
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী রবিবারের (৪ আগস্ট) মধ্যে চারটি দাবি পূরণ না হলে গণমিছিলের কর্মসূচি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেফতারদের মুক্তি, কারফিউ তুলে নেওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া এবং সরকারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তারা। দাবি মানা না হলে রবিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে গণমিছিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি রাগীব নাইম এসব দাবি ঘোষণা করেন।
শুক্রবার (২ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘দ্রোহযাত্রা’ নিয়ে আসেন শিক্ষার্থী-জনতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সেখানেই ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন রাগীব নাঈম।
তিনি বলেন, আগামী রবিবারের মধ্যে কারফিউ প্রত্যাহার করতে হবে। গ্রেফতারকৃত সবাইকে মুক্তি দিতে হবে। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। বর্তমান সরকারকে শিক্ষার্থী-জনতা হত্যার দায়ে পদত্যাগ করতে হবে। এই দাবিগুলো যদি রবিবারের মধ্যে পূরণ না করা হয় তাহলে সেদিন বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে গণমিছিল শুরু হবে।
বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শহীদ মিনারের উদ্দেশে রওনা হয় ‘দ্রোহযাত্রা’। বিকাল পৌনে ৪টায় মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে পৌঁছায়। এরপর থেকে ভেঙে ভেঙে অনেকে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে আসতে থাকেন। শিক্ষার্থী, সাধারণ জনতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক, মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন মানুষ সেখানে যোগ দেন।
বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ছাড়তে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। তবে এখনও কিছু শিক্ষার্থী সেখানে অবস্থান করছেন।

আগামী রবিবারের (৪ আগস্ট) মধ্যে চারটি দাবি পূরণ না হলে গণমিছিলের কর্মসূচি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেফতারদের মুক্তি, কারফিউ তুলে নেওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া এবং সরকারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তারা। দাবি মানা না হলে রবিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে গণমিছিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি রাগীব নাইম এসব দাবি ঘোষণা করেন।
শুক্রবার (২ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘দ্রোহযাত্রা’ নিয়ে আসেন শিক্ষার্থী-জনতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সেখানেই ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন রাগীব নাঈম।
তিনি বলেন, আগামী রবিবারের মধ্যে কারফিউ প্রত্যাহার করতে হবে। গ্রেফতারকৃত সবাইকে মুক্তি দিতে হবে। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। বর্তমান সরকারকে শিক্ষার্থী-জনতা হত্যার দায়ে পদত্যাগ করতে হবে। এই দাবিগুলো যদি রবিবারের মধ্যে পূরণ না করা হয় তাহলে সেদিন বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে গণমিছিল শুরু হবে।
বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শহীদ মিনারের উদ্দেশে রওনা হয় ‘দ্রোহযাত্রা’। বিকাল পৌনে ৪টায় মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে পৌঁছায়। এরপর থেকে ভেঙে ভেঙে অনেকে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে আসতে থাকেন। শিক্ষার্থী, সাধারণ জনতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক, মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন মানুষ সেখানে যোগ দেন।
বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ছাড়তে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। তবে এখনও কিছু শিক্ষার্থী সেখানে অবস্থান করছেন।

অভিযানে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগে, যেখানে ৫৬৩টি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর উত্তরা বিভাগে ৪৪৩টি, মিরপুরে ৩২৯টি, গুলশানে ২৪৯টি, মতিঝিলে ২৩৩টি, তেজগাঁওয়ে ২২৭টি, লালবাগে ১৮২টি এবং রমনা বিভাগে ১১০টি মামলা করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শহর ও গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের দক্ষতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতেও কাজ করছে সরকার।’
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনার মাছউদ বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব ও আচার-অনুষ্ঠান, বর্ষা মৌসুম এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতি। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই কমিশন চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীও এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, শিগগিরই সৌদি ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশ সফরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে