
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারে এসে অবরুদ্ধ বোধ করছি জানিয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, 'জীবনে এত অসহায় কখনো ফিল করিনি। কারণ সরকারে আসার কারণে আমাকে নিয়ে এতো মিথ্যাচার, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারি না।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে সিরডাপ মিলনায়তনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমার কাছে অনেক অন্যায় তদবির নিয়ে আসে। যখন সেগুলো পাত্তা না দেই তখন শুরু হয় গালাগালি। আমাকে তখন ভারতের দালাল বানানো হয়।
এছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি মামলা দেয়, সেই ব্যাপারে আমার কিছু করার নাই। প্রচুর মিথ্যা মামলা হচ্ছে। সেই তুলনায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যত মামলা হচ্ছে, সেগুলো অস্বাভাবিক নয়। জামিনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। আমরা আইন মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের জামিন দেওয়া বা না দেওয়ার ব্যাপারে কোনো কিছু বলিনি।’
এদিন সাংবাদিক দম্পতি শাকিল ও ফারজানা রূপার জামিন নিয়ে প্রশ্নে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘কে জামিন পাবে আর পাবে না, তা আইন মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয় না। বিচারকরা স্বাধীন। কোন গ্রাউন্ডে জামিন দিচ্ছে না, তা বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতরা বলতে পারবেন।’
সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘গণমাধ্যমের কেউ এক না। দলাদলি গ্রুপিং না করে নিজেরা এক হন। শক্তিশালী হন। দলকানা হয়ে নিজেরা মারামারি করলে গণমাধ্যম কখনো স্বাধীন হবে না।’
আসিফ নজরুল আরও যোগ করেন, ‘অভিযোগপত্র দেওয়ার পর মামলা বাতিল করার এখতিয়ার আছে হাইকোর্টের। পুলিশের ব্যাপারে আমার কিছু করার নাই। কেউ যদি মিথ্যা মামলা করে, আমার কিছু করার নাই। ডিজিটাল আইনের অধীনে যত মামলা ছিল, তা প্রায় সবই প্রত্যাহার করা হয়েছে।’
তিনি মন্তব্য করেন, ‘একশ্রেণির মানুষ, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ মিথ্যা মামলা ও ব্যবসা করেছে। এমন আচরণ করলে দুনিয়ার কেউ মিথ্যা মামলা ঠেকাতে পারবে না।’

সরকারে এসে অবরুদ্ধ বোধ করছি জানিয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, 'জীবনে এত অসহায় কখনো ফিল করিনি। কারণ সরকারে আসার কারণে আমাকে নিয়ে এতো মিথ্যাচার, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারি না।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে সিরডাপ মিলনায়তনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমার কাছে অনেক অন্যায় তদবির নিয়ে আসে। যখন সেগুলো পাত্তা না দেই তখন শুরু হয় গালাগালি। আমাকে তখন ভারতের দালাল বানানো হয়।
এছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি মামলা দেয়, সেই ব্যাপারে আমার কিছু করার নাই। প্রচুর মিথ্যা মামলা হচ্ছে। সেই তুলনায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যত মামলা হচ্ছে, সেগুলো অস্বাভাবিক নয়। জামিনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। আমরা আইন মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের জামিন দেওয়া বা না দেওয়ার ব্যাপারে কোনো কিছু বলিনি।’
এদিন সাংবাদিক দম্পতি শাকিল ও ফারজানা রূপার জামিন নিয়ে প্রশ্নে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘কে জামিন পাবে আর পাবে না, তা আইন মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয় না। বিচারকরা স্বাধীন। কোন গ্রাউন্ডে জামিন দিচ্ছে না, তা বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতরা বলতে পারবেন।’
সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘গণমাধ্যমের কেউ এক না। দলাদলি গ্রুপিং না করে নিজেরা এক হন। শক্তিশালী হন। দলকানা হয়ে নিজেরা মারামারি করলে গণমাধ্যম কখনো স্বাধীন হবে না।’
আসিফ নজরুল আরও যোগ করেন, ‘অভিযোগপত্র দেওয়ার পর মামলা বাতিল করার এখতিয়ার আছে হাইকোর্টের। পুলিশের ব্যাপারে আমার কিছু করার নাই। কেউ যদি মিথ্যা মামলা করে, আমার কিছু করার নাই। ডিজিটাল আইনের অধীনে যত মামলা ছিল, তা প্রায় সবই প্রত্যাহার করা হয়েছে।’
তিনি মন্তব্য করেন, ‘একশ্রেণির মানুষ, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ মিথ্যা মামলা ও ব্যবসা করেছে। এমন আচরণ করলে দুনিয়ার কেউ মিথ্যা মামলা ঠেকাতে পারবে না।’

বাংলাদেশ সময় রোববার (১০ মে) দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে মিয়ানমারে মাঝারি মাত্রার এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এ সময় ভূকম্পনে চট্টগ্রাম নগরীতে অনেকে আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন।
৫ ঘণ্টা আগে
পত্রিকায় প্রকাশিত এমন খবর পড়ার পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জন শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে ৪ জনের হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করে আসছেন
১৯ ঘণ্টা আগে