গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা ডিএমপির

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)

আবারও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এর আগেও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও সচিবালয় এলাকাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একাধিকবার সভা-সমাবেশ না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ডিএমপি।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবন, বিচারপতি ভবন, জাজেস কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান গেট, মাজার গেট, জামে মসজিদ গেট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এর প্রবেশ গেট, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের সম্মুখে সব ধরনের সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট, শোভাযাত্রা ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হলো।

এছাড়া বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় ও প্রতিবাদ কর্মসূচির নামে যখন-তখন সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও সচিবালয় এলাকাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ না করার জন্য এর আগেও একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ডিএমপি।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

পুরনো ‘ঐতিহ্যবাহী’ পোশাকে ফিরতে চায় পুলিশ

সংগঠনটির মতে, পুরনো পোশাক শুধু একটি ইউনিফর্ম নয়; এটি বাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। এটি পরিবর্তনের আগে পর্যাপ্ত গবেষণা ও জনমত যাচাই প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

২ ঘণ্টা আগে

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানে সাংবাদিক পেটাল পুলিশ

ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, "ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

৩ ঘণ্টা আগে

আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশ— সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে না ঢুকলে ব্যবস্থা

বলা হয়েছে, ওই বিধিমালার অধীন বিনা অনুমতিতে কাজে অনুপস্থিতি; বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগ; ও দেরি করে অফিসে উপস্থিতির মতো বিষয়গুলো অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

১৪ ঘণ্টা আগে

অন্তর্বর্তী আমলে বিএনপি কেন রাষ্ট্রপতিকে রক্ষায় অনড় ছিল

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর যখন প্রশাসন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্টে পর্যন্ত পরিবর্তন হয়েছে, তখন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন কীভাবে তার পদে টিকে থাকলেন সেটি অনেকের কাছেই কৌতূহলের বিষয়।

১৬ ঘণ্টা আগে