সরাসরি

২ আসনেই জয় তারেক রহমানের

২১: ২০

জামাই হয়েও ‘শেখ পরিবারের কট্টর সমালোচক’ পার্থর জয়

ভোলা-১ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে জয় পেয়েছেন বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

বিএনপি জোটের প্রার্থী হয়ে জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। এর আগে ২০০৮ সালে তিনি এ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

সহকারী রিটানিং অফিসারের দপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গরুর গাড়ি প্রতীকে আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন এক লাখ চার হাজার ৪৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা ওবায়দুর রহমান পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯১ ভোট।

আন্দালিব রহমান পার্থ দাম্পত্য সূত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পারিবারিক আত্মীয়। তার স্ত্রী শেখ সায়রা রহমানের বাবা শেখ হেলাল উদ্দীন সম্পর্কে শেখ মুজিবুর রহমানের চাচাতো ভাই। অর্থাৎ শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে আন্দালিব পার্থর চাচাশ্বশুর।

সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকলেও শেখ পরিবারের সমালোচনায় কখনো ছাড় দেননি পার্থ। এমনকি সংসদেও তিনি শেখ হাসিনাসহ অন্যদের সমালোচনা করেছেন।

২১: ১৯

জিতলেন ‘খালেদা জিয়ার কামান’ আমানউল্লাহ আমান

জিতলেন ‘খালেদা জিয়ার কামান’ আমানউল্লাহ আমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ) আসনে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রায় দ্বিগুণ ভোট পেয়েছেন তিনি।

ছাত্রজীবনে ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজনীতি শুরু করা আমানউল্লাহ আমান আশির দশকের শেষ ভাগে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯০-৯১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অনন্য ভূমিকা পালনের জন্য জাতীয় ওই আন্দোলনের অন্যতম নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অন্যতম শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো আমান। সে থেকেই ‘খালেদা জিয়ার কামান’ হিসেবে পরিচিত তিনি।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৩টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল হক দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৩টি ভোট।

২১: ১৮

হাঁস নিয়ে হাসলেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন

হাঁস নিয়ে হাসলেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে হাঁস প্রতীক নিয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

রুমিন ফারহানা এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু জোটের রাজনীতির স্বার্থে এ আসনে বিএনপি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জুনায়েদকে দেওয়া হয় মনোনয়ন।

দলের এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি রুমিন ফারহানা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি। বিএনপিও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। তবু রুমিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ভোটের মাঠে টিকে ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এ ১৫১ কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফলে রুমিন ফারহানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।

২১: ১৭

এ্যানিসহ লক্ষ্মীপুরের ৪ আসনই বিএনপির ঘরে

এ্যানিসহ লক্ষ্মীপুরের ৪ আসনই বিএনপির ঘরে

লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের চারটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। এর মধ্যে তিনটি আসনে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। একটি আসনে মূল লড়াই হয়েছে এনসিপি প্রার্থীর সঙ্গে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে জেলার চার আসনের ফলাফল পাওয়া যায়। বেসরকারি ফলাফল বলছে, লক্ষ্মীপুর -১ (রামগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট। তার নিকটতম ‎প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী এনসিপি নেতা মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট।

‎লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া পেয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ১২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৪৯ ভোট।

‎লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রেজাউল করিম পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৭৭৯ ভোট।

‎লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান পেয়েছেন এক লাখ ১৪ হাজার ৪৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. আশরাফুর রহমান হাফিজ উল্যা পেয়েছেন ৭০ হাজার ৯৯৮ ভোট।

২১: ১৭

নকল বন্ধের কারিগর মিলনের বড় জয়

নকল বন্ধের কারিগর মিলনের বড় জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন সাবেক বিএনপি প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে সারা দেশে নকলের যে মহামারি দেখা দিয়েছিল, তা বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে বসানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া এই বিএনপি নেতা।

ফলাফলে দেখা যায়, ১১০টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলে এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। সে হিসাবে মিলন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।

২১: ১৬

নেত্রকোনা-৪: লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী লুৎফুজ্জামান বাবর

নেত্রকোনা-৪: লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী লুৎফুজ্জামান বাবর

নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট।

নেত্রকোনার এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৩০৮ জন। এখানে ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

২১: ১২

শেরপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির ফাহিম চৌধুরী

শেরপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির ফাহিম চৌধুরী

শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১০ হাজার ৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।

শেরপুরের এ আসনের দুই উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৫৪টি। সবগুলো কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. গোলাম কিবরিয়া (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮২ ভোট পেয়েছেন।

