
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত ঘেঁষা ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্তে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার জান্তা সরকারের মধ্যে কয়েকদিন ধরে চলা সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতভরও দুপক্ষের মধ্যে চলেছে গোলাগুলি। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও সেটি অব্যাহত আছে। কয়েকদিনের ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গোলাগুলির ঘটনায় প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় আছেন দেশটির বিজিপি সৈনিক, চাকমাসহ অন্য সম্প্রদায়ের হাজারের কাছাকাছি লোকজন। তবে তাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় আছে বিজিবি।
এদিকে টানা কয়েকদিনের গোলাগুলির ঘটনায় আতঙ্কে এরই মধ্যে তুমব্রু সীমান্তের তিনটি গ্রাম কোনারপাড়া, মাঝেরপাড়া, বাজারপাড়া জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে। গ্রামে কয়েকজন পুরুষ ছাড়া নারী ও শিশুরা নিজেদের মতো করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে।
সীমান্তের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয়দের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন।
এদিকে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঘুমধুম এলাকা পরিদর্শনের সময় মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোরশেদ আলম।
তিনি বলেন, নভেম্বর মাসের ১৩ তারিখের পর থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। বিশেষ করে টেকনাফ, উখিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি বর্ডার এলাকাগুলো অশান্ত হয়ে যায়। তাদের সরকারি বাহিনী ও কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীদের গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলচ্ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের ধারণা দেখা দেয়, যার ফলে বিজিবি সদর দপ্তরে নির্দেশনা অনুযায়ী, সীমান্তে বিজিবি সংখ্যায় শক্তি বৃদ্ধি করেছি।
তিনি মিয়ানমার বিজিপি প্রসঙ্গে বলেন, গতকাল সকালে হঠাৎ করে যখন বিজিপি বাহিনীরা কোনোভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর সঙ্গে পেরে উঠছিল না তখন জীবন বাঁচানোর জন্য তারা বর্ডারে অনুপ্রবেশ করতে চায়। আমরা তখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের নিরাপত্তা মেসেজ দেই। তারপর তারা আমাদের কাছে অস্ত্র সেরেন্ডার (আত্মসমর্পণ) করে।
এরপর তাদেরকে নিরাপত্তা হ্যাভেনে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করি। তাদের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছে।
মর্টারশেল পড়ে হতাহতের ব্যাপারে বলেন, সোমবার দুপুরে মর্টারশেল আঘাতে দুইজন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশকে (বিজিপি) কঠোর প্রতিবাদ লিপি জানিয়েছি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবি হেডকোয়ার্টার কাজ করে যাচ্ছে। মিয়ানমার সরকারের কাছে কনসাল তুলে ধরেছি। অনুপ্রবেশের ব্যাপারে আমাদের সদর দপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।
এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১১৩ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণের পর ক্যাম্পে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। পালিয়ে আশা মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আহত ৯ জনকে কক্সবাজার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত ঘেঁষা ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্তে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার জান্তা সরকারের মধ্যে কয়েকদিন ধরে চলা সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতভরও দুপক্ষের মধ্যে চলেছে গোলাগুলি। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও সেটি অব্যাহত আছে। কয়েকদিনের ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গোলাগুলির ঘটনায় প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় আছেন দেশটির বিজিপি সৈনিক, চাকমাসহ অন্য সম্প্রদায়ের হাজারের কাছাকাছি লোকজন। তবে তাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় আছে বিজিবি।
এদিকে টানা কয়েকদিনের গোলাগুলির ঘটনায় আতঙ্কে এরই মধ্যে তুমব্রু সীমান্তের তিনটি গ্রাম কোনারপাড়া, মাঝেরপাড়া, বাজারপাড়া জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে। গ্রামে কয়েকজন পুরুষ ছাড়া নারী ও শিশুরা নিজেদের মতো করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে।
সীমান্তের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয়দের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন।
এদিকে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঘুমধুম এলাকা পরিদর্শনের সময় মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোরশেদ আলম।
তিনি বলেন, নভেম্বর মাসের ১৩ তারিখের পর থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। বিশেষ করে টেকনাফ, উখিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি বর্ডার এলাকাগুলো অশান্ত হয়ে যায়। তাদের সরকারি বাহিনী ও কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীদের গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলচ্ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের ধারণা দেখা দেয়, যার ফলে বিজিবি সদর দপ্তরে নির্দেশনা অনুযায়ী, সীমান্তে বিজিবি সংখ্যায় শক্তি বৃদ্ধি করেছি।
তিনি মিয়ানমার বিজিপি প্রসঙ্গে বলেন, গতকাল সকালে হঠাৎ করে যখন বিজিপি বাহিনীরা কোনোভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর সঙ্গে পেরে উঠছিল না তখন জীবন বাঁচানোর জন্য তারা বর্ডারে অনুপ্রবেশ করতে চায়। আমরা তখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের নিরাপত্তা মেসেজ দেই। তারপর তারা আমাদের কাছে অস্ত্র সেরেন্ডার (আত্মসমর্পণ) করে।
এরপর তাদেরকে নিরাপত্তা হ্যাভেনে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করি। তাদের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছে।
মর্টারশেল পড়ে হতাহতের ব্যাপারে বলেন, সোমবার দুপুরে মর্টারশেল আঘাতে দুইজন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশকে (বিজিপি) কঠোর প্রতিবাদ লিপি জানিয়েছি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবি হেডকোয়ার্টার কাজ করে যাচ্ছে। মিয়ানমার সরকারের কাছে কনসাল তুলে ধরেছি। অনুপ্রবেশের ব্যাপারে আমাদের সদর দপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।
এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১১৩ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণের পর ক্যাম্পে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। পালিয়ে আশা মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আহত ৯ জনকে কক্সবাজার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান গণমাধ্যমকে জানান, আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী সময়ে (১৯ থেকে ২৩ জুলাই) উজানের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। বিশেষ করে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে লাল
১৮ ঘণ্টা আগে
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাবে বরগুনার প্রধান তিন নদী—পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বরের পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে প্রায় দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির তোড়ে বরগুনার বড়ইতলা ও পুরকাটা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে সড়ক সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
১৯ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
২১ ঘণ্টা আগে