
অরুণ কুমার

বিল গেটসের হার্ভাডিয়ান বন্ধু পল অ্যালেন। তাঁরও কম্পিউটারে নেশা। কম্পিউটার সেন্টারে গিয়ে সেসব কম্পিউটার ব্যবহার করতেন দু বন্ধুতে মিলে। নিত্য-নতুন আইডিয়া মাথায় আসত সে সব করতে গিয়ে।
তখন কম্পিউটারের সফটওয়্যার জিনিসটার কেউ নামই শোনেনি। ছিল না পার্সোনাল কম্পিউটারের ধারণাও। ১৯৭৪ সালে একটা অখ্যাত কোম্পানি আল্টেয়ার বেশ ছোটখাটো বক্সাকৃতির একটা কম্পিটার বাজারে আনে। নামে কম্পিউটার হলেও সেটা দিয়ে আহামরি গোছের কিছু করা যেত না। সেটা আসলে দামি খেলনা বা ক্যালকুলেটারের সাধারণ রূপ বৈ কিছু নয়। এই আল্টেয়ারই দুই হার্ভেডিয়ান বন্ধুর মধ্যে ভবিষ্যতের বীজ বোপন করে দেয়। উড়নচণ্ডী স্টিভ জবস তখন স্বপ্ন দেখেন এক দিন বিশ্বের প্রতিটা ঘরে পেঁছৈ যাবে একটা করে পার্সোনাল কম্পিউটার। একই সময়ে হার্ভার্ডের তরুণ বিল গেটস ভাবনার সঙ্গে কর্মও যুক্ত করে ফেলেন।
বিল গেটস ভেবে দেখেন, একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যদি আল্টেয়ারের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তাহলে হয়তো এটা দিব্যি কাজ করবে। বাড়ি ফিরে বন্ধু পল অ্যালেনের সঙ্গে কাজে লেগে গেলেন। অটোমেটিক পাঞ্চ মেশিনের সাহায্যে পুরু কাগজে ছিদ্র করে লিখে ফেললেন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সেটার নাম দিলেন তাঁরা ‘বেসিক’।
সফটওয়ার তৈরি করে বসে থাকলেই তো চলবে না। ঠিক জায়গায় সেটা পৌঁছতে না পারলে তো বাজারে বিক্রি হবে কেন? নিজেদের একটা কম্পিউটারও নেই যে, সফটওয়ারটা পরীক্ষা করে দেখবেন। একমাত্র ভরসা এখন অল্টোয়ার কেম্পানি। কিন্তু প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটা নিয়ে আল্টেয়ার কোম্পানিতে যেতে রাজি নন গেটস। বিলের চেহারা থেকে কৈশরের চিহ্ন তখনো মুছে যায়নি। দেখলে খোকা খোকা লাগে। তাঁর ধারণা, কোম্পানির লোকেরা তাঁকে দেখে ছেলেমানুষ ভেবে বসতে পারে। কে জানে ছোটদের খেলনা ভেবে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটা চেক না করেই হয়তো ফিরিয়ে দেবে। তাই গেটস চাইলেন একাই যাক অ্যালেন। গায়ে-গতরে অ্যালেন বেশ গাঁট্টাগোট্টা। চেহারাতেও সাবালোকের ছাপ।
সাহস করে তাই অল্টেয়ারে একাই গেলেন অ্যালেন। কোম্পানিটির কর্তব্যক্তিদের বোঝাতে সক্ষম হলেন, কেন এই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটা কম্পিউটারে ব্যবহার করা জরুরি। অল্টেয়ারের কর্তারা এক অসীম সম্ভবনা দেখলেন এর মধ্যে। তাই তাঁরা সেটা কিনতে রাজি হয়ে গেলেন। সঙ্গে কিছু পয়সা এসে জুটল গেটস আর অ্যালেনের হাতে। আর এভাবেই প্রথম প্রোগ্রামিংয় ল্যাঙ্গুয়েজেরে জন্ম হলো। কিন্তু সেটা সফটওয়ার ছিল না।
বেসিক সফল হওয়ার পর দুই বন্ধুর শুধুই স্বপ্ন দেখার দিন এলো। পড়াশোনাতেও মন বসে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ অসমাপ্ত রেখেই তাই ব্যবসায় নেমে গেলেন গেটস-অ্যালেন জুটি। নিউ মেক্সিকোর অ্যালবুকার্কে একটা ছোট্ট দোকান ভাড়া করে সূচনা হলো বিশ্বের প্রথম সফটওয়্যার কোম্পানির। বিল সেটার নাম দিলেন মাইক্রোসফট।