২১: ১০

সুনামগঞ্জের ৫ আসনেই বিএনপির জয়

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের সবগুলোতেই বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা। পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। বাকি একটি আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বিএনপিরই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের তথ্য বলছে, সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, মধ্যনগর, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল বিজয়ী হয়েছেন। ১৭৭ ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬৪ হাজার ২৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা উপাধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ খান পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৩৪ ভোট।

সুনামগঞ্জ-২ আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৬ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে ৪১ হাজার ৯৮৪ ভোট পেয়েছেন। ৫৪ হাজার ৬৮২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন কয়ছর আহমেদ।

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির নূরুল ইসলাম নূরুল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৫৫৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সামছ উদ্দিন পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৭৪ ভোট। এ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন পেয়েছেন ১৮ হাজার ৯১১ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) বিএনপি প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৯৯৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু তাহির মুহাম্মদ আবদুস সালাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯২৮ ভোট। বেসরকারি হিসাবে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ৫৩ হাজার ৬৯ ভোট বেশি পেয়েছেন।

২১: ০৯

জিতলেন মির্জা আব্বাসই

জিতলেন মির্জা আব্বাসই

সারা দেশের সবচেয়ে আলোচিত আসনগুলোর একটি ছিল ঢাকা-৮। ভোটের প্রচারের পুরোটা সময় এ আসনই ছিল সবার নজরে। ভোট গ্রহণ শেষে ভোটের ফলাফলেও এ আসন ছড়িয়েছে উত্তেজনা। বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা মির্জা আব্বাসের সঙ্গে তুমুল লড়াইয়ের আভাস দিচ্ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তরুণ তুর্কি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

শেষ রক্ষা অবশ্য পাটওয়ারীর হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মধ্যরাত পেরিয়ে পাওয়া গেছে এ আসনের ফলাফল। তাতে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ মির্জা আব্বাসই। পাঁচ হাজার ৬৯৬ ভোটের ব্যবধানে শেষ পর্যন্ত হেরে গেছেন পাটওয়ারী।

২১: ০৮

তারেক রহমান দুইয়ে দুই

তারেক রহমান দুইয়ে দুই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনে এ দুটি আসনেই প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য বলছে, ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট। সে হিসাবে খালিদুজ্জামানের চেয়ে সাত হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তারেক রহমান।

এদিকে ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সঙ্গে ব্যবধান অল্প হলেও বগুড়া-৬ আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এ আসনে ১১৬টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফলে দেখা যায়, তারেক রহমান পেয়েছেন এক লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৭২ হাজার ১৮০ ভোট।

১৭: ২৭

হামিদের দুর্গে ফজলুর জয়

হামিদের দুর্গে ফজলুর জয়
ফজলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জ-৪ ( ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ৭৭ হাজার ৭০৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এই উপদেষ্টা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এক লাখ ৩২ হাজার ৫০৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৯৯ ভোট। সে হিসাবে জামায়াত প্রার্থীর প্রায় আড়াই গুণ বেশি ভোট পেয়েছেন ফজলুর রহমান।

কিশোরগঞ্জের এ আসন থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হলে আসনটি শূন্য হয়। পরে উপনির্বাচনে তার বড় ছেলে প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক দলীয় মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন এবং ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি সংসদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন।

এবারের নির্বাচনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান এ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। এর আগে ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সম্মিলিত বিরোধী দলের হয়ে তৎকালীন কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৭: ১৩

ভিপি নুর এখন এমপি নুর

ভিপি নুর এখন এমপি নুর
নুরুল হক নুর। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জয়ী হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের আমলে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পর ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে জয় পেয়ে ‘ভিপি নুর’ হিসেবে সারা দেশে পরিচিত হয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে গলাচিপা-দশমিনা আসনের সব কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা নুরকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

নুর তার নির্বাচনি প্রতীক ‘ট্রাক‍’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এ আসনে। তার দল এ নির্বাচনে বিএনপির জোটসঙ্গী হিসেবে ভোট করেছে।

দীর্ঘ দেড় যুগ পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনটি ছিল দেশ জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। নুর তার নিজ এলাকায় এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলেন। তার বিপরীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের শক্ত অবস্থান তাদের লড়াইকে চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছিল।

১৭: ০১

মেহেরপুরের ২ আসনেই জামায়াতের জয়

মেহেরপুরের ২ আসনেই জামায়াতের জয়
জামায়াতের বিজয়ী দুই প্রার্থী মো. তাজউদ্দীন খান (বাঁয়ে) ও মো. নাজমুল হুদা (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর জেলার দুটি আসনেই নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মেহেরপুর-১ ও ২ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মেহেরপুর-১ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াত নেতা মো. তাজউদ্দীন খান। ১২৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পেয়েছেন এক লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন এক লাখ চার হাজার ২২৪ ভোট।

