
বিজ্ঞপ্তি

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সেবার মাধ্যমে মরক্কো ও দূতাবাসের আওতাভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আরও উন্নত, দ্রুত ও নিরাপদ কনস্যুলার সেবা পাবেন।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধন করা হয়। মরক্কোতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মিস সাদিয়া ফয়জুননেসা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করনে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, মোহাম্মদ আবু নঈম এবং ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপ-পরিচালক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদেরর পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। এ ছাড়াও তিনি সার্বিক পাসপোর্ট সেবার মান উন্নয়নে এবং সকলের মধ্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে জানান।
পরবর্তীতে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রবাসীদের কাছে ই পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার দিক নির্দেশনায় প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। মরক্কোর পাশাপাশি ঘানা, গিনি, সেনেগাল ও সিয়েরা লিয়নের জন্যও বাংলাদেশ দূতাবাস, রাবাত সীমিত জনবল থাকা সত্ত্বেও আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দূতাবাস শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নেই নয়, বরং প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং কনস্যুলার কার্যক্রম কার্যকরভাবে সম্পাদন করার ক্ষেত্রেও নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।‘
তিনি আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, মরক্কোর বিভিন্ন শহরের ভৌগোলিক দূরত্ব, নথিবিহীন প্রবাসীদের জটিলতা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও দূতাবাস কনস্যুলার সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সেবার মাধ্যমে মরক্কো ও দূতাবাসের আওতাভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা আরও উন্নত, দ্রুত ও নিরাপদ কনস্যুলার সেবা পাবেন।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধন করা হয়। মরক্কোতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মিস সাদিয়া ফয়জুননেসা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করনে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, মোহাম্মদ আবু নঈম এবং ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপ-পরিচালক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদেরর পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। এ ছাড়াও তিনি সার্বিক পাসপোর্ট সেবার মান উন্নয়নে এবং সকলের মধ্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে জানান।
পরবর্তীতে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রবাসীদের কাছে ই পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার দিক নির্দেশনায় প্রবাসীদের কাছে ই-পাসপোর্ট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় পাসপোর্ট ও অভিবাসন অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। মরক্কোর পাশাপাশি ঘানা, গিনি, সেনেগাল ও সিয়েরা লিয়নের জন্যও বাংলাদেশ দূতাবাস, রাবাত সীমিত জনবল থাকা সত্ত্বেও আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দূতাবাস শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নেই নয়, বরং প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং কনস্যুলার কার্যক্রম কার্যকরভাবে সম্পাদন করার ক্ষেত্রেও নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।‘
তিনি আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, মরক্কোর বিভিন্ন শহরের ভৌগোলিক দূরত্ব, নথিবিহীন প্রবাসীদের জটিলতা এবং বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও দূতাবাস কনস্যুলার সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছেন, কোনো অন্যায়-অপরাধ, হাজিদের ওপর কোনো অবিচার সহ্য করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী দু-এক দিনের মধ্যে হাজ ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে অন্যান্য আন্দোলনকারীর সঙ্গে মিছিল করছিলেন মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে তার বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। গত ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা
৩ ঘণ্টা আগে
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল মানুষের সমাগম হবে। সব শ্রেণিপেশার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারে, সেজন্য ডিএমপি ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদ আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
৩ ঘণ্টা আগে