বিল গেটসের হার্ভাডিয়ান বন্ধু পল অ্যালেন। তাঁরও কম্পিউটারে নেশা। কম্পিউটার সেন্টারে গিয়ে সেসব কম্পিউটার ব্যবহার করতেন দু বন্ধুতে মিলে। নিত্য-নতুন আইডিয়া মাথায় আসত সে সব করতে গিয়ে।
তখন কম্পিউটারের সফটওয়্যার জিনিসটার কেউ নামই শোনেনি। ছিল না পার্সোনাল কম্পিউটারের ধারণাও। ১৯৭৪ সালে একটা অখ্যাত কোম্পানি আল্টেয়ার বেশ ছোটখাটো বক্সাকৃতির একটা কম্পিটার বাজারে আনে। নামে কম্পিউটার হলেও সেটা দিয়ে আহামরি গোছের কিছু করা যেত না। সেটা আসলে দামি খেলনা বা ক্যালকুলেটারের সাধারণ রূপ বৈ কিছু নয়। এই আল্টেয়ারই দুই হার্ভেডিয়ান বন্ধুর মধ্যে ভবিষ্যতের বীজ বোপন করে দেয়। উড়নচণ্ডী স্টিভ জবস তখন স্বপ্ন দেখেন এক দিন বিশ্বের প্রতিটা ঘরে পেঁছৈ যাবে একটা করে পার্সোনাল কম্পিউটার। একই সময়ে হার্ভার্ডের তরুণ বিল গেটস ভাবনার সঙ্গে কর্মও যুক্ত করে ফেলেন।
বিল গেটস ভেবে দেখেন, একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যদি আল্টেয়ারের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তাহলে হয়তো এটা দিব্যি কাজ করবে। বাড়ি ফিরে বন্ধু পল অ্যালেনের সঙ্গে কাজে লেগে গেলেন। অটোমেটিক পাঞ্চ মেশিনের সাহায্যে পুরু কাগজে ছিদ্র করে লিখে ফেললেন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সেটার নাম দিলেন তাঁরা ‘বেসিক’।
সফটওয়ার তৈরি করে বসে থাকলেই তো চলবে না। ঠিক জায়গায় সেটা পৌঁছতে না পারলে তো বাজারে বিক্রি হবে কেন? নিজেদের একটা কম্পিউটারও নেই যে, সফটওয়ারটা পরীক্ষা করে দেখবেন। একমাত্র ভরসা এখন অল্টোয়ার কেম্পানি। কিন্তু প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটা নিয়ে আল্টেয়ার কোম্পানিতে যেতে রাজি নন গেটস। বিলের চেহারা থেকে কৈশরের চিহ্ন তখনো মুছে যায়নি। দেখলে খোকা খোকা লাগে। তাঁর ধারণা, কোম্পানির লোকেরা তাঁকে দেখে ছেলেমানুষ ভেবে বসতে পারে। কে জানে ছোটদের খেলনা ভেবে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজটা চেক না করেই হয়তো ফিরিয়ে দেবে। তাই গেটস চাইলেন একাই যাক অ্যালেন। গায়ে-গতরে অ্যালেন বেশ গাঁট্টাগোট্টা। চেহারাতেও সাবালোকের ছাপ।
সাহস করে তাই অল্টেয়ারে একাই গেলেন অ্যালেন। কোম্পানিটির কর্তব্যক্তিদের বোঝাতে সক্ষম হলেন, কেন এই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটা কম্পিউটারে ব্যবহার করা জরুরি। অল্টেয়ারের কর্তারা এক অসীম সম্ভবনা দেখলেন এর মধ্যে। তাই তাঁরা সেটা কিনতে রাজি হয়ে গেলেন। সঙ্গে কিছু পয়সা এসে জুটল গেটস আর অ্যালেনের হাতে। আর এভাবেই প্রথম প্রোগ্রামিংয় ল্যাঙ্গুয়েজেরে জন্ম হলো। কিন্তু সেটা সফটওয়ার ছিল না।
বেসিক সফল হওয়ার পর দুই বন্ধুর শুধুই স্বপ্ন দেখার দিন এলো। পড়াশোনাতেও মন বসে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ অসমাপ্ত রেখেই তাই ব্যবসায় নেমে গেলেন গেটস-অ্যালেন জুটি। নিউ মেক্সিকোর অ্যালবুকার্কে একটা ছোট্ট দোকান ভাড়া করে সূচনা হলো বিশ্বের প্রথম সফটওয়্যার কোম্পানির। বিল সেটার নাম দিলেন মাইক্রোসফট।

ঘরের ভেতর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল করে পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে দুপুরের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রুবেলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।
১০ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৫ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত অথবা সন্নিহিত সময়ে সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন ভারতের মেঘালয়, আসাম, বরাক অববাহিকা, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের পার্বত্য ও উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় ১০০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও মোট বৃষ্টিপ
১০ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে তাদের অবসর প্রদান করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৪ ডিআইজি, ১৭ অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ২ পুলিশ সুপার রয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আজ বিকেলে রাজধানীতে ৮৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
১১ ঘণ্টা আগে