এদিকে মেহেরপুর-২ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন মো. নাজমুল হুদা। এ আসনের ৯০টি কেন্দ্রের ফলাফলে ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট।

১৬: ৫০

টাঙ্গাইল-৭: বিএনপির প্রার্থী বড় জয়

টাঙ্গাইল-৭: বিএনপির প্রার্থী বড় জয়
আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। বিকেল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। রাতে সাড়ে ৯টার দিকে এই আসনের মোট ১২৬টি কেন্দ্রের সবগুলোর ভোট গণনা শেষ হয়।

টাঙ্গাইলের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সুরাইয়া ইয়াসমিন জানান, এ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৪১ হাজার ২৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪০ ভোট।

এ ছাড়া বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মো. তোফাজ্জল হোসেন হাতি মার্কায় পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ ভোট।

১৬: ৩৭

সুনামগঞ্জ-৫: ধানের শীষের কলিমের জয়

সুনামগঞ্জ-৫: ধানের শীষের কলিমের জয়
কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বড় জয় পেয়েছেন। ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি হারিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তাহির মোহাম্মদ আব্দুস সালাম আল মাদানিকে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ছাতক-দোয়ারাবাজারের ১৭০টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫২ হাজার ৯২৫টি। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে মিলন পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৯৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু তাহির পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯২৮ ভোট।

নির্বাচন কমিশনের হিসাব বলছে, মিলন মোট ৫৩ হাজার ৬৯ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেছেন।

১৬: ২৬

রংপুর-৫: দুই গোলাম রব্বানীর লড়াইয়ে দাঁড়িপাল্লার জয়

রংপুর-৫: দুই গোলাম রব্বানীর লড়াইয়ে দাঁড়িপাল্লার জয়
জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (বাঁয়ে) ও বিএনপি প্রার্থী মো. গোলাম রব্বানী (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। তিনি হারিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী আরেক গোলাম রব্বানীকে।

আসনটির ১৫২টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অধ্যাপক গোলাম রব্বানী পেয়েছেন এক লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গোলাম রব্বানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট।

১৬: ২৪

পটুয়াখালী-৪: হাতপাখাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ধানের শীষের জয়

পটুয়াখালী-৪: হাতপাখাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ধানের শীষের জয়
বিএনপি প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেন (বাঁয়ে) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন।

আসনটির ১১১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৩৬ ভোট।

ভোটের হিসেবে এ আসনে তৃতীয় হয়েছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিশের (দেয়াল ঘড়ি) ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ।

১৬: ২১

কুড়িগ্রাম-৪: ২ ভাইয়ের লড়াইয়ে বিএনপি প্রার্থী বড় ভাইকে হারিয়ে জামায়াত প্রার্থী ছোট ভাইয়ের জয়

কুড়িগ্রাম-৪: ২ ভাইয়ের লড়াইয়ে বিএনপি প্রার্থী বড় ভাইকে হারিয়ে জামায়াত প্রার্থী ছোট ভাইয়ের জয়
বিএনপির প্রার্থী আজিজুর রহমান (বাঁয়ে) ও জামায়াতের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী) আসনে এক নজিরবিহীন লড়াইয়ের সাক্ষী হলো দেশবাসী। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আপন বড় ভাইকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয় পেয়েছেন জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ১৩০টি কেন্দ্রে মুস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আপন বড় ভাই বিএনপি প্রার্থী আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট।

১৬: ১৫

হাসনাতের নিরঙ্কুশ বিজয়

হাসনাতের নিরঙ্কুশ বিজয়
হাসনাত আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও জামায়াত সমর্থিত জোটের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন।

ইলেকশনওয়াচ বাংলাদেশের গণনায়, এ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ পেয়েছেন এক লাখ ৭২ হাজার ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের জসিম উদ্দীন (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন মাত্র ২৬ হাজার ভোট।

এ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী ও চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন বাতিল করে। এরপর উচ্চ আদালতেও তার রিট খারিজ হয়ে গেলে তিনি চূড়ান্তভাবে প্রার্থিতা হারান।

১৬: ০৫

ভোট গণনা চলছে, আসছে ফলাফল

ভোট গণনা চলছে, আসছে ফলাফল
বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে এখন চলছে ভোট গণনা। ছবি: রাজনীতি ডটকম

ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে বিকেল সাড়ে ৪টায়। ঘণ্টা তিনেক পর থেকেই আসতে শুরু করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনটি কেন্দ্রের ফলাফল বেসরকারিভাবে ঘোষণাও করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত তথ্য বলছে, কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির আসাদুজ্জামান, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াত সমর্থিত জোটের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপির এ বি এম মোশাররফ হোসেন জয় পেয়েছেন।