
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।
সোমবার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়কে কেন্দ্র করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলছে, নির্বাসনে থাকা হাসিনার রায় ভারত ‘নজরে নিয়েছে’ এবং ‘বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা সর্বদা সকল অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে এই লক্ষ্যে কাজ করব।’ তবে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে হস্তান্তরে বাংলাদেশের আহ্বানের কোনও জবাব দেয়নি ভারত।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সর্বদা এই লক্ষ্যে সকল অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করব।’
সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৪৮ মিনিটে চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইবুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইবুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের যেসব অভিযোগ এ মামলায় করা হয়েছে সেগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি জড়িত ছিলেন।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার বলেন, শেখ হাসিনা গত কিছুদিনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে কিছু কিছু সাক্ষাৎকারে তিনি পরোক্ষভাবে এসব অপরাধে নিজের নির্দেশের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।
আদালত রায়ে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর যে দমনপীড়ন চালানো হয়েছে তা নজিরবিহীন। কেবল বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই এমন নিপীড়ন বিরল। জুলাই আন্দোলনে যারা হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হারিয়েছে। এসব জঘন্য নির্যাতনের অবসান ঘটা প্রয়োজন। এর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
বিচারক বলেন, শেখ হাসিনা উসকানি, হত্যার নির্দেশ ও হত্যাযজ্ঞ-নিপীড়ন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার তিন অভিযোগে অভিযুক্ত। এ কারণে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। ১ নম্বর অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড সাজা দেওয়া হলো।
বিচারক আরও বলেন, ড্রোন-হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যার নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। এ ছাড়া তিনি একই মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছেন চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যা ও আশুলিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে। এসব অপরাধে তাকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেওয়া হলো।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।
সোমবার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়কে কেন্দ্র করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলছে, নির্বাসনে থাকা হাসিনার রায় ভারত ‘নজরে নিয়েছে’ এবং ‘বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা সর্বদা সকল অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে এই লক্ষ্যে কাজ করব।’ তবে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে হস্তান্তরে বাংলাদেশের আহ্বানের কোনও জবাব দেয়নি ভারত।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সর্বদা এই লক্ষ্যে সকল অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করব।’
সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৪৮ মিনিটে চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইবুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইবুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের যেসব অভিযোগ এ মামলায় করা হয়েছে সেগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি জড়িত ছিলেন।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার বলেন, শেখ হাসিনা গত কিছুদিনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে কিছু কিছু সাক্ষাৎকারে তিনি পরোক্ষভাবে এসব অপরাধে নিজের নির্দেশের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।
আদালত রায়ে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর যে দমনপীড়ন চালানো হয়েছে তা নজিরবিহীন। কেবল বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই এমন নিপীড়ন বিরল। জুলাই আন্দোলনে যারা হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হারিয়েছে। এসব জঘন্য নির্যাতনের অবসান ঘটা প্রয়োজন। এর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
বিচারক বলেন, শেখ হাসিনা উসকানি, হত্যার নির্দেশ ও হত্যাযজ্ঞ-নিপীড়ন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার তিন অভিযোগে অভিযুক্ত। এ কারণে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। ১ নম্বর অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড সাজা দেওয়া হলো।
বিচারক আরও বলেন, ড্রোন-হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যার নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। এ ছাড়া তিনি একই মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছেন চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যা ও আশুলিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে। এসব অপরাধে তাকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দেওয়া হলো।

আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদপোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
৬ ঘণ্টা আগে
গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের হামলায় দীপালি আক্তার নামের এক প্রবাসী নারী গুরুতর আহত হন তিনি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। বাংলাদেশ সরকার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা ধারণা করছেন, শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার একটি গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আগুন লাগার সঠিক কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার পরিবর্তনের এই সময়ে দেশগুলোর উচিত পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা।
৮ ঘণ্টা আগে