেষ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যু আর আত্মহত্যা নিয়ে নিজের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে। আড্ডায় কথায় কথায় মরে যাওয়ার কথা বলে।পরীক্ষায় অকৃতকার্যতা, প্রেমে ব্যর্থতা বা নিকটজনের আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারে না। আত্মহত্যা বা মৃত্যুবিষয়ক কবিতা–গান লেখে, শোনে বা পড়ে।
নিজের ক্ষতি করে। প্রায়ই নিজের হাত-পা কেটে ক্ষতবিক্ষত করা, বেশি বেশি ঘুমের ওষুধ খাওয়া। মনমরা থাকা, সব কাজে নিরুৎসাহ, নিজেকে দোষী ভাবা। নিজেকে গুটিয়ে রাখা, সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকা। পড়ালেখা, খেলাধুলা, শখের বিষয় থেকে নিজে দূরে থাকা। এগুলো বিষণ্নতার লক্ষণ, যা থেকে আত্মহত্যা ঘটে।
এ ধরনের লক্ষণ কারও মধ্যে থাকলে তাকে পাশে থেকে মনঃসামাজিক সহায়তা দিতে হবে, তাকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ মৃত্যুর কথা বললে সবাই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল করে, যা মোটেও ঠিক নয়। বরং তার কথায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

একটি বড় ভুল ধারণা প্রচলিত আছে, যারা মৃত্যুর কথা বলে, তারা আত্মহত্যা করে না। অথচ সত্য হচ্ছে, তাদের মধ্যেই আত্মহত্যার ঝুঁকি অনেক বেশি। তাই প্রতিটি মৃত্যু ইচ্ছাকে আত্মহত্যার ইঙ্গিত হিসেবে ধরে নিতে হবে। এ সময় বন্ধু হয়ে তাদের পাশে থাকতে হবে।
প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট নিজের মনের যত্ন নিতে হবে। পজিটিভ চিন্তা করতে হবে সব নেগেটিভ এর মাঝখান থেকে। খুবই ছোট হলেও মন ভালো করে দেয়, এরকম কোনো ভালো কাজ করতে হবে। কেউ ভালো না বললেও নিজেকে নিজে ভালো বলতে পারি, এমন ছোট কাজ করার চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিন। লেখায় ব্যবহার করা ছবিগুলোর মতই সুন্দর ও রঙিন হোক সবার জীবন।
তুষার মাহমুদ : চিকিৎসক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। স্পোর্টস স্পেশালিস্ট চিকিৎসক।

কপিক্যাট সুইসাইড মানে একটি আত্মহত্যার ঘটনা শুনে তার মতো অবিকল আত্মঘাতী হওয়া। অর্থাৎ একজনের আত্মহত্যা যখন আরেকজনকে আত্মহনন করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা অনুপ্রাণিত করে, তখন সেটাকেই সংক্রমিত আত্মহত্যা বা কপিক্যাট সুইসাইড বলে ।
বিশ্বের খুব অল্প সংখ্যক দেশের মতো বাংলাদেশেও আত্মহত্যাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৩০৯ ধারায় আত্মহত্যা চেষ্টার সাজা এক বছর কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

পবিত্র রমজান মাসে শারীরিক স্বাস্থ্যের মতো আমাদের মনের স্বাস্থ্যেরও যথাযথ, পর্যাপ্ত যত্ন নিতে হয়। রমজান মাসে ইবাদতে অনেক বেশি মনোনিবেশ করার পরেও বিভিন্ন রকম আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের ফলে অনেকের মধ্যে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা লক্ষ্য করা যায়।
মনে রাখা দরকার, বিষণ্ণতা রোগ শুধু ব্যক্তিগত দুর্বলতার লক্ষণ নয়। শারীরিক কষ্টের কাছে কখনো কখনো আমরা হেরে যাই এটা প্রাকৃতিক। কিন্তু মানসিক সমস্যার কারণ ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলালের লেখা থেকে জানা যায়, যাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা রয়েছে তারা তাদের বন্ধু-বান্ধব বা কাছের মানুষকে কোনো না কোনোভাবে কিছু ইঙ্গিত দিয়ে থাকেন।

ডা. হেলালের লেখার অংশবিশেষ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যু আর আত্মহত্যা নিয়ে নিজের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে। আড্ডায় কথায় কথায় মরে যাওয়ার কথা বলে।পরীক্ষায় অকৃতকার্যতা, প্রেমে ব্যর্থতা বা নিকটজনের আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারে না। আত্মহত্যা বা মৃত্যুবিষয়ক কবিতা–গান লেখে, শোনে বা পড়ে।
নিজের ক্ষতি করে। প্রায়ই নিজের হাত-পা কেটে ক্ষতবিক্ষত করা, বেশি বেশি ঘুমের ওষুধ খাওয়া। মনমরা থাকা, সব কাজে নিরুৎসাহ, নিজেকে দোষী ভাবা। নিজেকে গুটিয়ে রাখা, সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকা। পড়ালেখা, খেলাধুলা, শখের বিষয় থেকে নিজে দূরে থাকা। এগুলো বিষণ্নতার লক্ষণ, যা থেকে আত্মহত্যা ঘটে।
এ ধরনের লক্ষণ কারও মধ্যে থাকলে তাকে পাশে থেকে মনঃসামাজিক সহায়তা দিতে হবে, তাকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ মৃত্যুর কথা বললে সবাই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল করে, যা মোটেও ঠিক নয়। বরং তার কথায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

একটি বড় ভুল ধারণা প্রচলিত আছে, যারা মৃত্যুর কথা বলে, তারা আত্মহত্যা করে না। অথচ সত্য হচ্ছে, তাদের মধ্যেই আত্মহত্যার ঝুঁকি অনেক বেশি। তাই প্রতিটি মৃত্যু ইচ্ছাকে আত্মহত্যার ইঙ্গিত হিসেবে ধরে নিতে হবে। এ সময় বন্ধু হয়ে তাদের পাশে থাকতে হবে।
প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট নিজের মনের যত্ন নিতে হবে। পজিটিভ চিন্তা করতে হবে সব নেগেটিভ এর মাঝখান থেকে। খুবই ছোট হলেও মন ভালো করে দেয়, এরকম কোনো ভালো কাজ করতে হবে। কেউ ভালো না বললেও নিজেকে নিজে ভালো বলতে পারি, এমন ছোট কাজ করার চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিন। লেখায় ব্যবহার করা ছবিগুলোর মতই সুন্দর ও রঙিন হোক সবার জীবন।
তুষার মাহমুদ : চিকিৎসক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। স্পোর্টস স্পেশালিস্ট চিকিৎসক।

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
১০ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
১৩ ঘণ্টা আগে