
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মূল্যায়নে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে ইতিবাচকতা উঠে এসেছে চীনের প্রতি। এ সংক্রান্ত এক জরিপে ইতিবাচক মনোভাব উঠে এসেছে জাপান, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিও। এর বিপরীতে ভারতের বিরুদ্ধে উঠে এসেছে ব্যাপক নেতিবাচক মনোভাব।
‘বাংলাদেশে চীনের জাতীয় ভাবমূর্তি’ শীর্ষক ওই জরিপের ফলাফল বলছে, ৭৫ শতাংশের বেশি মানুষ ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অন্যদিকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবে দেখছেন মাত্র ১১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। এর বিপরীতে জরিপে অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশেরও বেশি মানুষ এই সম্পর্কে নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
গত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে সারা দেশের পাঁচ হাজার ৩৩৫ জন মানুষের মধ্যে এই জরিপ চালিয়েছে সেন্টার ফর অল্টারনেটিভস। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জরিপটির ফলাফল তুলে ধরা হয়।
জরিপে জাপানের ক্ষেত্রেও মানুষের ইতিবাচক মনোভাব উঠে এসেছে, যা পরিমাণে চীনের কাছাকাছি— ৭৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন প্রায় ৫৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে ৫৬ দশমিক ২২ শতাংশ, আসিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ককে ৫২ দশমিক ২২ শতাংশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ককে ৫৮ দশমিক ১৪ শতাংশ মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

ভারত ছাড়া অন্য দেশ বা অঞ্চলের প্রতি খুব একটা নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেননি জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা। ভারতের ক্ষেত্রে ৫৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ এমন মনোভাব পোষণ করলেও চীনের ক্ষেত্রে তা ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, জাপানের ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ, পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ, আসিয়ানের ক্ষেত্রে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।
ঢাকায় চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের উপস্থিতিতে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন সেন্টার ফর অল্টারনেটিভসের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ। ২০২২ ও ২০২৩ সালের ধারাবাহিকতায় গত বছর পরিচালনা করা এই জরিপের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, চীনের বিষয়ে মানুষের ইতিবাচক মনোভাব ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
উন্নয়ন সহযোগী বললে কোন দেশের নাম মাথায় আসে— এমন প্রশ্নও করা হয়েছিল জরিপে। এ প্রশ্নের জবাবে চীনের নাম বলেছেন ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা। আর ২২ শতাংশ জাপান, ১১ শতাংশ ভারত, ১৫ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র, ১২ শতাংশ রাশিয়া, ৯ শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ৬ শতাংশ দক্ষিণ কোরিয়াকে বেছে নিয়েছেন। ২০২৩ সালে একই প্রশ্নের জবাবে ২৬ শতাংশ বলেছিলেন চীনের কথা।
অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীনের ভাবমূর্তি জরিপে কিছু ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত অবস্থা এবং কিছু ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পরিস্থিতির কারণে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ-চীনের ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দারুণ আশাবাদ দেখিয়েছেন উত্তরদাতারা।
ইয়াও ওয়েন বলেন, এটি আমাদের জন্য আনন্দের যে ৭৫ শতাংশ উত্তরদাতা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য চীনে ব্যক্তিগতভাবে যেতে বা তাদের সন্তানদের পাঠাতে ইচ্ছুক। এই হার ২০২২ সালের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি। প্রায় ২৯ শতাংশ বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য চীনে যাওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন, যা ২০২২ সালের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি।
ফরেন সার্ভিস একাডেমির সাবেক রেক্টর মাশফী বিনতে শামস, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আমেনা মোহসিন, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সৈয়দ শাহনেওয়াজ মহসিনসহ অন্যরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মূল্যায়নে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে ইতিবাচকতা উঠে এসেছে চীনের প্রতি। এ সংক্রান্ত এক জরিপে ইতিবাচক মনোভাব উঠে এসেছে জাপান, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিও। এর বিপরীতে ভারতের বিরুদ্ধে উঠে এসেছে ব্যাপক নেতিবাচক মনোভাব।
‘বাংলাদেশে চীনের জাতীয় ভাবমূর্তি’ শীর্ষক ওই জরিপের ফলাফল বলছে, ৭৫ শতাংশের বেশি মানুষ ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অন্যদিকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবে দেখছেন মাত্র ১১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। এর বিপরীতে জরিপে অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশেরও বেশি মানুষ এই সম্পর্কে নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
গত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে সারা দেশের পাঁচ হাজার ৩৩৫ জন মানুষের মধ্যে এই জরিপ চালিয়েছে সেন্টার ফর অল্টারনেটিভস। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জরিপটির ফলাফল তুলে ধরা হয়।
জরিপে জাপানের ক্ষেত্রেও মানুষের ইতিবাচক মনোভাব উঠে এসেছে, যা পরিমাণে চীনের কাছাকাছি— ৭৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন প্রায় ৫৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে ৫৬ দশমিক ২২ শতাংশ, আসিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ককে ৫২ দশমিক ২২ শতাংশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ককে ৫৮ দশমিক ১৪ শতাংশ মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

