
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঘরে বসে সরকারি ওয়েব পোর্টাল মাইগভ ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই বিদেশযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করা যাবে। এসব সত্যায়ন হবে অ্যাপোস্টিল সনদ সমর্থিত। ফলে অ্যাপোস্টিল কনভেনশনভুক্ত অন্তত ১১৭টি দেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও প্রবাসীরা এই অনলাইন সত্যায়ন সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) উদ্বোধন করা হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই সেবাটির ব্যবস্থাপনায় থাকছে অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)।
বর্তমানে দেশের বাইরের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী পড়ার জন্য আবেদন করতে চাইলে প্রথমে শিক্ষার্থীকে বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন সনদপত্র সত্যায়ন করে নিতে হয়। পরের ধাপে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিসত্য়ায়ন করে শেষ ধাপে আবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে চূড়ান্ত সত্যায়ন করতে হয় এসব সনদ।
এরপর আবার সত্যায়িত ওইসব সনদ কখনো কখনো সংশ্লিষ্ট দূতাবাস থেকে সত্যায়ন করতে হয়। কোনো কোনো দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও সত্যায়ন করতে হয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা চালু হলে ওই শিক্ষার্থীকে কোথাও যেতে হবে না। ঘরে বসে মাইগভ সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই চূড়ান্ত সত্যায়ন করে নেওয়া সম্ভব হবে। আগামী ২৯ মার্চের পর এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত বাস্তবায়ন হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, এটি ছোট একটি পদক্ষেপ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ধরনের দুর্নীতি ছাড়াই যদি সুন্দরভাবে সবাইকে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে সবার উপকার হবে।

সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ছবি: পিআইডি
অ্যাসপায়ার টু ইনোভেটের (এটুআই) প্রকল্প পরিচালক মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, অনলাইন ব্যবস্থাপনার কারণে পাঁচ দিনের মধ্যে এই সত্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এই কার্যক্রমে এরই মধ্যে ৭৮টি দপ্তর ও সংস্থা এবং ১৬২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ড যুক্ত হয়েছে। বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে যত ধরনের কাগজপত্র সত্যায়ন করতে হয়, সবগুলো এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে পক্ষভুক্ত হয় বাংলাদেশ। তখন থেকেই অ্যাপোস্টিল সনদসহ অনলাইন সত্যায়ন চালুর প্রক্রিয়া শুরু করে বাংলাদেশ।
ওই কনভেনশনের পক্ষভুক্ত ১০টি দেশ (জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, গ্রিস, বেলজিয়াম ও সুইডেন) বাংলাদেশের সার্টিফিকেশনে আপত্তি দিয়েছে। বাকি ১১৭টি দেশে এখন থেকেই বাংলাদেশের অনলাইন সত্যায়ন গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও।
শিক্ষা সনদ থেকে শুরু করে জন্ম ও মৃত্যু সনদ, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বিবাহিত-অবিবাহিত সনদপত্র, বিমা ও বাণিজ্যিক সনদপত্র, ব্যাংক বিবরণী, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মেডিকেল সনদ, চারিত্রিক সনদপত্র, জনশক্তি সম্পর্কিত সংস্থার নথি, পারিবারিক সনদ, অভিভাবকত্ব সনদ, বিবাহ সনদসহ বিদেশগামীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের নথিপত্রের সত্যায়নেই এই প্রক্রিয়ার মধ্যে চলে আসবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বিদেশি দূতাবাসগুলোতে একেক পাতা নথি সত্যায়ন করতে তিন হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। অ্যাপোস্টিল সনদ বাস্তবায়ন হলে এই সনদ গ্রহণ করা দেশগুলোর দূতাবাসে ফি দিয়ে আর কোনো নথি সত্যায়িত করতে হবে না। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের বছরে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

