
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

১১ বছরের আরাবি ইসলাম সুবা এখন কোথায়? মায়ের ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছিল সে। কিন্তু এখন মায়ের অসুস্থতা ছাপিয়ে পরিবারের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা—সুবা নিখোঁজ।
সুবা বরিশালের একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। দুই মাস আগে মাকে নিয়ে ঢাকায় আসে, কারণ তার মা ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট এলাকার এক আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলেন তারা। কয়েক দিন আগে মায়ের কেমোথেরাপি শুরু হয়েছে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। চিকিৎসার ব্যয়, অসুস্থতা, অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছিল পরিবারের। কিন্তু ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ঘটে আরও বড় একটি দুর্ঘটনা।
সেদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছোট ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয় সুবা। কৃষি মার্কেট এলাকার প্রিন্স বাজারের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় তার ভাই একটু আগে এগিয়ে যায়। কয়েক মুহূর্ত পর ফিরে তাকিয়ে দেখে, সুবা আর নেই।
পরিবার প্রথমে ভেবেছিল, হয়তো কাছাকাছি কোথাও গিয়েছে, হয়তো পথ ভুল করেছে। কিন্তু মিনিট, ঘণ্টা, রাত পেরিয়ে গেলেও সুবার খোঁজ মেলেনি। বাবা ইমরান রাজিব ছুটে যান থানায়, আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, খোঁজ করছে।
মোহাম্মদপুরের টোকিও স্কয়ারের সামনে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে শেষবারের মতো দেখা গেছে সুবাকে। সে একা ছিল না—তার পাশে আরেকজন ছিল। কিন্তু সেই ব্যক্তি কে? সুবাকে কোথায় নিয়ে গেছে?
সুবার মা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুধু মেয়ের কথা ভাবছেন। বাবা দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছেন, থানায় যাচ্ছেন, খোঁজ নিচ্ছেন। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী সবাই উদ্বিগ্ন।
নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, অনেকে সাহায্য করতে চাইছেন। কিন্তু এখনো সুবার কোনো খোঁজ নেই।
একটি ১১ বছরের মেয়ে শহরের ভিড়ে হারিয়ে যেতে পারে না। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই কিছু দেখেছেন, কিছু জানেন। যদি কেউ কোনো খোঁজ পান, অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানায় জানান। সুবাকে খুঁজে বের করা শুধু তার পরিবারের নয়, আমাদের সবার দায়িত্ব। যেন সে নিরাপদে তার মায়ের কাছে ফিরে আসতে পারে।

১১ বছরের আরাবি ইসলাম সুবা এখন কোথায়? মায়ের ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছিল সে। কিন্তু এখন মায়ের অসুস্থতা ছাপিয়ে পরিবারের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা—সুবা নিখোঁজ।
সুবা বরিশালের একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। দুই মাস আগে মাকে নিয়ে ঢাকায় আসে, কারণ তার মা ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট এলাকার এক আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলেন তারা। কয়েক দিন আগে মায়ের কেমোথেরাপি শুরু হয়েছে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে। চিকিৎসার ব্যয়, অসুস্থতা, অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছিল পরিবারের। কিন্তু ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ঘটে আরও বড় একটি দুর্ঘটনা।
সেদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছোট ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয় সুবা। কৃষি মার্কেট এলাকার প্রিন্স বাজারের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় তার ভাই একটু আগে এগিয়ে যায়। কয়েক মুহূর্ত পর ফিরে তাকিয়ে দেখে, সুবা আর নেই।
পরিবার প্রথমে ভেবেছিল, হয়তো কাছাকাছি কোথাও গিয়েছে, হয়তো পথ ভুল করেছে। কিন্তু মিনিট, ঘণ্টা, রাত পেরিয়ে গেলেও সুবার খোঁজ মেলেনি। বাবা ইমরান রাজিব ছুটে যান থানায়, আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, খোঁজ করছে।
মোহাম্মদপুরের টোকিও স্কয়ারের সামনে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে শেষবারের মতো দেখা গেছে সুবাকে। সে একা ছিল না—তার পাশে আরেকজন ছিল। কিন্তু সেই ব্যক্তি কে? সুবাকে কোথায় নিয়ে গেছে?
সুবার মা হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুধু মেয়ের কথা ভাবছেন। বাবা দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছেন, থানায় যাচ্ছেন, খোঁজ নিচ্ছেন। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী সবাই উদ্বিগ্ন।
নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, অনেকে সাহায্য করতে চাইছেন। কিন্তু এখনো সুবার কোনো খোঁজ নেই।
একটি ১১ বছরের মেয়ে শহরের ভিড়ে হারিয়ে যেতে পারে না। কেউ না কেউ নিশ্চয়ই কিছু দেখেছেন, কিছু জানেন। যদি কেউ কোনো খোঁজ পান, অনুগ্রহ করে নিকটস্থ থানায় জানান। সুবাকে খুঁজে বের করা শুধু তার পরিবারের নয়, আমাদের সবার দায়িত্ব। যেন সে নিরাপদে তার মায়ের কাছে ফিরে আসতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) থেকে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ১৫৩ কর্মকর্তা।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আওতামুক্ত রাখার আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। বিগত সময়ে নির্বাচনের দিন ফলাফল প্রকাশ হলেও, এবার তা নিয়ে শঙ্কা আছে। তিনদিনের গুঞ্জন থাকলেও, নির্বাচনের পরদিন শুক্রবারের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
৩ ঘণ্টা আগে
৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ৩৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, এই কেন্দ্রগুলোতে সাতজন করে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া থাকবে বডি ক্যামেরা।
৪ ঘণ্টা আগে