২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় এমটি সেন্ট্রাল স্টার জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান নেয়। ফাইল ছবি

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে অয়েল ট্যাংকার ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান নেয়। জাহাজটি মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে এটি পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ভেড়ার পর অকটেন খালাস করা হবে। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার মো. নজরুল ইসলাম জানান, এমটি সেন্ট্রাল স্টার ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের আউটারে পৌঁছেছে। এতে মোট ২৬ হাজার টন অকটেন রয়েছে। বৃহস্পতিবার এটি বার্থিং করে খালাস করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত মার্চ মাসে বন্দরে ৩৩টি জ্বালানিবাহী জাহাজ ভিড়েছে। এর মধ্যে ১৫টি জাহাজ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল, ৮টি জাহাজ এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) এবং ৯টি জাহাজ এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) নিয়ে এসেছে।

বন্দরসচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু জাহাজের তেল ও গ্যাস খালাস হয়েছে এবং পাইপলাইনে আরও কয়েকটি জাহাজ রয়েছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

স্কুল ফিডিংয়ে খাদ্যের মান নিয়ে আপস নয়: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

১৪ ঘণ্টা আগে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

১৪ ঘণ্টা আগে

একদিনে হাম ও উপসর্গে ১৬ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

১৫ ঘণ্টা আগে

ঈদযাত্রায় ট্রেনে বড় শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই: রেলমন্ত্রী

সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ট্রেনে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ বেড়েছে। কেননা, মানুষের কাছে ট্রেন ভ্রমণ এখনো সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক মাধ্যমগুলোর একটি। তবে যাত্রী চাহিদার তুলনায় রেলের সক্ষমতা এখনও সীমিত। ফলে পুরোনো রেললাইন ও লোকোমোটিভ দিয়েই বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে ট্রেন চলা

১৫ ঘণ্টা আগে