ঘরে বসে সরকারি ওয়েব পোর্টাল মাইগভ ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই বিদেশযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো কাগজপত্র সত্যায়ন করা যাবে। এসব সত্যায়ন হবে অ্যাপোস্টিল সনদ সমর্থিত। ফলে অ্যাপোস্টিল কনভেনশনভুক্ত অন্তত ১১৭টি দেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও প্রবাসীরা এই অনলাইন সত্যায়ন সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) উদ্বোধন করা হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও কল্যাণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই সেবাটির ব্যবস্থাপনায় থাকছে অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)।
বর্তমানে দেশের বাইরের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী পড়ার জন্য আবেদন করতে চাইলে প্রথমে শিক্ষার্থীকে বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন সনদপত্র সত্যায়ন করে নিতে হয়। পরের ধাপে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিসত্য়ায়ন করে শেষ ধাপে আবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে চূড়ান্ত সত্যায়ন করতে হয় এসব সনদ।
এরপর আবার সত্যায়িত ওইসব সনদ কখনো কখনো সংশ্লিষ্ট দূতাবাস থেকে সত্যায়ন করতে হয়। কোনো কোনো দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও সত্যায়ন করতে হয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা চালু হলে ওই শিক্ষার্থীকে কোথাও যেতে হবে না। ঘরে বসে মাইগভ সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই চূড়ান্ত সত্যায়ন করে নেওয়া সম্ভব হবে। আগামী ২৯ মার্চের পর এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত বাস্তবায়ন হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, এটি ছোট একটি পদক্ষেপ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো ধরনের দুর্নীতি ছাড়াই যদি সুন্দরভাবে সবাইকে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে সবার উপকার হবে।

সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ছবি: পিআইডি
অ্যাসপায়ার টু ইনোভেটের (এটুআই) প্রকল্প পরিচালক মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, অনলাইন ব্যবস্থাপনার কারণে পাঁচ দিনের মধ্যে এই সত্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এই কার্যক্রমে এরই মধ্যে ৭৮টি দপ্তর ও সংস্থা এবং ১৬২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ড যুক্ত হয়েছে। বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে যত ধরনের কাগজপত্র সত্যায়ন করতে হয়, সবগুলো এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে পক্ষভুক্ত হয় বাংলাদেশ। তখন থেকেই অ্যাপোস্টিল সনদসহ অনলাইন সত্যায়ন চালুর প্রক্রিয়া শুরু করে বাংলাদেশ।
ওই কনভেনশনের পক্ষভুক্ত ১০টি দেশ (জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, গ্রিস, বেলজিয়াম ও সুইডেন) বাংলাদেশের সার্টিফিকেশনে আপত্তি দিয়েছে। বাকি ১১৭টি দেশে এখন থেকেই বাংলাদেশের অনলাইন সত্যায়ন গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও।
শিক্ষা সনদ থেকে শুরু করে জন্ম ও মৃত্যু সনদ, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, বিবাহিত-অবিবাহিত সনদপত্র, বিমা ও বাণিজ্যিক সনদপত্র, ব্যাংক বিবরণী, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মেডিকেল সনদ, চারিত্রিক সনদপত্র, জনশক্তি সম্পর্কিত সংস্থার নথি, পারিবারিক সনদ, অভিভাবকত্ব সনদ, বিবাহ সনদসহ বিদেশগামীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের নথিপত্রের সত্যায়নেই এই প্রক্রিয়ার মধ্যে চলে আসবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বিদেশি দূতাবাসগুলোতে একেক পাতা নথি সত্যায়ন করতে তিন হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। অ্যাপোস্টিল সনদ বাস্তবায়ন হলে এই সনদ গ্রহণ করা দেশগুলোর দূতাবাসে ফি দিয়ে আর কোনো নথি সত্যায়িত করতে হবে না। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের বছরে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

মন্ত্রী জানান, গুলশান ও হাইকোর্ট-সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
৬ ঘণ্টা আগে
তিন দিনব্যাপী মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে। দেশের পর্যটন খাতের অন্যতম বড় এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের জন্য রাজধানীর অন্যতম বড় ও বহুমুখী ইভেন্ট ভেন্যু আইসিসিবিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাইয়ের ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে ‘নীরব প্রতিবাদ’ জানিয়েছেন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা।
৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
৮ ঘণ্টা আগে