
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাইফেলের মতো যেসব অস্ত্রের গুলিতে মানুষ মারা যেতে পারে সেগুলো ব্যবহারে পুলিশকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, পুলিশ কোনো কিলার ফোর্স হতে পারে না। পুলিশের কাছে বড়জোর শটগান থাকতে পারে। এসব নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করছি।
মঙ্গলবার আইজিপি কাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
পুলিশের হাতে মারণাস্ত্র না রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘সরকার তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে বিষয়টা মিন করেছে সেটি হচ্ছে যে অস্ত্রের গুলির ফলে নিশ্চিত মৃত্যু যেমন- রাইফেল। রাইফেল থেকে বুলেট নির্গত হয়। এগুলো আমরা এভয়েড করব। আমরা আর্মামেন্টেরিয়াম(অস্ত্রাগার) নিয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করব।’
আইজিপি বলেন, ‘অন প্রিন্সিপাল আমরা মনে করি যে, পুলিশ ক্যান নট বি এ কিলার ফোর্স। আমার কাছে বড়জোর শটগান থাকবে। এটাই একটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা। যেসব জায়গায় বা বিশেষ জায়গাগুলোতে বিদ্রোহ হয় বা বিদ্রোহী থাকে সেসব জায়গায় পুলিশের কার্যক্রমটা ভিন্ন হয়। তবে স্বাভাবিকভাবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কাছে যেন লিথাল ওয়েপন(প্রাণঘাতি মারণাস্ত্র) না থাকে। পুলিশের কাছে নন লিথাল ওয়েপন থাকাটা বিশ্বব্যাপী সমর্থন করে।’
এদিন মিরপুর-১৪ পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ ক্রিকেট ক্লাব মাঠে আইজিপি কাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার আয়োজন করা হয়।
গতকাল ১২ মে পুলিশের হাতে ‘মারণাস্ত্র’ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মারণাস্ত্র থাকবে শুধু এপিবিএনের (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) কাছে। পুলিশ তাদের কাছে থাকা মারণাস্ত্র জমা দেবে।

রাইফেলের মতো যেসব অস্ত্রের গুলিতে মানুষ মারা যেতে পারে সেগুলো ব্যবহারে পুলিশকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, পুলিশ কোনো কিলার ফোর্স হতে পারে না। পুলিশের কাছে বড়জোর শটগান থাকতে পারে। এসব নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করছি।
মঙ্গলবার আইজিপি কাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
পুলিশের হাতে মারণাস্ত্র না রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘সরকার তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে বিষয়টা মিন করেছে সেটি হচ্ছে যে অস্ত্রের গুলির ফলে নিশ্চিত মৃত্যু যেমন- রাইফেল। রাইফেল থেকে বুলেট নির্গত হয়। এগুলো আমরা এভয়েড করব। আমরা আর্মামেন্টেরিয়াম(অস্ত্রাগার) নিয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করব।’
আইজিপি বলেন, ‘অন প্রিন্সিপাল আমরা মনে করি যে, পুলিশ ক্যান নট বি এ কিলার ফোর্স। আমার কাছে বড়জোর শটগান থাকবে। এটাই একটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা। যেসব জায়গায় বা বিশেষ জায়গাগুলোতে বিদ্রোহ হয় বা বিদ্রোহী থাকে সেসব জায়গায় পুলিশের কার্যক্রমটা ভিন্ন হয়। তবে স্বাভাবিকভাবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কাছে যেন লিথাল ওয়েপন(প্রাণঘাতি মারণাস্ত্র) না থাকে। পুলিশের কাছে নন লিথাল ওয়েপন থাকাটা বিশ্বব্যাপী সমর্থন করে।’
এদিন মিরপুর-১৪ পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ ক্রিকেট ক্লাব মাঠে আইজিপি কাপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার আয়োজন করা হয়।
গতকাল ১২ মে পুলিশের হাতে ‘মারণাস্ত্র’ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মারণাস্ত্র থাকবে শুধু এপিবিএনের (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) কাছে। পুলিশ তাদের কাছে থাকা মারণাস্ত্র জমা দেবে।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি, অপপ্রচার ও আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া শিক্ষকদের চিহ্নিত করার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে এবং শাস্তির আওতায় আনতে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটির আগেই পোশাক শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তাসহ সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান কেন্দ্রিক উত্তেজনা এবং পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশে অপরিশোধিত তেল আসা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে, দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে তেলের তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং গত ১৪ এপ্রিল থেকে এর উৎপাদন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
৯ ঘণ্টা আগে
ট্রেন ভ্রমণ তুলনামূলক আরামদায়ক হলেও একা নারী যাত্রীদের জন্য ভিড়ের মধ্যে ট্রেনে ওঠা এবং কামরার ভেতরে গিয়ে আসনে বসা অনেক সময় দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
১০ ঘণ্টা আগে