ভারত ছাড়া অন্য দেশ বা অঞ্চলের প্রতি খুব একটা নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেননি জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা। ভারতের ক্ষেত্রে ৫৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ এমন মনোভাব পোষণ করলেও চীনের ক্ষেত্রে তা ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, জাপানের ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ, পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ, আসিয়ানের ক্ষেত্রে ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ।
ঢাকায় চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের উপস্থিতিতে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন সেন্টার ফর অল্টারনেটিভসের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ। ২০২২ ও ২০২৩ সালের ধারাবাহিকতায় গত বছর পরিচালনা করা এই জরিপের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, চীনের বিষয়ে মানুষের ইতিবাচক মনোভাব ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
উন্নয়ন সহযোগী বললে কোন দেশের নাম মাথায় আসে— এমন প্রশ্নও করা হয়েছিল জরিপে। এ প্রশ্নের জবাবে চীনের নাম বলেছেন ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা। আর ২২ শতাংশ জাপান, ১১ শতাংশ ভারত, ১৫ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র, ১২ শতাংশ রাশিয়া, ৯ শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ৬ শতাংশ দক্ষিণ কোরিয়াকে বেছে নিয়েছেন। ২০২৩ সালে একই প্রশ্নের জবাবে ২৬ শতাংশ বলেছিলেন চীনের কথা।
অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীনের ভাবমূর্তি জরিপে কিছু ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত অবস্থা এবং কিছু ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পরিস্থিতির কারণে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ-চীনের ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দারুণ আশাবাদ দেখিয়েছেন উত্তরদাতারা।
ইয়াও ওয়েন বলেন, এটি আমাদের জন্য আনন্দের যে ৭৫ শতাংশ উত্তরদাতা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য চীনে ব্যক্তিগতভাবে যেতে বা তাদের সন্তানদের পাঠাতে ইচ্ছুক। এই হার ২০২২ সালের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি। প্রায় ২৯ শতাংশ বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য চীনে যাওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন, যা ২০২২ সালের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি।
ফরেন সার্ভিস একাডেমির সাবেক রেক্টর মাশফী বিনতে শামস, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আমেনা মোহসিন, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সৈয়দ শাহনেওয়াজ মহসিনসহ অন্যরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

আন্দোলনরত নেতারা জানান, দাবির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় সারা দেশে একযোগে কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণাও দেওয়া হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
ধানের নতুন এ ছয়টি জাতের মধ্যে একটি ভিটামিন-ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, একটি লবণাক্ততা সহনশীল, একটি ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী, একটি হাওরাঞ্চলের উপযোগী ও ঠান্ডা সহনশীল এবং দুটি লজিং টলারেন্ট বা ঢলে পড়া প্রতিরোধী হাইব্রিড জাত।
৬ ঘণ্টা আগে
এফসিডিও’র ভ্রমণ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হামলার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক সমাবেশ এবং ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে বলে
৭ ঘণ্টা আগে