
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বিধানসভার ওয়েবসাইটসহ সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের দাবি করেছে একদল হ্যাকার। তাদের দাবি, বাংলাদেশি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভারতীয় হ্যাকাররা হ্যাক করলে তার প্রতিবাদে তারা এ কাজ করেছেন।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ওপি চাওয়ালা নামের একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে ভারতীয় বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের তথ্য জানানো হয়।
চ্যানেলটিতে দেওয়া হ্যাকিংয়ের শিকার বিভিন্ন ভারতীয় ওয়েবসাইটের ইউআরএলে গিয়ে দেখা যায়, এসব ওয়েবসাইটে ‘হ্যাকড বাই শেখ হাসিনা’ ব্যানার ঝুলছে। ওয়েবসাইটগুলোতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন উদ্যাপনের একটি শর্ট ভিডিও যুক্ত করা হয়েছে। জুড়ে দেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্নক স্লোগান।
হ্যাকিংয়ের শিকার ওয়েবসাইটগুলোতে লেখা হয়েছে, ‘আর যদি কোনো একটি বাংলাদেশি আইটি অবকাঠামোও তাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাহলে ভারতীয় সাইবার স্পেসকে নরক বানিয়ে দেওয়া হবে। কোন দেশের ওয়েবসাইট সবচেয়ে বেশি দুর্বল, সেটা সবাই জানে।’
ব্যানারের শুরুতেই বলা হয়েছে, ‘ওয়েবসাইট হারানোর দুঃখ, ইন্ডিয়া ছাড়া আর কে ভালো জানে?’
ওই টেলিগ্রাম চ্যানেলে মোট ১১৮টি ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো হ্যাকড বলে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি সাইট অবশ্য প্রতিষ্ঠানগুলো রিকভার করেছে। কয়েকটি ওয়েবসাইট রিকভার করা না হলেও ‘হ্যাকড বাই শেখ হাসিনা’ ব্যানার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বিধানসভার ওয়েবসাইটসহ সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের দাবি করেছে একদল হ্যাকার। তাদের দাবি, বাংলাদেশি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভারতীয় হ্যাকাররা হ্যাক করলে তার প্রতিবাদে তারা এ কাজ করেছেন।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ওপি চাওয়ালা নামের একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে ভারতীয় বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের তথ্য জানানো হয়।
চ্যানেলটিতে দেওয়া হ্যাকিংয়ের শিকার বিভিন্ন ভারতীয় ওয়েবসাইটের ইউআরএলে গিয়ে দেখা যায়, এসব ওয়েবসাইটে ‘হ্যাকড বাই শেখ হাসিনা’ ব্যানার ঝুলছে। ওয়েবসাইটগুলোতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন উদ্যাপনের একটি শর্ট ভিডিও যুক্ত করা হয়েছে। জুড়ে দেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্নক স্লোগান।
হ্যাকিংয়ের শিকার ওয়েবসাইটগুলোতে লেখা হয়েছে, ‘আর যদি কোনো একটি বাংলাদেশি আইটি অবকাঠামোও তাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়, তাহলে ভারতীয় সাইবার স্পেসকে নরক বানিয়ে দেওয়া হবে। কোন দেশের ওয়েবসাইট সবচেয়ে বেশি দুর্বল, সেটা সবাই জানে।’
ব্যানারের শুরুতেই বলা হয়েছে, ‘ওয়েবসাইট হারানোর দুঃখ, ইন্ডিয়া ছাড়া আর কে ভালো জানে?’
ওই টেলিগ্রাম চ্যানেলে মোট ১১৮টি ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো হ্যাকড বলে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি সাইট অবশ্য প্রতিষ্ঠানগুলো রিকভার করেছে। কয়েকটি ওয়েবসাইট রিকভার করা না হলেও ‘হ্যাকড বাই শেখ হাসিনা’ ব্যানার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

টিকাদান কর্মসূচিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ভবিষ্যতে খেলার মাঠে মেলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।
৪ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, তারা (বিনিয়োগকারীরা) বলছেন, এখানে সরকারের যে সংস্থাগুলো আছে, সেগুলো খুব ধীরগতিতে চলে। তারা যে গতিতে কোনো ইস্যুর সমাধান চান, তা পান না। এতে নেতিবাচক অবস্থা তৈরি হয়, তারা হতাশ হয়ে যান।
৪ ঘণ্টা আগে
ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার। জাল নোট কারবারিরা যেন সক্রিয় না হতে পারে সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারিও চলছে বলে জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে